শেষ পৌষের কনকনে শীতে কাঁপছে মাগুরা!

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪
  • ৪৬২ Time View

শেষ পৌষের কনকনে শীতে কাঁপছে মাগুরা!

পৌষের ৩০ তারিখ আজ। মাস শেষ হতে বাকি আর একদিন। পৌষের শেষদিকে শীতের দাপটে কাঁপছে মাগুরা জেলা সহ সারা দেশ। দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। জবুথবু মাগুরাবাসী। ঘন কুয়াশা, শিশির আর কনকনে ঠাণ্ডার সাথেই বইছে হিমেল হাওয়া।

রোববার (১৪ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা গেছে, মাগুরা সহ দেশের কয়েক জেলায় বইছে মৃদ শৈত্যপ্রবাহ। যা অব্যাহত থাকবে আরও কয়েকদিন। রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও। এর প্রভাবে সকাল থেকেই কুয়াশায় আচ্ছন্ন প্রকৃতি।

আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো না আসায় গত কিছুদিন ধরে দিনের তাপমাত্রা সারা দেশে গড়ে ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি কম থাকছে। রাতের তাপমাত্রা তেমন কমেনি। এতে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি অনেকটাই বেড়ে গেছে। এটা জানুয়ারি মাসে মাঝেমধ্যেই হয় এবং টানা তিন-চার দিন থাকে। এই অবস্থা আগামী সোমবার পর্যন্ত থাকতে পারে ।

তীব্র শীতে উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। উত্তরের জেলাগুলোতে পাঁচ দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে।

এছাড়া তীব্র শীতে শীতজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে বহুগুনে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালগুলোতে ভিড় করছেন শিশু ও বৃদ্ধরা।

এদিকে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় তীব্র শীত উপেক্ষা করেই কর্মস্থলগামী মানুষ। বেশি বিপাকে হতদরিদ্ররা। শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্বিষহ তাদের জীবন। কুয়াশার কারণে ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

রাজশাহীর সীমান্ত এলাকা থেকে বিদেশি অ’স্ত্র উ’দ্ধা’র

error: Content is protected !!

শেষ পৌষের কনকনে শীতে কাঁপছে মাগুরা!

Update Time : ১০:৩৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

শেষ পৌষের কনকনে শীতে কাঁপছে মাগুরা!

পৌষের ৩০ তারিখ আজ। মাস শেষ হতে বাকি আর একদিন। পৌষের শেষদিকে শীতের দাপটে কাঁপছে মাগুরা জেলা সহ সারা দেশ। দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। জবুথবু মাগুরাবাসী। ঘন কুয়াশা, শিশির আর কনকনে ঠাণ্ডার সাথেই বইছে হিমেল হাওয়া।

রোববার (১৪ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা গেছে, মাগুরা সহ দেশের কয়েক জেলায় বইছে মৃদ শৈত্যপ্রবাহ। যা অব্যাহত থাকবে আরও কয়েকদিন। রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও। এর প্রভাবে সকাল থেকেই কুয়াশায় আচ্ছন্ন প্রকৃতি।

আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো না আসায় গত কিছুদিন ধরে দিনের তাপমাত্রা সারা দেশে গড়ে ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি কম থাকছে। রাতের তাপমাত্রা তেমন কমেনি। এতে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি অনেকটাই বেড়ে গেছে। এটা জানুয়ারি মাসে মাঝেমধ্যেই হয় এবং টানা তিন-চার দিন থাকে। এই অবস্থা আগামী সোমবার পর্যন্ত থাকতে পারে ।

তীব্র শীতে উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। উত্তরের জেলাগুলোতে পাঁচ দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে।

এছাড়া তীব্র শীতে শীতজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে বহুগুনে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালগুলোতে ভিড় করছেন শিশু ও বৃদ্ধরা।

এদিকে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় তীব্র শীত উপেক্ষা করেই কর্মস্থলগামী মানুষ। বেশি বিপাকে হতদরিদ্ররা। শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্বিষহ তাদের জীবন। কুয়াশার কারণে ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল।