Dhaka ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‎বাগমারায় চলছে অভিভাবকহীন রাম রাজত্ব

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:২৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ Time View

রাজশাহীর বাগমারা একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। ১৬ টি ইউনিয়ন এবং দু’টি পৌরসভা নিয়ে বাগমারা উপজেলা গঠিত। বিগত ৫ আগস্টের পর সারা দেশের ন্যায় বাগমারা জনপ্রতিনিধি শূন্য। যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেন্দ্রিক। আর এই সুযোগে বিভিন্ন দপ্তর অভিভাবকহীন রাম রাজত্ব কায়েম করেছে।

‎উপজেলা খাদ্য অফিস খাদ্য শস্য ক্রয়ে ইতিহাস গড়েছেন। প্রায় সাত কোটি টাকা তছরুপের দায়ে কেবল একজন ভবানীগঞ্জ খাদ্য গুদামের উপ-পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া শাস্তি পেয়েছেন।
‎ স্থানীয়দের ভাষ্য, খাদ্য কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রশাসনের  শীর্ষ কর্মকর্তা দায় এড়াতে পারেন না। একার পক্ষে এত বড় দুর্নীতি করা সম্ভব নয়। পার্সেন্টে কম বেশী হওয়ায় হাটে হাঁড়ি ভেঙ্গে দিয়ে একজনকে বলির পাঠা বানানো হয়েছে।
‎উপজেলা প্রশাসনের অভ্যন্তরে একটি সরকারি পুকুর রয়েছে। সেই পুকুরে কিছু কচুরিপানার জন্ম হয়। সেই কচুরিপানা পরিস্কারে এক তথাকথিত সমন্বয়ক লক্ষাধিক টাকার বরাদ্দ দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের ধারনা দশ হাজার টাকায় ওই পুকুরের কচুরিপানা পরিস্কার করা সম্ভব ছিল।  নির্ভরযোগ্য একটি গ্রুপে জনৈক ব্যক্তি এ সংক্রান্ত একটি মন্তব্য জুড়ে দেন। সাথে সাথে তাঁকে সেই ম্যাসেজ ডিলিট করানো হয়।

‎গত ১৬ ডিসেম্বর ( ২০২৫ সাল ) বিজয় দিবসে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একই রকমের পাঞ্জাবি পরিধানে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, এর অর্থের উৎস কোথায় ?
‎একটি সূত্র জানায়,বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে একজন কিশোর (শিক্ষার্থী) ভূয়া, ভূয়া বলে হৈচৈ এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নিয়ে পোস্ট দেয়। সেই প্রেক্ষিতে ওই ছাত্রকে নানা ভাবে নাজেহাল করা হয় ।

‎২০২৪-২০২৫ উপজেলায় অব্যয়িত রাজস্ব থেকে বরাদ্দ ছিল প্রায় ২ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকার অধিক । এ সমস্ত বরাদ্দ জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন থেকে বরাদ্দের বিপরীতে ১০-২০ শতাংশ নজরানা দাবী করা হয়।
‎বিশেষ করে যে, সমস্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ পলাতক বা সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন সেগুলোতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দায়িত্বে ছিলেন প্রশাসক ও মেম্বাররা। তাদেন নানা ভাবে ম্যানেজ করেন উপজেলা প্রশাসন।
‎এমন কী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানদের প্রকল্পের বিল তড়িঘড়ি করে পরিশোধ করা হয়। কারণ তাঁরা উপজেলা প্রশাসনের অঘোষিত শর্তে রাজি ছিলেন।
‎পক্ষান্তরে, বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যানগণ তার প্রতিবাদ করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধমে। যে কারণে বড়বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন, এবং আউচপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফিকুল ইসলাম সাফি সহ অন্যদের প্রকল্প বিল পাস করতে নানা গড়িমসি করে বাগমারা উপজেলা প্রশাসন। এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলনের আইডি থেকে দেয়া হলে উপজেলা ব্যাপী সমালোচনার ঝড় উঠে।

