Dhaka ১১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাগুরা সদরের কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫০:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৫৫ Time View

 

মাগুরা সদর উপজেলার কৃষি অফিসার তোজাম্মেল হোসেনের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি গাড়ি বেয়াইনিভাবে ব্যবহার থেকে শুরু করে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রি, কৃষি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও কৃষকদের প্রাপ্য সুবিধা বঞ্চনার মতো অভিযোগে কৃষক ও সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।যোগদানের পরপরই তিনি সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার শুরু করেন। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রি ,২০২৫ সালের ২৯ মে সরকার ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রি ও রোপণ নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং সরকার ভূতুকি দিয়ে তা ধংস করার জন্য আদেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে তোজাম্মেল হোসেন বিভিন্ন নার্সারির মাধ্যমে এসব নিষিদ্ধ চারা বিক্রির সুযোগ দিয়েছেন।কৃষকদের প্রাপ্য সুবিধা না দেওয়া আলাইপুর, সত্যপুর, অঙ্গারদহ ও বরই ব্লকের কৃষকরা অভিযোগ করেন, প্রদর্শনী প্রকল্পে তারা শুধু সাইনবোর্ড, সামান্য কিছু চারা ও সার পেয়েছেন। কিন্তু প্রকল্প অনুযায়ী পর্যাপ্ত চারা, সার, পরিচর্যা খরচ ও জৈব নাশক দেওয়ার কথা থাকলেও কিছুই পাননি। কলা চাষিরা ব্যাগিং সিস্টেমের ব্যাগও পাননি।আলাইপুর ব্লকের কৃষক ভক্ত জনান কৃষি অফিসার এর কাছে সেবার জন্য গেলে সে আমাদের সাথে খারাপ আচারণ করেন। এবং কৃষকেদের ডেকে দুপুরের খাবার খাওয়াতে বলেন।নাসির এগ্রো ফার্মের মালিক , নাসির জানান কৃষি উদ্বোক্তা হিসাবে কোন সাহায্য পাই নাই বরং তার ব্যবহার ভালো নয়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান, পারিবারিক পুষ্টি বাগানের ৩৪০টি প্রদর্শনী দেওয়ার কথা থাকলেও কোনোটি দেওয়া হয়নি। বরং বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব তাজুল ইসলাম অভিযুক্ত কৃষি অফিসারকে শোকজ নোটিশ ইস্যু করেন।অভিযোগ রয়েছে, জেলার ১৪ জন বিসিআইসি সার ডিলারের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় করেন তিনি। ফলে ডিলাররা উচ্চ দামে সার বিক্রি ও কালোবাজারিতে জড়িয়ে পড়েছেন।যার কারনে কৃষরা চড়া দামে সার কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বক্তব্য

 

উপপরিচালক তাইজুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষি অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাক্ষাৎ দেননি এবং ফোনও রিসিভ করেননি বার বার চেষ্টার ফলে তার সাথে কথা বলার পর জানান আমার বিরদ্ধে কেউ ষড়যন্ত্র করছে এসব বিষয় আমি কিছুই জানি না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

admin

রাজশাহীতে মাকে খুন করে রাস্তায় ফেলে গেল ছেলে

error: Content is protected !!

মাগুরা সদরের কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

Update Time : ০৬:৫০:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

মাগুরা সদর উপজেলার কৃষি অফিসার তোজাম্মেল হোসেনের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি গাড়ি বেয়াইনিভাবে ব্যবহার থেকে শুরু করে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রি, কৃষি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও কৃষকদের প্রাপ্য সুবিধা বঞ্চনার মতো অভিযোগে কৃষক ও সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।যোগদানের পরপরই তিনি সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার শুরু করেন। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রি ,২০২৫ সালের ২৯ মে সরকার ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রি ও রোপণ নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং সরকার ভূতুকি দিয়ে তা ধংস করার জন্য আদেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে তোজাম্মেল হোসেন বিভিন্ন নার্সারির মাধ্যমে এসব নিষিদ্ধ চারা বিক্রির সুযোগ দিয়েছেন।কৃষকদের প্রাপ্য সুবিধা না দেওয়া আলাইপুর, সত্যপুর, অঙ্গারদহ ও বরই ব্লকের কৃষকরা অভিযোগ করেন, প্রদর্শনী প্রকল্পে তারা শুধু সাইনবোর্ড, সামান্য কিছু চারা ও সার পেয়েছেন। কিন্তু প্রকল্প অনুযায়ী পর্যাপ্ত চারা, সার, পরিচর্যা খরচ ও জৈব নাশক দেওয়ার কথা থাকলেও কিছুই পাননি। কলা চাষিরা ব্যাগিং সিস্টেমের ব্যাগও পাননি।আলাইপুর ব্লকের কৃষক ভক্ত জনান কৃষি অফিসার এর কাছে সেবার জন্য গেলে সে আমাদের সাথে খারাপ আচারণ করেন। এবং কৃষকেদের ডেকে দুপুরের খাবার খাওয়াতে বলেন।নাসির এগ্রো ফার্মের মালিক , নাসির জানান কৃষি উদ্বোক্তা হিসাবে কোন সাহায্য পাই নাই বরং তার ব্যবহার ভালো নয়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান, পারিবারিক পুষ্টি বাগানের ৩৪০টি প্রদর্শনী দেওয়ার কথা থাকলেও কোনোটি দেওয়া হয়নি। বরং বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব তাজুল ইসলাম অভিযুক্ত কৃষি অফিসারকে শোকজ নোটিশ ইস্যু করেন।অভিযোগ রয়েছে, জেলার ১৪ জন বিসিআইসি সার ডিলারের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় করেন তিনি। ফলে ডিলাররা উচ্চ দামে সার বিক্রি ও কালোবাজারিতে জড়িয়ে পড়েছেন।যার কারনে কৃষরা চড়া দামে সার কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বক্তব্য

 

উপপরিচালক তাইজুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষি অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাক্ষাৎ দেননি এবং ফোনও রিসিভ করেননি বার বার চেষ্টার ফলে তার সাথে কথা বলার পর জানান আমার বিরদ্ধে কেউ ষড়যন্ত্র করছে এসব বিষয় আমি কিছুই জানি না।