Dhaka ১০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আরিফুর রহমান@ গুড্ডু আরিফ (৩৫)কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪

বাংলাদেশ আমার অহংকার এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র‌্যাব ইতোমধ্যে জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক, র‌্যাব-৪ এর নির্দেশনায় সিপিসি-৩ এবং সিপিসি-২ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ০২ জুলাই ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যায় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী সদর থানাধীন নতুন বাজার এলাকায় চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত হত্যাকান্ডে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আরিফুর রহমান@ গুড্ডু আরিফ (৩৫), পিতা-মৃত সিদ্দিকুর রহমান, সাং-কলেজ রোড ব্লকপাড়া, থানা ও জেলা-পটুয়াখালীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আরিফুর রহমান@ গুড্ডু আরিফ (৩৫) এবং তার সহযোগীরা মিলে ডিসিস্ট মোঃ মামুন মিয়াকে ২০০৯ সালে অপহরণ করে তার পরিবার নিকট মুক্তিপণ দাবি করে। ভিকটিমের পরিবার মুক্তিপণ প্রদানে অসম্মত হওয়ায় গ্রেফতারকৃত আসামী ও তার সহযোগীরা মিলে তাকে নির্যাতন করতে থাকে এবং নির্যাতনে এক পর্যায়ে ভিকটিম মৃত্যুবরণ করে।

সেসময় উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয় এবং এ সংক্রান্তে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা এজাহারনামীয় আসামী আরিফুর রহমান@ গুড্ডু আরিফ (৩৫)কে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করে। তার প্রেক্ষিতে মামলার স্বাক্ষ্য প্রমাণ এবং যুক্তি তর্ক শেষে উপরোক্ত আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আসামীকে দোষী সাব্যস্ত পূর্বক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করে রায় প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামী পলাতক থাকায় বিজ্ঞ আদালত আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। উক্ত আসামী গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিলো এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে আত্মগোপনে থেকে দেশের বিভিন্নস্থানে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছিল। পরবর্তীতে পটুয়াখালী সদর থানা কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের মাধ্যমে র‌্যাব-৪, সিপিসি-৩ এবং সিপিসি-২ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল আসামীকে গ্রেফতারে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকান্ডের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আরিফুর রহমান@ গুড্ডু আরিফ (৩৫)কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

Tag :
About Author Information

Alauddin Mondal

জনপ্রিয়

বাঘায় পৃথক অভিযানে দুই মামলার আসামি গ্রেপ্তার

error: Content is protected !!

চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আরিফুর রহমান@ গুড্ডু আরিফ (৩৫)কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪

Update Time : ০৬:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশ আমার অহংকার এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র‌্যাব ইতোমধ্যে জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক, র‌্যাব-৪ এর নির্দেশনায় সিপিসি-৩ এবং সিপিসি-২ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ০২ জুলাই ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যায় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী সদর থানাধীন নতুন বাজার এলাকায় চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত হত্যাকান্ডে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আরিফুর রহমান@ গুড্ডু আরিফ (৩৫), পিতা-মৃত সিদ্দিকুর রহমান, সাং-কলেজ রোড ব্লকপাড়া, থানা ও জেলা-পটুয়াখালীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আরিফুর রহমান@ গুড্ডু আরিফ (৩৫) এবং তার সহযোগীরা মিলে ডিসিস্ট মোঃ মামুন মিয়াকে ২০০৯ সালে অপহরণ করে তার পরিবার নিকট মুক্তিপণ দাবি করে। ভিকটিমের পরিবার মুক্তিপণ প্রদানে অসম্মত হওয়ায় গ্রেফতারকৃত আসামী ও তার সহযোগীরা মিলে তাকে নির্যাতন করতে থাকে এবং নির্যাতনে এক পর্যায়ে ভিকটিম মৃত্যুবরণ করে।

সেসময় উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয় এবং এ সংক্রান্তে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা এজাহারনামীয় আসামী আরিফুর রহমান@ গুড্ডু আরিফ (৩৫)কে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করে। তার প্রেক্ষিতে মামলার স্বাক্ষ্য প্রমাণ এবং যুক্তি তর্ক শেষে উপরোক্ত আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আসামীকে দোষী সাব্যস্ত পূর্বক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করে রায় প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামী পলাতক থাকায় বিজ্ঞ আদালত আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। উক্ত আসামী গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিলো এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে আত্মগোপনে থেকে দেশের বিভিন্নস্থানে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছিল। পরবর্তীতে পটুয়াখালী সদর থানা কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের মাধ্যমে র‌্যাব-৪, সিপিসি-৩ এবং সিপিসি-২ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল আসামীকে গ্রেফতারে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকান্ডের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আরিফুর রহমান@ গুড্ডু আরিফ (৩৫)কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।