Dhaka ০১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে টানা ৩ দিনের বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

কেশবপুরে টানা ৩ দিনের বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ধানের বীজতলা তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা পড়েছেন বিপাকে। মসুর ও সরিষায় ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করছেন কৃষক।
একাধারে বৃষ্টি হওয়ার কারণে কৃষকরা খেতে সেচ দিয়েও বীজতলা জাগিয়ে তুলতে পারছেন না। এভাবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ধানের বীজতলা, সরিষা, মসুরসহ সবজি খেত নষ্ট হয়ে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, টানা ৩ দিনের বৃষ্টিপাতে ৯০ হেক্টর বোরো ধানের বীজতলার ভেতর ৮৫ হেক্টর, ৮৬০ হেক্টর সরিষা, ৯৩ হেক্টর মসুর ও ৩৫০ হেক্টর সবজি তলিয়ে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে।উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের কৃষক আবু হানিফ বলেন, টানা বৃষ্টিতে ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। খেতে সেচ দিয়েও বীজতলা জাগিয়ে তুলা যাচ্ছে না। মূলগ্রামের কৃষক আব্দুল খালেক ও আব্দুল হাকিম বলেন, তাদেরও ধানের বীজতলা অতিবৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। বীজতলা রক্ষা করতে না পারলে বোরো আবাদে পড়তে হবে বিপাকে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার বলেন, এভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে ধানের বীজতলা, সরিষা, মসুরসহ সবজি খেত নষ্ট হয়ে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin

রাজশাহীতে মাকে খুন করে রাস্তায় ফেলে গেল ছেলে

error: Content is protected !!

কেশবপুরে টানা ৩ দিনের বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

Update Time : ০৩:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২১

কেশবপুরে টানা ৩ দিনের বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ধানের বীজতলা তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা পড়েছেন বিপাকে। মসুর ও সরিষায় ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করছেন কৃষক।
একাধারে বৃষ্টি হওয়ার কারণে কৃষকরা খেতে সেচ দিয়েও বীজতলা জাগিয়ে তুলতে পারছেন না। এভাবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ধানের বীজতলা, সরিষা, মসুরসহ সবজি খেত নষ্ট হয়ে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, টানা ৩ দিনের বৃষ্টিপাতে ৯০ হেক্টর বোরো ধানের বীজতলার ভেতর ৮৫ হেক্টর, ৮৬০ হেক্টর সরিষা, ৯৩ হেক্টর মসুর ও ৩৫০ হেক্টর সবজি তলিয়ে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে।উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের কৃষক আবু হানিফ বলেন, টানা বৃষ্টিতে ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। খেতে সেচ দিয়েও বীজতলা জাগিয়ে তুলা যাচ্ছে না। মূলগ্রামের কৃষক আব্দুল খালেক ও আব্দুল হাকিম বলেন, তাদেরও ধানের বীজতলা অতিবৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। বীজতলা রক্ষা করতে না পারলে বোরো আবাদে পড়তে হবে বিপাকে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার বলেন, এভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে ধানের বীজতলা, সরিষা, মসুরসহ সবজি খেত নষ্ট হয়ে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হবে।