ঝিকরগাছায় রাতের আধারে রাস্তার ৬টি গাছ উধাও : জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ

যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসদরের কাটাখাল আফিল রোডের রাস্তার পার্শ্বের ৭টি জেলা পরিষদের গাছের মধ্যে রাতের আধারে ৬টি মেহগনীগাছ উধাও হয়েছে। এ বিষয়ে কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত মশিয়ার রহমানের ছেলে সাজ্জাদুল ইসলাম সাজু(৪০) বাদি হয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মধ্যে রাতের আধারে ৬টি উধাও’র বিষয়ে সাজ্জাদুল ইসলাম সাজু সংবাদকর্মীদেরকে বলেন, পৌরসদরের কাটাখাল আফিল রোডের তার জমির উপরে থাকা রাস্তার পার্শ্বের ৭টি জেলা পরিষদের গাছের মধ্যে রাতের আধারে ৬টি উধাও করেছে কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে মাহবুর রহমান(৪৫), মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে মানুষ ফকির (৪৮) ও সাগরপুর গ্রামের মৃত মনসের আলীর ছেলে ইয়াকুব হোসেন (৫০) সহ আরো অজ্ঞাত কিছু লোক এই কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে মানুষ ফকিরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার চাচতো ভাইয়ের লাগানো গাছ। গাছ কাটলে ও কেটেছে। গাছ বড় হলে হয়তো সমস্যা হতে পারে। তাই গাছ কেটে নিয়েছে। গাছ জেলা পরিষদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গাছ তো জেলা পরিষদ লাগায়নি। আর জয়গাতো জেলা পরিষদের না। জায়গা তো আমাদের।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

১৪ই ফেব্রুয়ারী বিশেষ দিনে মানবিক ও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন চ্যানেল S7-এর প্রধান উপদেষ্টা

error: Content is protected !!

ঝিকরগাছায় রাতের আধারে রাস্তার ৬টি গাছ উধাও : জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ

Update Time : ১০:০৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২

যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসদরের কাটাখাল আফিল রোডের রাস্তার পার্শ্বের ৭টি জেলা পরিষদের গাছের মধ্যে রাতের আধারে ৬টি মেহগনীগাছ উধাও হয়েছে। এ বিষয়ে কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত মশিয়ার রহমানের ছেলে সাজ্জাদুল ইসলাম সাজু(৪০) বাদি হয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মধ্যে রাতের আধারে ৬টি উধাও’র বিষয়ে সাজ্জাদুল ইসলাম সাজু সংবাদকর্মীদেরকে বলেন, পৌরসদরের কাটাখাল আফিল রোডের তার জমির উপরে থাকা রাস্তার পার্শ্বের ৭টি জেলা পরিষদের গাছের মধ্যে রাতের আধারে ৬টি উধাও করেছে কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে মাহবুর রহমান(৪৫), মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে মানুষ ফকির (৪৮) ও সাগরপুর গ্রামের মৃত মনসের আলীর ছেলে ইয়াকুব হোসেন (৫০) সহ আরো অজ্ঞাত কিছু লোক এই কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে মানুষ ফকিরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার চাচতো ভাইয়ের লাগানো গাছ। গাছ কাটলে ও কেটেছে। গাছ বড় হলে হয়তো সমস্যা হতে পারে। তাই গাছ কেটে নিয়েছে। গাছ জেলা পরিষদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গাছ তো জেলা পরিষদ লাগায়নি। আর জয়গাতো জেলা পরিষদের না। জায়গা তো আমাদের।