Dhaka ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে নরমাল ডেলিভারীর সংখ্যা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১
  • ৭৭০ Time View

আবু বক্কার,সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার সীমান্তবর্তী মফস্বলে অবস্থিত সাপাহার উপজেলা । এই মফস্বল এলাকায় অবস্থিত সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। আজ থেকে আরো বেশ কিছুদিন আগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি চলছিলো রং-বর্ণহীন অবস্থায়। বর্তমানে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি সেজেছে স্ব বর্ণে । হাসপাতাল চত্বরের চারিদিকে নানান ধরণের ফুল ,ফল , বনজ ও ঔষধী গাছের সমারোহ যেন চোখ জুড়াবার মতো!
চারিপার্শ্বে হলুদ, লাল সহ নানা বর্ণের ফুলের সুবাসে বাতাস যেনো এক অপরূপ লীলাভ‚মির নিদর্শণ বহন করছে। শুধু কি তাই! স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরের অবস্থাও নজরে আসার আসার মতো! এরই ধারাবাহিকতায় এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে সেবার মান। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নরমাল ডেলিভারীর সংখ্যা আসলেই নজর কাড়ার মতো! এতসবের পিছনে যে ব্যক্তিটির অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধা জড়িয়ে আছে সে আর কেউ নয়, তিনি হলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রুহুল আমিন।
ডাঃ রুহুল আমিন একান্ত সাক্ষাৎকারে এ প্রতিনিধিকে জানান, সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে নরমাল ডেলিভারী হয়েছে ৩৩ জন, চলতি বছরের জানুয়ারীতে নরমাল ডেলিভারীর সংখ্যা ৪০জন, ফেব্রæয়ারী মাসে ৪১জন প্রসূতি মায়ের নরমালে বাচ্চা ডেলিভারী হয়েছে। এতে করে গত তিন মাসে মোট ডেলিভারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৫ জনের। যা এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য বিরল একটি দৃষ্টান্ত।
ডেলিভারী রুম ও ডেলিভারী রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কে ডাঃ রুহুল আমিন বলেন, এর পূর্বে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি মায়েদের ডেলিভারীর জন্য একটি মাত্র রুম ছিলো যা এই হাসপাতালের জন্য যথেষ্ট ছিলোনা। পরবর্তী সময়ে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অব্যবহৃত একটি রুমকে ডেলিভারীর কাজে লাগানোর লক্ষ্যে ব্যাবহার উপযোগী করে তোলা হয়। যার ফলে বর্তমানে উপযুক্ত একটি ডেলিভারী রুমে পরিণত করা হয়। যেখানে নির্ধারিত ছয় জন নার্সকে নির্দিষ্ট শিডিউলের মাধ্যমে ডিউটি দেয়া হয়।
এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নানাবিধ উন্নয়নের অংশ হিসেবে নরমাল ডেলিভারী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা বহন করছে। এতে করে একদিকে গরীব রোগীরা যেমন পাচ্ছেন উন্নত স্বাস্থ্য সেবা অপরদিকে বেঁচে যাচ্ছেন ক্লিনিকের দালালদের নানাবিধ খপ্পর থেকে। ডাঃ রুহুল আমিনের এ ধরণের উদ্যেগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin

জনপ্রিয়

মাগুরা-ঝিনাইদহ মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা, আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাল ফায়ার সার্ভিস

error: Content is protected !!

সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে নরমাল ডেলিভারীর সংখ্যা

Update Time : ০৯:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১

আবু বক্কার,সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার সীমান্তবর্তী মফস্বলে অবস্থিত সাপাহার উপজেলা । এই মফস্বল এলাকায় অবস্থিত সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। আজ থেকে আরো বেশ কিছুদিন আগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি চলছিলো রং-বর্ণহীন অবস্থায়। বর্তমানে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি সেজেছে স্ব বর্ণে । হাসপাতাল চত্বরের চারিদিকে নানান ধরণের ফুল ,ফল , বনজ ও ঔষধী গাছের সমারোহ যেন চোখ জুড়াবার মতো!
চারিপার্শ্বে হলুদ, লাল সহ নানা বর্ণের ফুলের সুবাসে বাতাস যেনো এক অপরূপ লীলাভ‚মির নিদর্শণ বহন করছে। শুধু কি তাই! স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরের অবস্থাও নজরে আসার আসার মতো! এরই ধারাবাহিকতায় এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে সেবার মান। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নরমাল ডেলিভারীর সংখ্যা আসলেই নজর কাড়ার মতো! এতসবের পিছনে যে ব্যক্তিটির অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধা জড়িয়ে আছে সে আর কেউ নয়, তিনি হলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রুহুল আমিন।
ডাঃ রুহুল আমিন একান্ত সাক্ষাৎকারে এ প্রতিনিধিকে জানান, সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে নরমাল ডেলিভারী হয়েছে ৩৩ জন, চলতি বছরের জানুয়ারীতে নরমাল ডেলিভারীর সংখ্যা ৪০জন, ফেব্রæয়ারী মাসে ৪১জন প্রসূতি মায়ের নরমালে বাচ্চা ডেলিভারী হয়েছে। এতে করে গত তিন মাসে মোট ডেলিভারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৫ জনের। যা এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য বিরল একটি দৃষ্টান্ত।
ডেলিভারী রুম ও ডেলিভারী রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কে ডাঃ রুহুল আমিন বলেন, এর পূর্বে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি মায়েদের ডেলিভারীর জন্য একটি মাত্র রুম ছিলো যা এই হাসপাতালের জন্য যথেষ্ট ছিলোনা। পরবর্তী সময়ে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অব্যবহৃত একটি রুমকে ডেলিভারীর কাজে লাগানোর লক্ষ্যে ব্যাবহার উপযোগী করে তোলা হয়। যার ফলে বর্তমানে উপযুক্ত একটি ডেলিভারী রুমে পরিণত করা হয়। যেখানে নির্ধারিত ছয় জন নার্সকে নির্দিষ্ট শিডিউলের মাধ্যমে ডিউটি দেয়া হয়।
এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নানাবিধ উন্নয়নের অংশ হিসেবে নরমাল ডেলিভারী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা বহন করছে। এতে করে একদিকে গরীব রোগীরা যেমন পাচ্ছেন উন্নত স্বাস্থ্য সেবা অপরদিকে বেঁচে যাচ্ছেন ক্লিনিকের দালালদের নানাবিধ খপ্পর থেকে। ডাঃ রুহুল আমিনের এ ধরণের উদ্যেগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।