‎বর্তমানে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহেরপুর পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব রয়েছেন। তাহেরপুর পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। দায়িত্ব পেয়ে নির্বাহী অফিসার তাহেরপুর পৌরসভায় খাস জমিজমা কলেজের নামে লিজ বাতিল করেন। প্রতিবাদে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অপসারণ চেয়ে মানববন্ধন করেন, কলেজের শিক্ষার্থী,
‎শিক্ষক, অভিভাবক, ব্যবসায়ী সহ তাহেরপুরের সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। ভবানীগঞ্জ পৌর সভার প্রশাসকের দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ।
‎সর্বশেষ বাগমারায় গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার)  নিয়োগে তুঘলকি কান্ডের অবতারণা করেন উপজেলা প্রশাসন। বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি  মাহমুদুর রহমান মিলনের ফেসবুক আইডি থেকে হুবহু তুলে ধরা হলো-
‎আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান মোজাম্মেলকে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব ও স্বতন্ত্র ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফকে বোর্ডের প্রধান বানিয়ে গতকাল দিনভর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ নিয়োগ দেয়ার জন্য ইউএনও অফিসে  প্রকাশ্যে টাকা কালেকশান।

‎ভেতরে ওসি সাহেব, ইন্জিনিয়ার সাহেব ও আনসারের মাহমুদা ম্যাডামের মত ভালো মানুষদের নিয়ে ভাইবা বোর্ড আর বাইরে কালেকশান এজেন্ট দিয়ে টেবিল মানির নামে গরীব নিরীহ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা কালেকশান।

‎একই পদের একাধিক জনের কাছ থেকে টাকা গ্রহন।

‎এ দায় কার?

‎এ লজ্জা বাগমারার,গ্রাম পুলিশের মত কম বেতনের সামান্য চাকরির জন্য লাখ টাকা কিভাবে লাগে?

‎সাংবাদিকরা চুপ কেন ???

‎৩ বছর ধরে ঝুলে থাকা নিয়োগ হটাৎ করে তফসিল ঘোষণার পরে কেন ?

‎এ সমস্ত বিষয়ে চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন বলেন, বাগমারা উপজেলা প্রশাসনের নানা অনিয়মের প্রতিবাদে আমার অবস্থান থেকে পোস্ট দিই। তিনি আফসোসের সুরে বলেন, আমরা যারা ভালো চেয়ারম্যান মেম্বার আছি,  আমাদের বিল সঠিক সময় দেয়া হয় না। চার-বার পাঁচ-বার পরিদর্শন করা হয়। কাজের মান খারাপ কী না তাও জানানো হয় না।
‎ কমিশন বিষয়ে তিনি বলেন, দুজন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নিকট থেকে এগারো শতাংশ নেওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সমাজসেবা থেকে ১ হাজার ৬ শত ভাতাভোগীর টাকা রাতারাতি গায়েব  হয়ে যায়। প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে সার পান না। উপজেলা প্রশাসন শক্তহাতে দেখভাল করলে এমনটি হওয়ার কথা নয়।
‎আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে লিস্টকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরহাতে ভোট গ্রহণ হতে চলছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।
‎সূত্রে জানা গেছে, স্ব-স্ব দপ্তরের কর্মকর্তাগণ দায়িত্ব পালন করলেও নির্বাহী অফিসারের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে সকল কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন হয়ে থাকে।
‎এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিং অফিসার নিয়োগে আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়োগ করা হয়েছে।
‎এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল ইসলামের সরকারি মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে নির্বাচনী কাজে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
‎অন্যান্য অভিযোগের জবাবে বলেন, সার কেলেঙ্কারি, পচা খাদ্য ক্রয় বিষয়ে মামলা হয়েছে। অন্যান্য প্রশ্নের জবাবে তিনি ব

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Alauddin Mondal

Popular Post

বাগমারা উপজেলার ১৩ নম্বর গোয়ালকান্দিতে ধানের শীষের প্রচারণা শুরু

error: Content is protected !!

