কেশবপুরে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের ফেরাতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু

কেশবপুরে ঝরে পড়া ও বিদ্যালয়ে না যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে চালু হয়েছে উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়। উপজেলার ৭০টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রামের আওতায় এসব শিক্ষার্থীদেরকে পড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছে যশোরের দিশা সমাজ কল্যাণ সংস্থা।
মঙ্গলবার উপজেলার ৭০টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিখন কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়। এদিন বিকেলে উপজেলার মজিদপুর এলাকার শিখন কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন, দিশা সমাজ কল্যাণ সংস্থার কেশবপুরের প্রোগ্রাম ম্যানেজার এহসানুল ইসলাম রিপন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সংস্থার সুপারভাইজার আক্তারুজ্জামান, মামুনার রশীদ, লিপিয়া খাতুন, মোখলেছুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, শিক্ষিকা ফারজানা মনি প্রমুখ।উদ্বোধনের পরেই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন বই।নতুন বই হাতে পেয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা উল্লাস করতে থাকে।সংস্থার প্রোগ্রাম ম্যানেজার এহসানুল ইসলাম রিপন বলেন, উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ঝরে পড়া ও বিদ্যালয়ে না যাওয়া ১৪ বছর বয়সী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে উপজেলার ৭০টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ৩০ জন করে শিক্ষার্থীকে পড়ানো হবে।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

নিজ কেন্দ্রে ভোট দিলেন রাজশাহী-৬ আসনের প্রার্থী আবু সাইদ চাঁদ

error: Content is protected !!

কেশবপুরে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের ফেরাতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু

Update Time : ০৯:০৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

কেশবপুরে ঝরে পড়া ও বিদ্যালয়ে না যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে চালু হয়েছে উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়। উপজেলার ৭০টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রামের আওতায় এসব শিক্ষার্থীদেরকে পড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছে যশোরের দিশা সমাজ কল্যাণ সংস্থা।
মঙ্গলবার উপজেলার ৭০টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিখন কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়। এদিন বিকেলে উপজেলার মজিদপুর এলাকার শিখন কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন, দিশা সমাজ কল্যাণ সংস্থার কেশবপুরের প্রোগ্রাম ম্যানেজার এহসানুল ইসলাম রিপন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সংস্থার সুপারভাইজার আক্তারুজ্জামান, মামুনার রশীদ, লিপিয়া খাতুন, মোখলেছুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, শিক্ষিকা ফারজানা মনি প্রমুখ।উদ্বোধনের পরেই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন বই।নতুন বই হাতে পেয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা উল্লাস করতে থাকে।সংস্থার প্রোগ্রাম ম্যানেজার এহসানুল ইসলাম রিপন বলেন, উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ঝরে পড়া ও বিদ্যালয়ে না যাওয়া ১৪ বছর বয়সী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে উপজেলার ৭০টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ৩০ জন করে শিক্ষার্থীকে পড়ানো হবে।