Dhaka ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মান্দায় মিথ্যাচার ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন

 

শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারসহ চাঁদা দাবী বন্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ জানুয়ারি ) বিকেল সাড়ে ৪টায় কাঁঠালতলী মোড়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন মান্দা উপজেলার রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রায়হান কবির। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে শিক্ষক রায়হান কবির বলেন, গত ৪-০১-২০২২ইং তারিখে দুটি কাগজে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন এলাকার চাঁদাবাজ ওহিদুল ইসলাম। পত্রিকায় “মান্দায় শিক্ষক রায়হান কবিরের মৎসজীবী সেজে জলমহালে দরপত্র দাখিল” শিরোনামে একটি সংবাদ পরিবেশন করা হয়। এবিষয়ে এলাকার চাাঁদাবাজ ওহিদুল ইসলাম চকদেবীরাম মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি হিসেবে আমার বিরুদ্ধে মান্দা উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে মান্দা উপজেলার নুরুল্যাবাদ ইউপির বিল “শিশুগাড়ী” জলমহাল ৬ বছর মেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দরপত্র আহবান করেন। শিক্ষক রায়হান কবির মৎসজীবী সেজে চেরাগপুর মৎজীবী সমবায় লিঃ উপদেষ্টা হিসেবে নিজের ছবি নাম ঠিকানাসহ পেঅর্ডার দাখিল করেন। তবে দরপত্র আজ পর্যন্ত উন্মুক্ত হয়নি। অভিযোকারী ওহিদুল আলম আমার নিকট ৫ লক্ষ টাকা দাবী করলে আমি তাকে চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ার পর থেকেই তিনি আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতেই নানা ধরণের মিথ্যাচার আরম্ভ করেন। এমনকি প্রতিবাদ করলে তিনি নিজে এবং সহকর্মীদের মাধ্যমে প্রকাশ্যে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালমন্দসহ চাকরিচ্যুত করার হুমকিও প্রদান করেন। তথ্য প্রমাণ সংরক্ষণ করা আছে। শুধুমাত্র চাঁদা না দেয়ার কারণেই ওহিদুল আলম এসমস্ত মানহানিকর হয়ারানী মুলক কর্মকাণ্ড করে আমাকে মানষিকভাবে বিব্রত করে তুলেছেন এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছেন। সে এলাকার একজন দাঙ্গাবাজ পরধনলোভী এবং সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। প্রাণ ভয়ে এলাকার অতিষ্ট লোকজন তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ। সন্ত্রাসি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে বিজ্ঞ আদালতে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষক রায়হান কবির জানান, আমি রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক এবং চেরাগপুর মৎসজীবী সমিতি লিঃ এর একজন উপদেষ্টা। ওই সমিতির লোকজন অশিক্ষিত মানুষ হওয়ায় তারা আমাকে তাদের কাগজপত্র দেকভালের সুবিধার্থে সম্মান করে উপদেষ্টা হিসেবে রেখেছেন। আমি আমার নামে দরপত্র জমা দেয়নি। বর্তমানে আমি প্রাণ ভয়ে ভীত।
মন্তব্য জানতে চকদেবীরাম মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি ওহিদুল আলম এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন। তবে চাঁদা দাবির বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

মাগুরা-১ আসনে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা সভা

error: Content is protected !!

মান্দায় মিথ্যাচার ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৯:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২২

 

শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারসহ চাঁদা দাবী বন্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ জানুয়ারি ) বিকেল সাড়ে ৪টায় কাঁঠালতলী মোড়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন মান্দা উপজেলার রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রায়হান কবির। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে শিক্ষক রায়হান কবির বলেন, গত ৪-০১-২০২২ইং তারিখে দুটি কাগজে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন এলাকার চাঁদাবাজ ওহিদুল ইসলাম। পত্রিকায় “মান্দায় শিক্ষক রায়হান কবিরের মৎসজীবী সেজে জলমহালে দরপত্র দাখিল” শিরোনামে একটি সংবাদ পরিবেশন করা হয়। এবিষয়ে এলাকার চাাঁদাবাজ ওহিদুল ইসলাম চকদেবীরাম মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি হিসেবে আমার বিরুদ্ধে মান্দা উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে মান্দা উপজেলার নুরুল্যাবাদ ইউপির বিল “শিশুগাড়ী” জলমহাল ৬ বছর মেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দরপত্র আহবান করেন। শিক্ষক রায়হান কবির মৎসজীবী সেজে চেরাগপুর মৎজীবী সমবায় লিঃ উপদেষ্টা হিসেবে নিজের ছবি নাম ঠিকানাসহ পেঅর্ডার দাখিল করেন। তবে দরপত্র আজ পর্যন্ত উন্মুক্ত হয়নি। অভিযোকারী ওহিদুল আলম আমার নিকট ৫ লক্ষ টাকা দাবী করলে আমি তাকে চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ার পর থেকেই তিনি আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতেই নানা ধরণের মিথ্যাচার আরম্ভ করেন। এমনকি প্রতিবাদ করলে তিনি নিজে এবং সহকর্মীদের মাধ্যমে প্রকাশ্যে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালমন্দসহ চাকরিচ্যুত করার হুমকিও প্রদান করেন। তথ্য প্রমাণ সংরক্ষণ করা আছে। শুধুমাত্র চাঁদা না দেয়ার কারণেই ওহিদুল আলম এসমস্ত মানহানিকর হয়ারানী মুলক কর্মকাণ্ড করে আমাকে মানষিকভাবে বিব্রত করে তুলেছেন এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছেন। সে এলাকার একজন দাঙ্গাবাজ পরধনলোভী এবং সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। প্রাণ ভয়ে এলাকার অতিষ্ট লোকজন তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ। সন্ত্রাসি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে বিজ্ঞ আদালতে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষক রায়হান কবির জানান, আমি রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক এবং চেরাগপুর মৎসজীবী সমিতি লিঃ এর একজন উপদেষ্টা। ওই সমিতির লোকজন অশিক্ষিত মানুষ হওয়ায় তারা আমাকে তাদের কাগজপত্র দেকভালের সুবিধার্থে সম্মান করে উপদেষ্টা হিসেবে রেখেছেন। আমি আমার নামে দরপত্র জমা দেয়নি। বর্তমানে আমি প্রাণ ভয়ে ভীত।
মন্তব্য জানতে চকদেবীরাম মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি ওহিদুল আলম এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন। তবে চাঁদা দাবির বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।