‎বাগমারায় চলছে অভিভাবকহীন রাম রাজত্ব

Update Time : ০৭:২৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীর বাগমারা একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। ১৬ টি ইউনিয়ন এবং দু’টি পৌরসভা নিয়ে বাগমারা উপজেলা গঠিত। বিগত ৫ আগস্টের পর সারা দেশের ন্যায় বাগমারা জনপ্রতিনিধি শূন্য। যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেন্দ্রিক। আর এই সুযোগে বিভিন্ন দপ্তর অভিভাবকহীন রাম রাজত্ব কায়েম করেছে।

‎উপজেলা খাদ্য অফিস খাদ্য শস্য ক্রয়ে ইতিহাস গড়েছেন। প্রায় সাত কোটি টাকা তছরুপের দায়ে কেবল একজন ভবানীগঞ্জ খাদ্য গুদামের উপ-পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া শাস্তি পেয়েছেন।
‎ স্থানীয়দের ভাষ্য, খাদ্য কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রশাসনের  শীর্ষ কর্মকর্তা দায় এড়াতে পারেন না। একার পক্ষে এত বড় দুর্নীতি করা সম্ভব নয়। পার্সেন্টে কম বেশী হওয়ায় হাটে হাঁড়ি ভেঙ্গে দিয়ে একজনকে বলির পাঠা বানানো হয়েছে।
‎উপজেলা প্রশাসনের অভ্যন্তরে একটি সরকারি পুকুর রয়েছে। সেই পুকুরে কিছু কচুরিপানার জন্ম হয়। সেই কচুরিপানা পরিস্কারে এক তথাকথিত সমন্বয়ক লক্ষাধিক টাকার বরাদ্দ দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের ধারনা দশ হাজার টাকায় ওই পুকুরের কচুরিপানা পরিস্কার করা সম্ভব ছিল।  নির্ভরযোগ্য একটি গ্রুপে জনৈক ব্যক্তি এ সংক্রান্ত একটি মন্তব্য জুড়ে দেন। সাথে সাথে তাঁকে সেই ম্যাসেজ ডিলিট করানো হয়।

‎গত ১৬ ডিসেম্বর ( ২০২৫ সাল ) বিজয় দিবসে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একই রকমের পাঞ্জাবি পরিধানে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, এর অর্থের উৎস কোথায় ?
‎একটি সূত্র জানায়,বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে একজন কিশোর (শিক্ষার্থী) ভূয়া, ভূয়া বলে হৈচৈ এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নিয়ে পোস্ট দেয়। সেই প্রেক্ষিতে ওই ছাত্রকে নানা ভাবে নাজেহাল করা হয় ।

‎২০২৪-২০২৫ উপজেলায় অব্যয়িত রাজস্ব থেকে বরাদ্দ ছিল প্রায় ২ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকার অধিক । এ সমস্ত বরাদ্দ জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন থেকে বরাদ্দের বিপরীতে ১০-২০ শতাংশ নজরানা দাবী করা হয়।
‎বিশেষ করে যে, সমস্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ পলাতক বা সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন সেগুলোতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দায়িত্বে ছিলেন প্রশাসক ও মেম্বাররা। তাদেন নানা ভাবে ম্যানেজ করেন উপজেলা প্রশাসন।
‎এমন কী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানদের প্রকল্পের বিল তড়িঘড়ি করে পরিশোধ করা হয়। কারণ তাঁরা উপজেলা প্রশাসনের অঘোষিত শর্তে রাজি ছিলেন।
‎পক্ষান্তরে, বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যানগণ তার প্রতিবাদ করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধমে। যে কারণে বড়বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন, এবং আউচপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফিকুল ইসলাম সাফি সহ অন্যদের প্রকল্প বিল পাস করতে নানা গড়িমসি করে বাগমারা উপজেলা প্রশাসন। এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলনের আইডি থেকে দেয়া হলে উপজেলা ব্যাপী সমালোচনার ঝড় উঠে।

