বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. সৈয়দ শাহীন শওকত বলেন, রাজশাহী জেলা, মহানগর, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নিয়ে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। আমরা প্রতিটি জেলার সঙ্গে বৈঠক করেছি। এছাড়াও উপজেলা, ইউনিয়নগুলো জনসভা সফল করার লক্ষ্যে প্রচার চালাচ্ছে। আমরা আশা করছি ৫ লাখ মানুষ এই জনসভায় উপস্থিত হবে। আমাদের সময়সূচিও ঠিক করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর থেকে বাস, ট্রেন, মাইক্রোবাস করে আসবে। রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলাও একইভাবে আসবে। মহানগরের নেতৃবৃন্দ মিছিল নিয়ে মাদ্রাসা মাঠে প্রবেশ করবে। আমরা আমাদের দলের চেয়ারম্যানকে রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনই উপহার দিতে চায়। এই লক্ষ্যে কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান দীর্ঘ ১৯ বছর রাজশাহীতে আসছেন। এর আগে ২০০৬ সালে তিনি রাজশাহী জেলা স্টেডিয়ামে তৃণমুল বিএনপির কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় পর তিনি রাজশাহীতে আসছেন। চেয়ারম্যানের এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে দলের নির্বাচনি অঙ্গীকারগুলো জনসমক্ষে তুলে ধরবেন। বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি এই তিন জেলাকে কি উপহার দেবেন তা ঘোষণা করবেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী হারুনুর রশিদ বলেন, তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে বিএনপি নেতকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। শুধু রাজশাহী না চাঁপাইনবাবগঞ্জের নেতাকর্মীরা বেশ উৎফুল্ল। আমরা বরাবরের মতো বিশাল সমাগম ঘটাবো। আমাদের নেতাকর্মীরা রাজশাহীতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছেন। তারেক রহমানের সফরকে ঘিরে শুধু বিএনপি নয় এর অঙ্গ-সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের মাঝেও নতুন করে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। এই জনসভা সফল হবে বলেই মনে করি।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভা নিয়ে পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার ও মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে আমরা যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখছি। ইতোমধ্যে সাদা পোশাকে পুলিশ আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে। সমাবেশস্থল ও এর আশেপাশে বিপুল পরিমাণ পুলিশ উপস্থিত থাকবে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশ থাকবে। সেদিন শুধু মাঠের নিরাপত্তায় ৫০০ পুলিশ সদস্য থাকবেন। এর বাইরে আরও পুলিশ রাখা হবে।