Dhaka ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা কৃষকের মুখে হাসি

কেশবপুরে ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় কৃষকের মুখে সোনালী হাসি ফুটেছে।মাঠে কৃষকদের জমিতে রোপন করা ইরি বোরো ধান পাঁকা শুরম্ন হয়েছে।
ইতিমধ্যে কিছু কৃষকরা মাঠের জমির ধান কাটতে শুরম্ন করেছে বলে দেখা গেছে।আগামী ৬/৭দিন পর থেকে অনেক কৃষক তাদের জমিতে রোপন করা ইরি বোরো ধান কাটতে শুরম্ন করবে।চলতি বছরে ইরি বোরো মৌসুমের ধান উৎপাদনের লÿ্য নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা মাঠের জমিতে বিভিন্ন জাতের ধানের চারা রোপন করে ছিলেন।আর এই ইরি বোরো আবাদের খরচ কমাতে পুরম্নষের পাশাপাশি নারীরাও ইরি বোরো ধান রোপনে কাজে ব্যাপক সহযোগিতা করে ছিলেন।বুধবার ও বৃহস্পতিবার সারাদিন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে কৃষকরা তাদের রোপন করা ইরি বোরো আবাদের জমির ÿেতে ধানের পরিচার্যা নিয়ে ব্যস্ত্ম হয়ে পড়েছেন।এ সোনার ফসল ঘরে তুলতে রাতদিন কৃষকরা এখনো জমিতে পরিচার্যার কাজ করে যাচ্ছেন।কেশবপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে এবার চলতি বছরে বোরো ধান মৌসুমে এ উপজেলায় ১৪ হাজার ৫শ ২০হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান চাষের লÿ্য মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। জমিতে ইরি বোরো ধান চাষ করার জন্য ৭শ হেক্টর বীজতলায় চারা ফেলানো হয়েছিলো।মৌসুমের শুরম্ন থেকে আবহাওয়া ভালো ও জমিতে পানি সেচ,সার,সময়মত ব্যবহার করার ফলে ভালো ফলনের আশা করেছেন কৃষকরা।এ বছর বীজতলায় চারা নষ্ট হওয়ার তেমন কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। কৃষকরা ইরি বোরো ধান হিসেবে ইাইব্রিড ধান ৪৬শত ২০ হেক্টর ও উপশী ৯হাজার ৯শত হেক্টর জমিতে ধান রোপন করেছে কৃষকরা।কেশবপুর উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা ঘুরে দেখা গেছে কৃষকরা ইরি বৌরো ধান রোপনের কাজে ব্যস্ত্ম সময় পার করে ছিলেন।এই উপজেলায় প্রতিবছর ইরি বৌরো ধানের ব্যাপক বাম্পার ফলন হয়ে থাকে।কৃষকরা বিপুল পরিমান ফলন উৎপাদন করে অত্রাঞ্চলের খাদ্য চাহিদা পূরণের পরেও ধান দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে থাকে।দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হলেও কেশবপুরে এখনও তেমন পরিস্থিতি না হওয়ায় কৃষকরা কোমর বেঁধে পুরাদমে মাঠে নেমে পড়ে ছিলেন ইরি বোরো ধান রোপনের কাজে। এলাকার কৃষকরা জানান,বর্তমানে কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে মাঠে বোরো ধান রোপন শুরম্ন হওয়ায় থেকে চারা সংকটের কোন সম্ভাবনা ছিলো না।এ বছর অনেক কৃষকরা তাদের লÿ্য মাত্রা অনুযায়ী জমিতে ধান রোপন করেও চারা বিত্রম্নয় করতে পেরেছে বলে এলাকার কৃষক হাকিম সরদার,আছিন সরদার,জামাল সরদার,ইসলাম গাজী,লফিত গাজী,নুর ইসলাম দফাদার,আনার আলী খাঁসহ অনেক কৃষকরা জানিয়েছেন।তারা আরো জানান,চলতি বছরে ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় কৃষকের মুখে সোনালী হাসি ফুটেছে।ইতিমধ্যে কিছু কৃষকরা মাঠের জমির ধান কাটতে শুরম্ন করেছে।মাঠের অনেক কৃষকের জমির ধান পাকা শুরম্ন হয়েছে, আগামী ৬/৭দিন পর থেকে অনেক কৃষক তাদের জমিতে রোপন করা ধান কাটতে শুরম্ন করবে। কোন প্রকৃতি দুর্যোগ না হলে সময় মত কৃষকরা তাদের মাঠের ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবে।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার ঝতুরাজ সরকার বলেন,কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের বীজতলায় চারা তৈরী করার ব্যাপারে ভালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।যার কারণে চারাও ভালো হয়েছে। ফলে সুন্দর ভাবে কৃষকরা তাদের জমিতে বোরো ধান রোপন করতে পেরেছেন। এ ছাড়াও যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কৃষি অফিস সব সময় কৃষকদের পাশে থাকবে। এ উপজেলায় ১৪ হাজার ৫শ ২০হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লÿ্য মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। কোন প্রকৃতি দুর্যোগ না হলে সময় মত কৃষকরা তাদের মাঠের ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবে। কেশবপুর উপজেলায় প্রতিবছর বোরো ধানের ব্যাপক বাম্পার ফলন হয়ে থাকে।

Tag :
About Author Information

admin

পবা উপজেলা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে সাংবাদিকদের সাথে এমপি মিলনের ঐক্যমত

error: Content is protected !!