‎বর্তমানে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহেরপুর পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব রয়েছেন। তাহেরপুর পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। দায়িত্ব পেয়ে নির্বাহী অফিসার তাহেরপুর পৌরসভায় খাস জমিজমা কলেজের নামে লিজ বাতিল করেন। প্রতিবাদে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অপসারণ চেয়ে মানববন্ধন করেন, কলেজের শিক্ষার্থী,
‎শিক্ষক, অভিভাবক, ব্যবসায়ী সহ তাহেরপুরের সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। ভবানীগঞ্জ পৌর সভার প্রশাসকের দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ।
‎সর্বশেষ বাগমারায় গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার)  নিয়োগে তুঘলকি কান্ডের অবতারণা করেন উপজেলা প্রশাসন। বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি  মাহমুদুর রহমান মিলনের ফেসবুক আইডি থেকে হুবহু তুলে ধরা হলো-
‎আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান মোজাম্মেলকে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব ও স্বতন্ত্র ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফকে বোর্ডের প্রধান বানিয়ে গতকাল দিনভর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ নিয়োগ দেয়ার জন্য ইউএনও অফিসে  প্রকাশ্যে টাকা কালেকশান।

‎ভেতরে ওসি সাহেব, ইন্জিনিয়ার সাহেব ও আনসারের মাহমুদা ম্যাডামের মত ভালো মানুষদের নিয়ে ভাইবা বোর্ড আর বাইরে কালেকশান এজেন্ট দিয়ে টেবিল মানির নামে গরীব নিরীহ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা কালেকশান।

‎একই পদের একাধিক জনের কাছ থেকে টাকা গ্রহন।

‎এ দায় কার?

‎এ লজ্জা বাগমারার,গ্রাম পুলিশের মত কম বেতনের সামান্য চাকরির জন্য লাখ টাকা কিভাবে লাগে?

‎সাংবাদিকরা চুপ কেন ???

‎৩ বছর ধরে ঝুলে থাকা নিয়োগ হটাৎ করে তফসিল ঘোষণার পরে কেন ?

‎এ সমস্ত বিষয়ে চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন বলেন, বাগমারা উপজেলা প্রশাসনের নানা অনিয়মের প্রতিবাদে আমার অবস্থান থেকে পোস্ট দিই। তিনি আফসোসের সুরে বলেন, আমরা যারা ভালো চেয়ারম্যান মেম্বার আছি,  আমাদের বিল সঠিক সময় দেয়া হয় না। চার-বার পাঁচ-বার পরিদর্শন করা হয়। কাজের মান খারাপ কী না তাও জানানো হয় না।
‎ কমিশন বিষয়ে তিনি বলেন, দুজন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নিকট থেকে এগারো শতাংশ নেওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সমাজসেবা থেকে ১ হাজার ৬ শত ভাতাভোগীর টাকা রাতারাতি গায়েব  হয়ে যায়। প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে সার পান না। উপজেলা প্রশাসন শক্তহাতে দেখভাল করলে এমনটি হওয়ার কথা নয়।
‎আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে লিস্টকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরহাতে ভোট গ্রহণ হতে চলছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।
‎সূত্রে জানা গেছে, স্ব-স্ব দপ্তরের কর্মকর্তাগণ দায়িত্ব পালন করলেও নির্বাহী অফিসারের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে সকল কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন হয়ে থাকে।
‎এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিং অফিসার নিয়োগে আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়োগ করা হয়েছে।
‎এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল ইসলামের সরকারি মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে নির্বাচনী কাজে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
‎অন্যান্য অভিযোগের জবাবে বলেন, সার কেলেঙ্কারি, পচা খাদ্য ক্রয় বিষয়ে মামলা হয়েছে। অন্যান্য প্রশ্নের জবাবে তিনি ব