Dhaka ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু ও মির্জা ফখরুল গংদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকিদাতা বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু এবং ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ইতিহাস বিকৃতিকারী মির্জা ফখরুল গংদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবুর নেতৃত্বে শ্যামনগরে মটর সাইকেল রেলি ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য জগলুল হায়দারের নির্দেশক্রমে মিছিলটি শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন গত ২ মার্চ রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে মিজানুর রহমান মিনু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশে করে বলেন, ‘আজ রাত, কাল আর সকাল নাও হতে পারে। ৭৫ মনে নাই?’ সেই সমাবেশে মিনু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেও কটাক্ষ করে বক্তব্য দেন। এর আগে ২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর রাজশাহী মহানগর বিএনপির এক বিক্ষোভ সমাবেশে মিনু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে তুলনা করে কটূক্তিমূলক বক্তব্য রাখেন। এরপর বিক্ষোভের মুখে ফেসবুক লাইভে এসে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা মিনু। সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটাক্ষ এবং আরেকটি ১৫ আগস্টের ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আজ শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ এই সমাবেশের আয়োজন করেছে।
অবিলম্বে মিজানুর রহমান মিনুর গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
ব্যতিক্রমী সমাবেশে উপস্থিত ছিল শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ,শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin

জনপ্রিয়

মাগুরায় আরাফাত রহমান কোকোর ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত।

error: Content is protected !!

বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু ও মির্জা ফখরুল গংদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ

Update Time : ০৯:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকিদাতা বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু এবং ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ইতিহাস বিকৃতিকারী মির্জা ফখরুল গংদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবুর নেতৃত্বে শ্যামনগরে মটর সাইকেল রেলি ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য জগলুল হায়দারের নির্দেশক্রমে মিছিলটি শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন গত ২ মার্চ রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে মিজানুর রহমান মিনু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশে করে বলেন, ‘আজ রাত, কাল আর সকাল নাও হতে পারে। ৭৫ মনে নাই?’ সেই সমাবেশে মিনু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেও কটাক্ষ করে বক্তব্য দেন। এর আগে ২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর রাজশাহী মহানগর বিএনপির এক বিক্ষোভ সমাবেশে মিনু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে তুলনা করে কটূক্তিমূলক বক্তব্য রাখেন। এরপর বিক্ষোভের মুখে ফেসবুক লাইভে এসে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা মিনু। সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটাক্ষ এবং আরেকটি ১৫ আগস্টের ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আজ শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ এই সমাবেশের আয়োজন করেছে।
অবিলম্বে মিজানুর রহমান মিনুর গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
ব্যতিক্রমী সমাবেশে উপস্থিত ছিল শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ,শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।