Dhaka ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় স্বপ্নের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১
  • ৭৬১ Time View

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় ডানা মেলতে যাচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। সাতক্ষীরাবাসির বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি পূরণ হচ্ছে। এমনই সুখবর দিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল। বুধবার (১০ মার্চ ২০২১) জেলা প্রশাসক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আনন্দময় এখবর দিয়ে জানান, সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সদয় অনুশাসন দিয়েছেন। এতে করে সাতক্ষীরাবাসির মধ্যে আনন্দ জোয়ার বইছে। দিকেদিকে নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন।

এদিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখার গত ৭ মার্চ তারিখে ০৪০০০০০০৫১২১৬০০২১৮১৩০/১ (৩) নং স্মারকের এক পত্রে বলা হয়, ফেব্রুয়ারি-২০২১ এর প্রথম পক্ষের পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গৃহিত বাস্তবায়ন বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে উপস্থাপন করা হয়। গোপনীয় প্রতিবেদনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সদয় অনুমোদন দিয়েছেন।

পত্রে আরও বলা হয়, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত সাতক্ষীরা জেলা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক দিয়ে বেশ পিছিয়ে রয়েছে। জেলার যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমেএ জেলাকে উন্নয়নের মহাসড়কে সংযুক্ত করা আবশ্যক। ২২ লক্ষাধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত এ জেলার বহুমুখী উন্নয়নের অংশ হিসেবে সুশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং এখানকার শিক্ষার্থীদের উচ্চতর পড়াশুনা সহজতর করার লক্ষ্যে এ জেলায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে সদয় নির্দেশনা প্রদান করা যেতে পারে।
একইসাথে অনুশাসন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বাস্তবায়ন অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেছেন উপসচিব মো: শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী।
এদিকে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষাবিদ মো: আনিসুর রহিম বলেন, সাতক্ষীরায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে জেলা নাগরিক কমিটি, বাংলাদেশ জাসদ, সুন্দরবন বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটি, সাতক্ষীরা বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুশাসন দিয়ে যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা সাতক্ষীরাবাসির জন্য নি:সন্দেহে খুশির খবর। প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা সাতক্ষীরাবাসির জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে। সাতক্ষীরাবাসির ভাগ্যাকাশে যে নতুন আশার সূর্য উদয় হলো তা যখন মধ্য গগনে পৌছাবে তখন তার আলো বিকিরন হবে গোটা দেশে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই।
সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে দেশ আজ উন্নয়নশীল হয়েছে। সাতক্ষীরায় মেডিকেল কলেজ, বাইপাস সড়ক, রেল লাইন, ভোমরা বন্দর, টিআরএম, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ হাজারো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। সাতক্ষীরাবাসির আরও একটি স্বপ্ন ছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরাবাসির সে দাবিও পূরণ করে জেলাবাসিকে চিরকৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। উন্নয়নের ধারা এভাবে অব্যাহত থাকলে সাতক্ষীরা অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে অচিরেই আত্ম প্রকাশ করবে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, আমি পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন লিখেছিলাম। জেলার বিভিন্ন সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে আমরা পাক্ষিক প্রতিবেদন লিখে থাকি। ওই প্রতিবেদনে লিখেছিলাম সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন। তাহলে এ অঞ্চলের ছেলে-মেয়েদের জন্য খুলে যাবে উচ্চ শিক্ষার দুয়ার। প্রস্তাবটি পাঠানোর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটা অনুশাসন দিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। এজন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলাবাসির পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সাথে সাতক্ষীরার মাননীয় সংসদ সদস্যগণ পরবর্তীতে যোগাযোগ করলে অচিরেই স্বপ্নের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে। অনুশাসনের মাধ্যমেই এধরণের প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। তবে অগ্রগতির বিষয়ে যোগাযোগ রাখতে হয়।
সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক-এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সকল মানুষের খোঁজ-খবর রাখেন এবং সেজন্যই সাতক্ষীরার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার। তিনি স্ব-উদ্যোগে সেটি অনুমোদন দিয়েছেন। আমরা অনেক দিন ধরে এ দাবিটি করে আসছি। তিনি এ দাবি পূরণ করেছেন বলে আমরা সাতক্ষীরাবাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করি এবং তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ অবদান সাতক্ষীরাবাসী চিরকাল মনে রাখবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে এ অঞ্চলের ছেলে-মেয়েরা একদিন ঘরে বসেই উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাবে। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে দুর্বার গতিতে। দেশ-জাতি ও মানুষের কল্যানে অবদান রাখবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin

জনপ্রিয়

মাগুরায় আরাফাত রহমান কোকোর ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত।

error: Content is protected !!

