কালিগঞ্জ বাঁশতলা সড়কের পাশে বাজারে ময়লা আবর্জনা দুর্গন্ধে ভোগান্তিতে পথচারীরা

ছবিঃ শাহাদাত হোসেন

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বাঁশতলা বাজার সড়কের পাশে আবর্জনার স্তুপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাজার এলাকার সড়কটি যেন আবর্জনা ফেলার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এতে পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পথচারীসহ এলাকার মানুষ।বাঁশতলা বাজার হতে ৫০০ ফুট দূরে বাজারের ময়লা আবর্জনা পলিথিন ও পোল্ট্রি মুরগীর বর্জ্য সড়কের পাশে ফেলা হয়।এই দুর্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত বর্জ্য ফেলার কারনে পাশে খালে পড়ে খালের পানি দূষিত হচ্ছে ও তীব্র, বিকট দুর্গন্ধে পেট ফুলে যায় পথচারীদের।প্রতিনিয়ত এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে হাজার হাজার পথচারী ও এলাকার মানুষ ছোট- মাঝারি যানবাহন তাছাড়া দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন,বিষ্ণুপুর কুশুলিয়া,গাজীপুর,মশরকাঠি নবীন নগর কাকড়াবুনিয়াসহ,বিভিন্ন এলাকার মানুষেরা প্রতিদিন তাদের ঘেরের মাছ বেচা কেনার জন্য বাঁশতলা নদীর ধার মৎস্য সেটে ও বাঁশতলা বাজারে যাতায়াতের এক মাত্র সড়ক এটি। আবার মাছ বেচাকেনা শেষে এই সড়ক দিয়ে বাজারে আসে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে বাঁশতলা বাজার থেকে ৫০০ ফুট দূরত্ব গেলেই নাক,মুখ চেপে ধরে খুবই দুর্বিষহ কষ্টে পার হতে হচ্ছে এ সড়কে চলাচলকারী পথচারীদের।এ কষ্ট আর কতদিন সইবো।পথচারীদের কাছে জানতে চাইলে তারা প্রতিনিধিকে বলেন করোনাভাইরাস কারণে একতেই আতঙ্কে আছি আবার বাজারের ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে তাই বাজার কমিটির অবহেলাকে দায়ী করছি।আবার বাঁশতলা নদীর ধার মৎস্য সেট সংলগ্ন চায়ের দোকানের ও হোটেলের পলিথিন ও ময়লা-আবর্জনা ফেলছে পুরাতন মৎস্য সেটের জায়গায় স্থানীয় দোকানদাররা।বাঁশতলা মৎস্য সেটের ব্রিজে উঠতে পাঁকা রাস্তার সীমানা ঘেঁষে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে দোকানের পলিথিন ও ময়লা আবর্জনা।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে মহম্মদপুর উপজেলায় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময়

error: Content is protected !!

কালিগঞ্জ বাঁশতলা সড়কের পাশে বাজারে ময়লা আবর্জনা দুর্গন্ধে ভোগান্তিতে পথচারীরা

Update Time : ০৬:৩০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বাঁশতলা বাজার সড়কের পাশে আবর্জনার স্তুপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাজার এলাকার সড়কটি যেন আবর্জনা ফেলার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এতে পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পথচারীসহ এলাকার মানুষ।বাঁশতলা বাজার হতে ৫০০ ফুট দূরে বাজারের ময়লা আবর্জনা পলিথিন ও পোল্ট্রি মুরগীর বর্জ্য সড়কের পাশে ফেলা হয়।এই দুর্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত বর্জ্য ফেলার কারনে পাশে খালে পড়ে খালের পানি দূষিত হচ্ছে ও তীব্র, বিকট দুর্গন্ধে পেট ফুলে যায় পথচারীদের।প্রতিনিয়ত এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে হাজার হাজার পথচারী ও এলাকার মানুষ ছোট- মাঝারি যানবাহন তাছাড়া দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন,বিষ্ণুপুর কুশুলিয়া,গাজীপুর,মশরকাঠি নবীন নগর কাকড়াবুনিয়াসহ,বিভিন্ন এলাকার মানুষেরা প্রতিদিন তাদের ঘেরের মাছ বেচা কেনার জন্য বাঁশতলা নদীর ধার মৎস্য সেটে ও বাঁশতলা বাজারে যাতায়াতের এক মাত্র সড়ক এটি। আবার মাছ বেচাকেনা শেষে এই সড়ক দিয়ে বাজারে আসে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে বাঁশতলা বাজার থেকে ৫০০ ফুট দূরত্ব গেলেই নাক,মুখ চেপে ধরে খুবই দুর্বিষহ কষ্টে পার হতে হচ্ছে এ সড়কে চলাচলকারী পথচারীদের।এ কষ্ট আর কতদিন সইবো।পথচারীদের কাছে জানতে চাইলে তারা প্রতিনিধিকে বলেন করোনাভাইরাস কারণে একতেই আতঙ্কে আছি আবার বাজারের ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে তাই বাজার কমিটির অবহেলাকে দায়ী করছি।আবার বাঁশতলা নদীর ধার মৎস্য সেট সংলগ্ন চায়ের দোকানের ও হোটেলের পলিথিন ও ময়লা-আবর্জনা ফেলছে পুরাতন মৎস্য সেটের জায়গায় স্থানীয় দোকানদাররা।বাঁশতলা মৎস্য সেটের ব্রিজে উঠতে পাঁকা রাস্তার সীমানা ঘেঁষে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে দোকানের পলিথিন ও ময়লা আবর্জনা।