Dhaka ০২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে রমজানকে ঘিরে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিম্ন আয়ের মানুষ দিশেহারা

কেশবপুরে রমজানকে ঘিরে নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচা সবজি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। রমজানের আগে যেসব সব সবজির দাম ছিলো কম তা এখন প্রতি কেজিতে ৭/৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে সবজির দাম। শুধু তাই নয় সেই সাথে বেড়ে চলেছে মাছ মাংস। এসব নিত্য প্রয়োজনী দাম আকাশ ছোঁয়া হওয়ার ফলে ক্রেতারা পড়ে বিপাকে। তবে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন তারা পাইকারীরা বাজার থেকে ও কৃষকদের নিকট থেকে বেশি দামে সবজি ক্রয়ের ফলে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে ক্রেতাদের নিকট।কেশবপুর পাইকারী কাচা বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে সবজির বর্তমান বাজার মূল্য সম্পর্কে এমন তথ্য জানা যায়। রমজান উপলÿে কৃষকরা খুচরা বাজারে কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি করছে এসব সবজি বলে পাইকারী ও খুচরা কাচা বাজার ব্যবসায়ীরা জানান।সরেজমিনে মঙ্গলবার বিকেলে কেশবপুর বেকালী বাজার ঘুরে দেখা যায়,জমিতে চাষ করা টাটকা সবজি বিক্রি করতে এসেছে শত শত কৃষকররা।কেশবপুরসহ পর্শ্ববর্তি মনিরামপুর উপজেলার দক্ষিন-পশ্চিাঞ্চলের শত শত পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীরা কৃষকদের নিকট থেকে সবজি ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে।কেশবপুর পাইকারী কাচা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটা আড়ৎ এ রয়েছে সবজি আর সবজি। দূর-দূরান্ত্ম থেকে আসা ব্যবসায়ীরা সবজি নিতে ব্যাটারি চালিত ভ্যান,নসিমন, করিমন ও আলম সাধু নিয়ে এসেছেন এ বাজারে।এখানে বাধা কপি প্রতি পিচ ১০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা,গাজর ৪০ টাকা,সিম ৭০ টাকা,কাচাঁ কলা ২৫ টাকা,টমেটো ৩০ টাকা,পেপে ২৫ টাকা,পটল ৬০ টাকা খিরায় ৬০ টাকা,ঝাল ১০০ টাকা,পোয়াজ ৩০.রসুন ৪০ টাকা,ডাটা ২০ টাকা,কচুর লতি ৪০ টাকা,বরটি ৪০ টাকা,বেনটি ৪০ টাকা,উচ্চা ৪০ টাকা,লাউ পিচ ৩০ টাকা,মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা,খাড়া ৬০ টাকা,কেজি দরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। উপজেলার সুজাপুর গ্রামের সবজি চাষি তফিজুল ইসলাম বলেন,তিনি সিম চাষ করেছেন বাজারে দামও বেশি পাওয়া যাচ্ছে।অনেক কৃষকরা জানান,রমজান উপলÿে বাজারে বেশি দামে কাঁচা সবজি বিক্রি করতে পারছে। এতদিন বাজারে সবজি বিক্রি করে যে ÿতি হয়েছে সেটা এখন পুশিয়ে নেওয়া যাচ্ছে।ভ্যানচালক করিম,করিমন চালক খালেক,আলমসাধু চালক রহিম,মোটরসাইকেল চালক ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের জানান,রমজানের আগে কাচা সবজির দাম অনেক কম দামে ক্রয় করা যেতে।রমজানের শুরম্নতে সবজির দাম আকাশ ছোঁয়া হয়ে গেছে। যার কারণে নিম্ম আয়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।দিনে যা আয় হয় তা দিয়ে বাজার খচর হচ্ছে কোনো রকমে।কেশবপুর পাইকারী কাচা বাজারের সবজির আড়ৎ মেসার্স ভাই ভাই বাণিজ্য ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী মাহাবুবুর রহমান বলেন,কেশবপুর পাইকারী কাচা বাজারে সবমিলে প্রতিদিন ৮শ মণ সবজি বিক্রিয় হয়। কেশবপুর খুচরা কাচা বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারের এক হাজারেরও অধিক খুচরা বিক্রেতারা এ কাচা বাজার থেকে সবজি ক্রয় করে নিয়ে যায়। চলতি বছর সবজির প্রচুর দাম ছিল। এ কারনে এ এলাকায় সবজির ব্যাপক চাষ হয়েছে। বেকালী বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক অসিত বিশ্বাস বলেন,কৃষকদের নিকট থেকে বেশি দামে সবজি ক্রয়ের ফলে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে ক্রেতাদের নিকট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin

জনপ্রিয়

সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক

error: Content is protected !!

