Dhaka ০২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে কোবাদক স্টেশনে দূর্নীতি চরমে

পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের কোবাদক স্টেশনে দূর্নীতি চরমে উঠেছে। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জেলে,বাউয়ালী ও মৌয়ালরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলেরা অভিযোগ তুলে বলেন যে, সুন্দরবনে প্রবেশ করতে স্টেশন থেকে মধুর পাশ নিতে গেলে আলাদা ভাবে স্টেশন কর্মকর্তাকে পাশ প্রতি উৎকোচ দিতে হয় ৪শ টাকা এবং সাথে নৌকা প্রতি ৬ কেজি মধু। সরকারি রেভিনিউ এর টাকা ছাড়াও অতিরিক্ত ৪শ টাকা ও মধু না দিলে স্টেশন কর্মকর্তা পাশ না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে তাদের নাজেহাল করেন।
কোবাদক স্টেশনটি সাতক্ষীরা রেঞ্জের মধ্যে হলেও খুলনা জেলার অর্ন্তগত বেতকাশি ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত। স্টেশনে পরপর দুইটি নদী পার হয়ে যেতে হয়। যার ফলে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কর্মকর্তাদের নজরের বাইরে। এই কারণে দেদারছে স্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন জেলেদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন অতিরিক্ত টাকা ও মধু।
সদ্য সুন্দরবন থেকে ফিরে মধু নিয়ে অফিসে হাজির (ছদ্মনাম) আশুতোষ কুমার বলেন, ১৪ দিন পর লোকালয়ে ফিরলাম যাওয়ার পথে স্টেশন অফিসারের নির্দেশিত মধুটা দিতে আসলাম। না হলে পরে সুন্দরবনে যেতে পারবো না। মধু যা পাই না কেন স্টেশন কর্মকর্তাকে দিতেই হবে। তবে আমার নাম বলবেন না। আমার সংসার এই সুন্দরবনের উপরে নির্ভরশীল।
এ বিষয় নিয়ে স্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন বলেন, একশ্রেনীর কুচক্রী মহল আপনাদের সাথে মিথ্যা বলেছে।সরকারি রেভিনিউ ছাড়া অন্যকোন আর্থিক লেনদেন করি না।

Tag :
About Author Information

admin

মোহনপুরে অসুস্থ গরু পরিবহনে জরিমানা

error: Content is protected !!

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে কোবাদক স্টেশনে দূর্নীতি চরমে

Update Time : ০১:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মে ২০২১

পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের কোবাদক স্টেশনে দূর্নীতি চরমে উঠেছে। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জেলে,বাউয়ালী ও মৌয়ালরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলেরা অভিযোগ তুলে বলেন যে, সুন্দরবনে প্রবেশ করতে স্টেশন থেকে মধুর পাশ নিতে গেলে আলাদা ভাবে স্টেশন কর্মকর্তাকে পাশ প্রতি উৎকোচ দিতে হয় ৪শ টাকা এবং সাথে নৌকা প্রতি ৬ কেজি মধু। সরকারি রেভিনিউ এর টাকা ছাড়াও অতিরিক্ত ৪শ টাকা ও মধু না দিলে স্টেশন কর্মকর্তা পাশ না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে তাদের নাজেহাল করেন।
কোবাদক স্টেশনটি সাতক্ষীরা রেঞ্জের মধ্যে হলেও খুলনা জেলার অর্ন্তগত বেতকাশি ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত। স্টেশনে পরপর দুইটি নদী পার হয়ে যেতে হয়। যার ফলে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কর্মকর্তাদের নজরের বাইরে। এই কারণে দেদারছে স্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন জেলেদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন অতিরিক্ত টাকা ও মধু।
সদ্য সুন্দরবন থেকে ফিরে মধু নিয়ে অফিসে হাজির (ছদ্মনাম) আশুতোষ কুমার বলেন, ১৪ দিন পর লোকালয়ে ফিরলাম যাওয়ার পথে স্টেশন অফিসারের নির্দেশিত মধুটা দিতে আসলাম। না হলে পরে সুন্দরবনে যেতে পারবো না। মধু যা পাই না কেন স্টেশন কর্মকর্তাকে দিতেই হবে। তবে আমার নাম বলবেন না। আমার সংসার এই সুন্দরবনের উপরে নির্ভরশীল।
এ বিষয় নিয়ে স্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন বলেন, একশ্রেনীর কুচক্রী মহল আপনাদের সাথে মিথ্যা বলেছে।সরকারি রেভিনিউ ছাড়া অন্যকোন আর্থিক লেনদেন করি না।