Dhaka ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ও ৫ আগস্টের সম্মুখ যোদ্ধা: রাজশাহীতে ছাত্রদল নেতা তপনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

রাজশাহীর ছাত্ররাজনীতির মাঠে এক লড়াকু ও রাজপথ কাঁপানো স্লোগান মাস্টার নাম আবুল কালাম আজাদ তপন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও স্বৈরাচার দমনে যিনি সবসময় ছিলেন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। বিশেষ করে, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানে রাজশাহীর রাজপথে জীবন বাজি রেখে স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এই সাহসী নেতা। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

​দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সরকারের আমলে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন আবুল কালাম আজাদ তপন। দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনামলে রাজপথে সক্রিয় থাকার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। কারাবরণ করছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নানা হয়রানির শিকার হলেও নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হননি এই ছাত্রনেতা। হামলা ও মামলার মানসিক ও আর্থিক ধকল সামলেও তিনি রাজশাহীতে ছাত্রদলের সাংগঠনিক ভিত শক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।

​গত জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন এক দফায় রূপ নেয়, তখন রাজশাহীর রাজপথের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তপন। ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী সরকারের পতনের চূড়ান্ত দিনে রাজশাহীতে ছাত্র-জনতার মিছিল ও প্রতিরোধ গড়ার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে ফ্যাসিবাদের পতন নিশ্চিত করতে মাঠ ছাড়েননি এই লড়াকু সৈনিক।
​তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলেন, “তপন ভাই শুধু একজন নেতাই নন, তিনি সংকটে রাজপথের সাহসী অভিভাবক। বহু হামলা-মামলা তাঁর মনোবল ভাঙতে পারেনি, বরং ৫ আগস্টের আন্দোলনে তাঁর আপসহীন ভূমিকা আমাদের আরও উজ্জীবিত করেছে।”

​দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে আবুল কালাম আজাদ তপন ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং দলের সংকটকালে কর্মীদের চাঙ্গা রাখতে তাঁর ভূমিকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে সর্বদাই প্রশংসিত। রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশেও দাঁড়িয়েছেন তিনি।
​রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গনে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে আবুল কালাম আজাদ তপন আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসবেন এবং দলের আদর্শকে ধারণ করে একটি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে বড় ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের।
​আদর্শের প্রশ্নে আপসহীন তপন
​নিজের রাজনৈতিক দর্শন ও ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ তপন বলেন:
​”আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত। আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নীতি ও আদর্শকে ধারণ করে রাজনীতি করি। জাতীয়তাবাদী দলের নীতি ও আদর্শের বাইরে আমি এক চুলও পিছপা হবো না। দলের প্রয়োজনে জীবন বাজি রাখতেও রাজি আছি, তবুও নীতি-আদর্শের বাইরে কোনো কাজ করবো না।”

Tag :
About Author Information

Alauddin Mondal

জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ও ৫ আগস্টের সম্মুখ যোদ্ধা: রাজশাহীতে ছাত্রদল নেতা তপনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

error: Content is protected !!

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ও ৫ আগস্টের সম্মুখ যোদ্ধা: রাজশাহীতে ছাত্রদল নেতা তপনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

Update Time : ০২:৫৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

রাজশাহীর ছাত্ররাজনীতির মাঠে এক লড়াকু ও রাজপথ কাঁপানো স্লোগান মাস্টার নাম আবুল কালাম আজাদ তপন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও স্বৈরাচার দমনে যিনি সবসময় ছিলেন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। বিশেষ করে, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানে রাজশাহীর রাজপথে জীবন বাজি রেখে স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এই সাহসী নেতা। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

​দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সরকারের আমলে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন আবুল কালাম আজাদ তপন। দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনামলে রাজপথে সক্রিয় থাকার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। কারাবরণ করছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নানা হয়রানির শিকার হলেও নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হননি এই ছাত্রনেতা। হামলা ও মামলার মানসিক ও আর্থিক ধকল সামলেও তিনি রাজশাহীতে ছাত্রদলের সাংগঠনিক ভিত শক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।

​গত জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন এক দফায় রূপ নেয়, তখন রাজশাহীর রাজপথের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তপন। ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী সরকারের পতনের চূড়ান্ত দিনে রাজশাহীতে ছাত্র-জনতার মিছিল ও প্রতিরোধ গড়ার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে ফ্যাসিবাদের পতন নিশ্চিত করতে মাঠ ছাড়েননি এই লড়াকু সৈনিক।
​তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলেন, “তপন ভাই শুধু একজন নেতাই নন, তিনি সংকটে রাজপথের সাহসী অভিভাবক। বহু হামলা-মামলা তাঁর মনোবল ভাঙতে পারেনি, বরং ৫ আগস্টের আন্দোলনে তাঁর আপসহীন ভূমিকা আমাদের আরও উজ্জীবিত করেছে।”

​দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে আবুল কালাম আজাদ তপন ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং দলের সংকটকালে কর্মীদের চাঙ্গা রাখতে তাঁর ভূমিকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে সর্বদাই প্রশংসিত। রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশেও দাঁড়িয়েছেন তিনি।
​রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গনে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে আবুল কালাম আজাদ তপন আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসবেন এবং দলের আদর্শকে ধারণ করে একটি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে বড় ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের।
​আদর্শের প্রশ্নে আপসহীন তপন
​নিজের রাজনৈতিক দর্শন ও ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ তপন বলেন:
​”আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত। আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নীতি ও আদর্শকে ধারণ করে রাজনীতি করি। জাতীয়তাবাদী দলের নীতি ও আদর্শের বাইরে আমি এক চুলও পিছপা হবো না। দলের প্রয়োজনে জীবন বাজি রাখতেও রাজি আছি, তবুও নীতি-আদর্শের বাইরে কোনো কাজ করবো না।”