কেশবপুরে রমজানকে ঘিরে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিম্ন আয়ের মানুষ দিশেহারা

Update Time : ০৮:০১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২

কেশবপুরে রমজানকে ঘিরে নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচা সবজি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। রমজানের আগে যেসব সব সবজির দাম ছিলো কম তা এখন প্রতি কেজিতে ৭/৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে সবজির দাম। শুধু তাই নয় সেই সাথে বেড়ে চলেছে মাছ মাংস। এসব নিত্য প্রয়োজনী দাম আকাশ ছোঁয়া হওয়ার ফলে ক্রেতারা পড়ে বিপাকে। তবে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন তারা পাইকারীরা বাজার থেকে ও কৃষকদের নিকট থেকে বেশি দামে সবজি ক্রয়ের ফলে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে ক্রেতাদের নিকট।কেশবপুর পাইকারী কাচা বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে সবজির বর্তমান বাজার মূল্য সম্পর্কে এমন তথ্য জানা যায়। রমজান উপলÿে কৃষকরা খুচরা বাজারে কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি করছে এসব সবজি বলে পাইকারী ও খুচরা কাচা বাজার ব্যবসায়ীরা জানান।সরেজমিনে মঙ্গলবার বিকেলে কেশবপুর বেকালী বাজার ঘুরে দেখা যায়,জমিতে চাষ করা টাটকা সবজি বিক্রি করতে এসেছে শত শত কৃষকররা।কেশবপুরসহ পর্শ্ববর্তি মনিরামপুর উপজেলার দক্ষিন-পশ্চিাঞ্চলের শত শত পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীরা কৃষকদের নিকট থেকে সবজি ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে।কেশবপুর পাইকারী কাচা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটা আড়ৎ এ রয়েছে সবজি আর সবজি। দূর-দূরান্ত্ম থেকে আসা ব্যবসায়ীরা সবজি নিতে ব্যাটারি চালিত ভ্যান,নসিমন, করিমন ও আলম সাধু নিয়ে এসেছেন এ বাজারে।এখানে বাধা কপি প্রতি পিচ ১০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা,গাজর ৪০ টাকা,সিম ৭০ টাকা,কাচাঁ কলা ২৫ টাকা,টমেটো ৩০ টাকা,পেপে ২৫ টাকা,পটল ৬০ টাকা খিরায় ৬০ টাকা,ঝাল ১০০ টাকা,পোয়াজ ৩০.রসুন ৪০ টাকা,ডাটা ২০ টাকা,কচুর লতি ৪০ টাকা,বরটি ৪০ টাকা,বেনটি ৪০ টাকা,উচ্চা ৪০ টাকা,লাউ পিচ ৩০ টাকা,মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা,খাড়া ৬০ টাকা,কেজি দরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। উপজেলার সুজাপুর গ্রামের সবজি চাষি তফিজুল ইসলাম বলেন,তিনি সিম চাষ করেছেন বাজারে দামও বেশি পাওয়া যাচ্ছে।অনেক কৃষকরা জানান,রমজান উপলÿে বাজারে বেশি দামে কাঁচা সবজি বিক্রি করতে পারছে। এতদিন বাজারে সবজি বিক্রি করে যে ÿতি হয়েছে সেটা এখন পুশিয়ে নেওয়া যাচ্ছে।ভ্যানচালক করিম,করিমন চালক খালেক,আলমসাধু চালক রহিম,মোটরসাইকেল চালক ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের জানান,রমজানের আগে কাচা সবজির দাম অনেক কম দামে ক্রয় করা যেতে।রমজানের শুরম্নতে সবজির দাম আকাশ ছোঁয়া হয়ে গেছে। যার কারণে নিম্ম আয়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।দিনে যা আয় হয় তা দিয়ে বাজার খচর হচ্ছে কোনো রকমে।কেশবপুর পাইকারী কাচা বাজারের সবজির আড়ৎ মেসার্স ভাই ভাই বাণিজ্য ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী মাহাবুবুর রহমান বলেন,কেশবপুর পাইকারী কাচা বাজারে সবমিলে প্রতিদিন ৮শ মণ সবজি বিক্রিয় হয়। কেশবপুর খুচরা কাচা বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারের এক হাজারেরও অধিক খুচরা বিক্রেতারা এ কাচা বাজার থেকে সবজি ক্রয় করে নিয়ে যায়। চলতি বছর সবজির প্রচুর দাম ছিল। এ কারনে এ এলাকায় সবজির ব্যাপক চাষ হয়েছে। বেকালী বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক অসিত বিশ্বাস বলেন,কৃষকদের নিকট থেকে বেশি দামে সবজি ক্রয়ের ফলে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে ক্রেতাদের নিকট।