
দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াই এবং প্রায় তিন দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে জমির দখল ফিরে পেয়েছেন দাবিদার মো. জাহিদুল ইসলাম জামাল। আদালতের রায় ও ডিক্রির আলোকে পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে জমিতে লাল নিশানা টাঙানো এবং সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে এই দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী) রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দেলুয়াবাড়ী ইউনিয়নের বখতিয়ারপুর (গুলালপাড়া) এলাকায় আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এই সরেজমিন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
মামলার বিবরণী:-
আদালত সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপুর থানার সহকারী জজ আদালতে দায়ের করা ৪০/২০১০ নম্বর মামলাটি লক্ষণখলাসী মৌজার আরএস ৩৬৬৪ নম্বর দাগের জমি নিয়ে পরিচালিত হচ্ছিল। মামলায় বাদীপক্ষে ছিলেন মো. জাহিদুল ইসলাম, যায়দুর রহমানসহ কয়েকজন এবং বিবাদীপক্ষে মোসা. আনোয়ারা বেওয়াসহ অন্যরা। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত বাদীর পক্ষে রায় ও ডিক্রি প্রদান করেন।
দখল হস্তান্তর কার্যক্রমে যারা উপস্থিত ছিলেন:-
আদালতের রায় ও ডিক্রি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন:
- নাজির: আব্দুল কাদের জিলানী
- নায়েব নাজির: মো. নাসির উদ্দিন
- অ্যাডভোকেট কমিশনার: নাসির উদ্দিন
এছাড়া স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে জমির পরিমাপ, সীমানা নির্ধারণ এবং সাইনবোর্ড টানানোর কাজ সম্পন্ন হয়। ঘটনাস্থলে স্থাপন করা সাইনবোর্ডে জমির পরিমাণ ২২ শতাংশ উল্লেখ করা হয়েছে এবং ডিক্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে মো. জাহিদুল ইসলাম জামালের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর প্রতিক্রিয়া:-
দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও আইনি লড়াইয়ের অবসান নিয়ে মো বলেন,
“মামলাটি ১৬ বছর চলার পর আদালতের রায় পেয়েছি। তবে এই জমির দখল ফিরে পেতে আমাদের প্রায় ২৯ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে।”
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায় ও ডিক্রির আলোকে জমির সীমানা নির্ধারণ এবং সঠিক মালিককে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এলাকার দীর্ঘদিনের একটি বিরোধের অবসান ঘটল।
নিজস্ব প্রতিনিধি 


















