
রাজশাহীর মোহনপুরে ধুরইল ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার জমি বার্ষিক লিজ বা ইজারা দেওয়া হয় পহেলা বৈশাখ হইতে ৩০ শে চৈত্র পর্যন্ত লিজ প্রদান করা হয়। সুপারিনটেনডেন্ট মাওলা মো. নূরুজ্জামান ১৩-০৪-২০২৬ খ্রি: সোমবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় ২০ একর ২৭ শতাংশ জমি লিজ কার্যক্রম আরাম্ভ হয়। উক্ত লিজ কার্যক্রমে উপস্থিত সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম অভিভাবক সদস্য মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও জনাব মোঃ সাদিকুল ইসলাম চৌধুরী দাতা সদস্য মো:মুনতাজ আলী শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ শরিফুল ইসলাম জনাব মোঃ মাজহারুল ইসলাম অত্র প্রতিষ্টানে শিক্ষক /কর্মচারীসহ অত্র এলাকা গন্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগন উক্ত লিজ কর্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন। প্রথমে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৫ ধারা থেকে ১১ ধারা পযন্ত লিজ বা ইজারা সংক্রান্ত বিধিমালা পাঠ করেন সুপার মাওলান মো. নুরুজ্জামান সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৭ ধারায় ইজারা সম্পাদনের পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে। নিম্নবর্ণিত তিন প্রকারের ইজারা জমি ডিসিয়ারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়। যথা: (১) বার্ষিক ভিত্তিকে ইজারা, (২) এক বছরের চেয়ে বেশি সময়ের জন্য ইজারা, (৩) যে ইজারায় বার্ষিক খাজনা ধার্য হয়, সে ক্ষেত্রে ইজারাদাতা এবং গ্রহীতা নগদ টাকায় ডিসিয়ারে রশিদ বহির মাধ্যমে সম্পন্ন করবেন।যে ক্ষেত্রে ইজারার জন্য ডিসিয়ারের বা রশিদ বহি
আবশ্যক, সে ক্ষেত্রে প্রথম ডাককারী জমি লিজ না গ্রহন করলে দ্বিতীয় ডাকরীকে ইজারা দাতা বলে গণ্য হবে। তবে ইজারা গ্রহীতা যদি সম্পত্তির দখলে থাকেন এবং দাতা যদি টাকা না গ্রহণ করেন, তবে বিনা নোটিশে গ্রহীতাকে ইজারাকৃত সম্পত্তি থেকে বিতাড়িত করা যাবে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৮ ধারায় ইজারাদাতা ও গ্রহীতার দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে বিধান বর্ণিত হয়েছে। ইজারা কিভাবে সমাপ্ত হয়। ১৯৫০ সালের জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন কৃষিজমি ইজারা প্রদান নিষিদ্ধ করেছে। ওই আইনের ৭৫(ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি তার দখলের জমি ইজারা দেবেন না, ইজারা দিলে ইজারাভুক্ত জমি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে এবং ইজারা বাতিল বলে গণ্য হবে। ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ২(৭) ধারায় ইজারার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ইজারা অর্থে ‘মুগিড়’ কবুলিয়ত, চাষাবাদ বা দখল নেয়ার স্বীকৃতি এবং ইজারা নেয়ার চুক্তি বোঝাবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি 















