মহম্মদপুরের বাবুখালী পুলিশ ফাড়ির সামনে কেরাম বোর্ড খেলার নামে চলছে জুয়ার জমজমাট আসর

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩
  • ৩৬২ Time View

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী পুলিশ ফাঁড়ির সামনে প্রতিদিন কেরাম বোর্ড খেলার নামে চলে জমজমাট জুয়ার আসর। সামনে থাকে কেরাম অথচ ভিতরে চলে জুয়া।

বিকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামের যুবকরা এখানে টাকার বিনিময় বোর্ড খেলতে আসে। বিশেষ করে উঠতি বয়সী যুবকদের আনাগোনা সবচেয়ে বেশি বলে জানান স্থানীয়রা

বাবুখালী বাজারে অনন্ত ১০/১২ টি কেরাম সেটে খেলা হয়। সন্ধ্যার পর জমে বাঁজিতে খেলার আসর। প্রতিবার গেম শেষে দোকানদার ভাড়া পায় ২০ থেকে ৩০ টাকা। কেরাম বোর্ড খেলোয়াড়রা বিভিন্ন পরিমাণের টাকা বাজি ধরে কেরাম খেলেন। প্রায়ই খেলাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির মত ঘটনা ঘটে।

কেরাম বোর্ডের অন্তরালে জমে উঠেছে জমজমাট জুয়ার আসর। এমন কথা জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররা জড়িয়ে পরছে এ জুয়ায়।

সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো জানান, কেরাম বোর্ডের মালিকগন প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অবাধে কেরাম বোর্ড চালিয়ে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা । এতে করে উঠতি বয়সের ছেলেরা এ জুয়ায় আসক্ত হয়ে পরেছে। এ খেলায় বাজি ধরে নিঃস্ব হয়ে পরেছে অনেকে। সৃষ্টি হচ্ছে পারিবারিক অশান্তি।

বাবুখালী পুলিশ ফাড়ির দ্বায়িত্বরত ইনচার্জ সুকুমার বলেন, “এখানে বাঁজিতে জুয়া বা কেরামবোর্ড খেলা হয় এটা জানতামই না। এলাকার কেউ অভিযোগ করলে কেরাম খেলা বন্ধ করার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Tag :
About Author Information

admin

​রাজশাহীতে থিম ওমর প্লাজা দখল ও লুটপাট: আদালতে মামলা, তদন্তে পিবিআই

error: Content is protected !!

মহম্মদপুরের বাবুখালী পুলিশ ফাড়ির সামনে কেরাম বোর্ড খেলার নামে চলছে জুয়ার জমজমাট আসর

Update Time : ১০:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী পুলিশ ফাঁড়ির সামনে প্রতিদিন কেরাম বোর্ড খেলার নামে চলে জমজমাট জুয়ার আসর। সামনে থাকে কেরাম অথচ ভিতরে চলে জুয়া।

বিকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামের যুবকরা এখানে টাকার বিনিময় বোর্ড খেলতে আসে। বিশেষ করে উঠতি বয়সী যুবকদের আনাগোনা সবচেয়ে বেশি বলে জানান স্থানীয়রা

বাবুখালী বাজারে অনন্ত ১০/১২ টি কেরাম সেটে খেলা হয়। সন্ধ্যার পর জমে বাঁজিতে খেলার আসর। প্রতিবার গেম শেষে দোকানদার ভাড়া পায় ২০ থেকে ৩০ টাকা। কেরাম বোর্ড খেলোয়াড়রা বিভিন্ন পরিমাণের টাকা বাজি ধরে কেরাম খেলেন। প্রায়ই খেলাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির মত ঘটনা ঘটে।

কেরাম বোর্ডের অন্তরালে জমে উঠেছে জমজমাট জুয়ার আসর। এমন কথা জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররা জড়িয়ে পরছে এ জুয়ায়।

সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো জানান, কেরাম বোর্ডের মালিকগন প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অবাধে কেরাম বোর্ড চালিয়ে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা । এতে করে উঠতি বয়সের ছেলেরা এ জুয়ায় আসক্ত হয়ে পরেছে। এ খেলায় বাজি ধরে নিঃস্ব হয়ে পরেছে অনেকে। সৃষ্টি হচ্ছে পারিবারিক অশান্তি।

বাবুখালী পুলিশ ফাড়ির দ্বায়িত্বরত ইনচার্জ সুকুমার বলেন, “এখানে বাঁজিতে জুয়া বা কেরামবোর্ড খেলা হয় এটা জানতামই না। এলাকার কেউ অভিযোগ করলে কেরাম খেলা বন্ধ করার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।