সাতক্ষীরায় স্বপ্নের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন

Update Time : ০৭:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় ডানা মেলতে যাচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। সাতক্ষীরাবাসির বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি পূরণ হচ্ছে। এমনই সুখবর দিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল। বুধবার (১০ মার্চ ২০২১) জেলা প্রশাসক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আনন্দময় এখবর দিয়ে জানান, সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সদয় অনুশাসন দিয়েছেন। এতে করে সাতক্ষীরাবাসির মধ্যে আনন্দ জোয়ার বইছে। দিকেদিকে নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন।

এদিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখার গত ৭ মার্চ তারিখে ০৪০০০০০০৫১২১৬০০২১৮১৩০/১ (৩) নং স্মারকের এক পত্রে বলা হয়, ফেব্রুয়ারি-২০২১ এর প্রথম পক্ষের পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গৃহিত বাস্তবায়ন বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে উপস্থাপন করা হয়। গোপনীয় প্রতিবেদনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সদয় অনুমোদন দিয়েছেন।

পত্রে আরও বলা হয়, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত সাতক্ষীরা জেলা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক দিয়ে বেশ পিছিয়ে রয়েছে। জেলার যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমেএ জেলাকে উন্নয়নের মহাসড়কে সংযুক্ত করা আবশ্যক। ২২ লক্ষাধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত এ জেলার বহুমুখী উন্নয়নের অংশ হিসেবে সুশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং এখানকার শিক্ষার্থীদের উচ্চতর পড়াশুনা সহজতর করার লক্ষ্যে এ জেলায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে সদয় নির্দেশনা প্রদান করা যেতে পারে।
একইসাথে অনুশাসন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বাস্তবায়ন অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেছেন উপসচিব মো: শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী।
এদিকে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষাবিদ মো: আনিসুর রহিম বলেন, সাতক্ষীরায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে জেলা নাগরিক কমিটি, বাংলাদেশ জাসদ, সুন্দরবন বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটি, সাতক্ষীরা বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুশাসন দিয়ে যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা সাতক্ষীরাবাসির জন্য নি:সন্দেহে খুশির খবর। প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা সাতক্ষীরাবাসির জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে। সাতক্ষীরাবাসির ভাগ্যাকাশে যে নতুন আশার সূর্য উদয় হলো তা যখন মধ্য গগনে পৌছাবে তখন তার আলো বিকিরন হবে গোটা দেশে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই।
সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে দেশ আজ উন্নয়নশীল হয়েছে। সাতক্ষীরায় মেডিকেল কলেজ, বাইপাস সড়ক, রেল লাইন, ভোমরা বন্দর, টিআরএম, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ হাজারো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। সাতক্ষীরাবাসির আরও একটি স্বপ্ন ছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরাবাসির সে দাবিও পূরণ করে জেলাবাসিকে চিরকৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। উন্নয়নের ধারা এভাবে অব্যাহত থাকলে সাতক্ষীরা অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে অচিরেই আত্ম প্রকাশ করবে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, আমি পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন লিখেছিলাম। জেলার বিভিন্ন সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে আমরা পাক্ষিক প্রতিবেদন লিখে থাকি। ওই প্রতিবেদনে লিখেছিলাম সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন। তাহলে এ অঞ্চলের ছেলে-মেয়েদের জন্য খুলে যাবে উচ্চ শিক্ষার দুয়ার। প্রস্তাবটি পাঠানোর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটা অনুশাসন দিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। এজন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলাবাসির পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সাথে সাতক্ষীরার মাননীয় সংসদ সদস্যগণ পরবর্তীতে যোগাযোগ করলে অচিরেই স্বপ্নের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে। অনুশাসনের মাধ্যমেই এধরণের প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। তবে অগ্রগতির বিষয়ে যোগাযোগ রাখতে হয়।
সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক-এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সকল মানুষের খোঁজ-খবর রাখেন এবং সেজন্যই সাতক্ষীরার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার। তিনি স্ব-উদ্যোগে সেটি অনুমোদন দিয়েছেন। আমরা অনেক দিন ধরে এ দাবিটি করে আসছি। তিনি এ দাবি পূরণ করেছেন বলে আমরা সাতক্ষীরাবাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করি এবং তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ অবদান সাতক্ষীরাবাসী চিরকাল মনে রাখবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে এ অঞ্চলের ছেলে-মেয়েরা একদিন ঘরে বসেই উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাবে। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে দুর্বার গতিতে। দেশ-জাতি ও মানুষের কল্যানে অবদান রাখবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।