বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সর্বশেষ সংবাদঃ
মহম্মদপুরে বৃদ্ধকে জনসম্মুখে মাথা ন্যাড়াসহ গোঁফ কেটে দেওয়ার অপরাধে ত্রিনাথ শীলকে আটক করেছে পুলিশ মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক বন্ধুকে হত্যা করে, বন্ধুর বাইকেই ঘুরে বেড়াল তার বান্ধবীকে নিয়ে। মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন সদস্য সংগ্রহের জন্য প্রাথমিক সদস্য ফরম বিতরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। মহম্মদপুরের চাকুলিয়ায় আকস্মিক হামলায় আহত ৬ বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট ! মাগুরার শ্রীপুরে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি ভেঙ্গে, আহ্বায়ক কমিটি গঠন মহম্মদপুরে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির ঈদ পুনর্মিলন উদযাপন গ্রিন মাগুরা ক্লিন মাগুরা আন্দোলনের ঘোষণা দিলেন জেলা প্রশাসক মহম্মদপুরে বেসরকারি ভাবে আ:মান্নান চেয়ারম্যান নির্বাচিত মহম্মদপুরে ছাত্র-ছাত্রী বিহীন চলছে এমপিও প্রতিষ্ঠান ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠান মাগুরায় পুলিশের অভিযানে দুইটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ আটক তিন মহম্মদপুরে ৩২ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ পুলিশের হাতে আটক ১ মহম্মদপুরে দেশীয় অস্ত্র সহ ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতার শ্রীপুরে বিশেষ আয়োজনে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটের বাৎসরিক আনন্দ ভ্রমণ শেষ পৌষের কনকনে শীতে কাঁপছে মাগুরা! মাগুরার মহম্মদপুরে শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বড়রিয়ার মেলা শুরু!
Notice :
প্রিয় পাঠক   দৈনিক মাগুরার কথা   অনলাইন নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ম মেনে বস্তু নিষ্ঠ তথ্য ভিত্তিক সংবাদ প্রচার করতে আমরা বদ্ধ পরিকর ।  বি:দ্র : এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা,  ছবি ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি । এখানে ক্লিক করুণ Apps  

করোনা দেশের বড় ক্ষতি করতে পারেনি: প্রধানমন্ত্রী

মাগুরার কথা ডেক্স / ২৪৮ বার পঠিত হয়েছে।
নিউজ প্রকাশ : বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২১, ৬:৩১ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকা মানুষ ও ব্যবসার সুরক্ষায় সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে করোনা মহামারি দেশের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেনি। নিউইয়র্কভিত্তিক ফরচুন সাময়িকীতে ২০ ডিসেম্বর প্রকাশিত এক নিবন্ধে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘যাদের সবচেয়ে বেশি সহায়তার প্রয়োজন, তাদের সাহায্য করার মাধ্যমে আমরা কোভিড-১৯-এর অভিঘাত মোকাবিলা করেছি। বাংলাদেশও কোভিড-১৯ মহামারির শিকার হতে পারত। কিন্তু আমরা ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠী ও ব্যবসা উভয়কে সুরক্ষিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করি। ফলে মহামারি বাংলাদেশে অন্যান্য দেশের মতো মারাত্মকভাবে আঘাত হানতে পারেনি। আমরা এ মহামারি থেকে খুব দ্রুত উত্তরণ করছি।’

শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের প্রচেষ্টা ছিল, মানুষের চাহিদার দিকে লক্ষ রেখে জীবন ও জীবিকার মধ্যে সমন্বয় করা। এরপর ব্যবসাকে প্রণোদনা দেওয়া, যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘আমরা খুব দ্রুত ৪ কোটি বা দেশের এক–চতুর্থাংশ মানুষের মধ্যে অর্থ বিতরণসহ বিভিন্ন সহায়তা দিই। মোট ২২ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা আমাদের জিডিপির প্রায় ৬ দশমিক ২ শতাংশের এ সহায়তা ২৮টি পৃথক প্রণোদনা প্যাকেজের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আমরা আরও কয়েক শ কোটি মার্কিন ডলার টিকা ক্রয় ও অন্যান্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যয় করেছি

 

করোনার অমিক্রন ধরন এলে প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রতি জনগণের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, সরকারের নীতি হচ্ছে কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না। এ নীতির আলোকে ১৬ দশমিক ৮ মিলিয়ন পরিবারকে চাল, শিশুখাদ্য ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা লিখেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী স্মরণে মহামারির আগেই গৃহহীনদের জন্য বাড়ির নির্মাণকাজ সম্প্রসারিত করা হয়। কার্যক্রমটি মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যাপক অবদান রাখে। এ ছাড়া সরকার করোনাকালে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও তার কর্মীদের নানাভাবে সহায়তা দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ায়। বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও সহায়তা পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘আমরা কখনো নিজেদের ওপর বিশ্বাস হারাইনি। আমাদের জনগণকে সক্রিয় রেখেছি। আমরা পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করেছি। সংক্রমিত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে যাঁরা গেছেন, তাঁদের চিহ্নিত করেছি। আমরা সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশন সুবিধা স্থাপন করেছি। আমরা ৬ হাজার ২০০ চিকিৎসক, ১০ হাজার নার্স ও ৩ হাজার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকর্মী নিয়োগ করেছি। পরিশেষে এটাও ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য যে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা এ বছরগুলোতে স্থানীয় পর্যায়ে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমাদের স্বাস্থ্যসেবা টেকসই রাখতে পেরেছি।’

শেখ হাসিনা আরও লিখেছেন, নতুন উদ্যোগ ও অতীতের বিনিয়োগের সংমিশ্রণ অগণিত জীবন বাঁচিয়েছে। দেশের অর্থনীতি এ প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছে। গত বছরের নভেম্বর থেকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রায় ২ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের পাঁচটি দ্রুততম ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির মধ্যে একটি। গত ১০ বছরের বেশি সময় বাংলাদেশ তার দারিদ্র্যের হার ৩১ দশমিক ৫ থেকে ২০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। মাথাপিছু আয় এক দশকে তিন গুণ বেড়ে ২ হাজার ২২৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বেশি। বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ সর্বকালের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘মহামারি আমাদের অগ্রগতিতে বাধা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

শেখ হাসিনা লিখেছেন, ডিজিটাল পদ্ধতি গ্রহণ ও অভিজ্ঞতা অর্জনে বাংলাদেশ বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছে। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ উদ্যোগ অর্থনীতিকে রূপান্তর ও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। এটি কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইকে সহজ করে তুলেছে। অধিকাংশ বাংলাদেশিরা এখন তাদের স্মার্টফোনের ওপর নির্ভর করে। এর মাধ্যমে প্রতি মিনিটে মহামারি সম্পর্কে তাদের অবহিত রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে অন্যতম দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি হতে অনেক দূর পাড়ি দিয়ে এসেছে। এ বছর নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন করছে। এখন আমরা ২০২৬ সালের মধ্যে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশে উত্তরণের পথে রয়েছি। গত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ মহামারি সত্ত্বেও এসব অর্জন সম্ভব হয়েছে। মানুষের সম্পৃক্ততাই এ পরিবর্তনকে সম্ভব করেছে।’

সূত্র-বাসস


এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের সবখবর
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!