Dhaka ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেডিকেলে চান্স পাওয়া রাকিবুলের সাহায্যের প্রয়োজন নেই ! প্রকাশিত সংবাদে বাবার প্রতিবাদ

রাইজিং বিডি.কম নামের নিবন্ধিত একটি অনলাইন পোর্টালে “মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পেয়েও দুশ্চিন্তায় রাকিবুল” শিরোনামে একটি নিউজ প্রকাশের পর রাকিবুলের বাবা এর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

তিনি প্রতিবাদে জানান, “নিউজটিতে আমার ছেলেকে পড়ালেখার জন্য মানুষের সাহায্য নিতে হয়েছে লেখা হয়েছে। আমি যা আয় করি তা দিয়ে ঠিকমতো সংসার চালাতে পারিনা, ছেলের পড়ার খরচ কোথা থেকে আসবে লেখা হয়েছে। যা মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার ছেলে এইচ.এস.সি পরীক্ষা পর্যন্ত তার যত খরচ হয়েছে, তাকে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে সাহায্য বা সহযোগিতা নিতে হয়নি বা নেয়নি। সাহায্য নেওয়ার যে কথা বলা হয়েছে তাতে আমার সম্মানের হানি ঘটানো হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমার কৃষি কাজ থেকে এবং পশু পালন থেকে যে আয় হয় তাই দিয়েই আমার পরিবারের ভরণ পোষন, ছেলেদের পড়ালেখার খরচ চালিয়েও বৎসরে আমার প্রায় দুই/আড়াই লাখ টাকা সঞ্চয় থাকে। বড় ছেলে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরী করে। বাড়িতে তিন তলা ফাউন্ডেশনের একটি ভবন নির্মাণাধিন রয়েছে। এক তলা শেষ করেছি। সম্প্রতি মেঝ ছেলে রাকিবুল হাসান মেডিক্যালে চান্স পেয়েছে। তার খরচ চালানোর কোন দুঃশ্চিন্তা আমার বা আমার পরিবারের নেই। তার কোন সাহায্যের প্রয়োজন নেই। আমরা সুখে শান্তিতে দিনযাপন করছি। ”

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin

রাজশাহীতে মাকে খুন করে রাস্তায় ফেলে গেল ছেলে

error: Content is protected !!

মেডিকেলে চান্স পাওয়া রাকিবুলের সাহায্যের প্রয়োজন নেই ! প্রকাশিত সংবাদে বাবার প্রতিবাদ

Update Time : ১০:৪৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২

রাইজিং বিডি.কম নামের নিবন্ধিত একটি অনলাইন পোর্টালে “মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পেয়েও দুশ্চিন্তায় রাকিবুল” শিরোনামে একটি নিউজ প্রকাশের পর রাকিবুলের বাবা এর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

তিনি প্রতিবাদে জানান, “নিউজটিতে আমার ছেলেকে পড়ালেখার জন্য মানুষের সাহায্য নিতে হয়েছে লেখা হয়েছে। আমি যা আয় করি তা দিয়ে ঠিকমতো সংসার চালাতে পারিনা, ছেলের পড়ার খরচ কোথা থেকে আসবে লেখা হয়েছে। যা মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার ছেলে এইচ.এস.সি পরীক্ষা পর্যন্ত তার যত খরচ হয়েছে, তাকে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে সাহায্য বা সহযোগিতা নিতে হয়নি বা নেয়নি। সাহায্য নেওয়ার যে কথা বলা হয়েছে তাতে আমার সম্মানের হানি ঘটানো হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমার কৃষি কাজ থেকে এবং পশু পালন থেকে যে আয় হয় তাই দিয়েই আমার পরিবারের ভরণ পোষন, ছেলেদের পড়ালেখার খরচ চালিয়েও বৎসরে আমার প্রায় দুই/আড়াই লাখ টাকা সঞ্চয় থাকে। বড় ছেলে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরী করে। বাড়িতে তিন তলা ফাউন্ডেশনের একটি ভবন নির্মাণাধিন রয়েছে। এক তলা শেষ করেছি। সম্প্রতি মেঝ ছেলে রাকিবুল হাসান মেডিক্যালে চান্স পেয়েছে। তার খরচ চালানোর কোন দুঃশ্চিন্তা আমার বা আমার পরিবারের নেই। তার কোন সাহায্যের প্রয়োজন নেই। আমরা সুখে শান্তিতে দিনযাপন করছি। ”