কেশবপুরে ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা কৃষকের মুখে হাসি

Update Time : ১০:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০২২

কেশবপুরে ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় কৃষকের মুখে সোনালী হাসি ফুটেছে।মাঠে কৃষকদের জমিতে রোপন করা ইরি বোরো ধান পাঁকা শুরম্ন হয়েছে।
ইতিমধ্যে কিছু কৃষকরা মাঠের জমির ধান কাটতে শুরম্ন করেছে বলে দেখা গেছে।আগামী ৬/৭দিন পর থেকে অনেক কৃষক তাদের জমিতে রোপন করা ইরি বোরো ধান কাটতে শুরম্ন করবে।চলতি বছরে ইরি বোরো মৌসুমের ধান উৎপাদনের লÿ্য নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা মাঠের জমিতে বিভিন্ন জাতের ধানের চারা রোপন করে ছিলেন।আর এই ইরি বোরো আবাদের খরচ কমাতে পুরম্নষের পাশাপাশি নারীরাও ইরি বোরো ধান রোপনে কাজে ব্যাপক সহযোগিতা করে ছিলেন।বুধবার ও বৃহস্পতিবার সারাদিন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে কৃষকরা তাদের রোপন করা ইরি বোরো আবাদের জমির ÿেতে ধানের পরিচার্যা নিয়ে ব্যস্ত্ম হয়ে পড়েছেন।এ সোনার ফসল ঘরে তুলতে রাতদিন কৃষকরা এখনো জমিতে পরিচার্যার কাজ করে যাচ্ছেন।কেশবপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে এবার চলতি বছরে বোরো ধান মৌসুমে এ উপজেলায় ১৪ হাজার ৫শ ২০হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান চাষের লÿ্য মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। জমিতে ইরি বোরো ধান চাষ করার জন্য ৭শ হেক্টর বীজতলায় চারা ফেলানো হয়েছিলো।মৌসুমের শুরম্ন থেকে আবহাওয়া ভালো ও জমিতে পানি সেচ,সার,সময়মত ব্যবহার করার ফলে ভালো ফলনের আশা করেছেন কৃষকরা।এ বছর বীজতলায় চারা নষ্ট হওয়ার তেমন কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। কৃষকরা ইরি বোরো ধান হিসেবে ইাইব্রিড ধান ৪৬শত ২০ হেক্টর ও উপশী ৯হাজার ৯শত হেক্টর জমিতে ধান রোপন করেছে কৃষকরা।কেশবপুর উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা ঘুরে দেখা গেছে কৃষকরা ইরি বৌরো ধান রোপনের কাজে ব্যস্ত্ম সময় পার করে ছিলেন।এই উপজেলায় প্রতিবছর ইরি বৌরো ধানের ব্যাপক বাম্পার ফলন হয়ে থাকে।কৃষকরা বিপুল পরিমান ফলন উৎপাদন করে অত্রাঞ্চলের খাদ্য চাহিদা পূরণের পরেও ধান দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে থাকে।দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হলেও কেশবপুরে এখনও তেমন পরিস্থিতি না হওয়ায় কৃষকরা কোমর বেঁধে পুরাদমে মাঠে নেমে পড়ে ছিলেন ইরি বোরো ধান রোপনের কাজে। এলাকার কৃষকরা জানান,বর্তমানে কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে মাঠে বোরো ধান রোপন শুরম্ন হওয়ায় থেকে চারা সংকটের কোন সম্ভাবনা ছিলো না।এ বছর অনেক কৃষকরা তাদের লÿ্য মাত্রা অনুযায়ী জমিতে ধান রোপন করেও চারা বিত্রম্নয় করতে পেরেছে বলে এলাকার কৃষক হাকিম সরদার,আছিন সরদার,জামাল সরদার,ইসলাম গাজী,লফিত গাজী,নুর ইসলাম দফাদার,আনার আলী খাঁসহ অনেক কৃষকরা জানিয়েছেন।তারা আরো জানান,চলতি বছরে ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় কৃষকের মুখে সোনালী হাসি ফুটেছে।ইতিমধ্যে কিছু কৃষকরা মাঠের জমির ধান কাটতে শুরম্ন করেছে।মাঠের অনেক কৃষকের জমির ধান পাকা শুরম্ন হয়েছে, আগামী ৬/৭দিন পর থেকে অনেক কৃষক তাদের জমিতে রোপন করা ধান কাটতে শুরম্ন করবে। কোন প্রকৃতি দুর্যোগ না হলে সময় মত কৃষকরা তাদের মাঠের ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবে।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার ঝতুরাজ সরকার বলেন,কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের বীজতলায় চারা তৈরী করার ব্যাপারে ভালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।যার কারণে চারাও ভালো হয়েছে। ফলে সুন্দর ভাবে কৃষকরা তাদের জমিতে বোরো ধান রোপন করতে পেরেছেন। এ ছাড়াও যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কৃষি অফিস সব সময় কৃষকদের পাশে থাকবে। এ উপজেলায় ১৪ হাজার ৫শ ২০হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লÿ্য মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। কোন প্রকৃতি দুর্যোগ না হলে সময় মত কৃষকরা তাদের মাঠের ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবে। কেশবপুর উপজেলায় প্রতিবছর বোরো ধানের ব্যাপক বাম্পার ফলন হয়ে থাকে।