Dhaka ০৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রবিবার – লক্ষ্মী পূজা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২
  • ৪৯৭ Time View

শরৎ বাঙালির সেরা ঋতু না হলেও আনন্দ, উপাচারে এর ডালি যেন উপচে পড়ে। সনাতন ধর্মের মানুষের সবচেয়ে বড়ো আনন্দ আয়োজন দুর্গোৎসব উদযাপন হয় এই শরতে।

আর এই উৎসব উদাপন শেষে দুর্গা যখন পরিবার সমেত কৈলাশে পা বাড়ান তখন আসে শরৎ পূর্ণিমা। আশ্বিনের এই পূর্ণিমাকে বলা হয় কোজাগরী। এই দিন পূজিত হন ধনদেবী লক্ষ্মী।

রোববার (৯ অক্টোবর) সনাতন ধর্মের মানুষদের ঘরে ঘরে পূজিত হবে লক্ষ্মী। এ দিন দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুর আশির্বাদ পেতে পূজা অর্চনা ও উপবাস রাখা হয়।

ধর্মীয় বিশ্বাস, কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে দেবীর আরাধনা করলে তিনি প্রসন্ন হন। মনে করা হয়, এদিন দেবী স্বর্গ থেকে নেমে আসেন, তার আরাধনা করলে দেবী তাকে আশির্বাদ করেন।

লক্ষ্মীপূজায় ঘরে ঘরে আঁকা হয় নানা আলপনা। এই পূজাতে মূল আল্পনার সঙ্গে বাড়ি জুড়ে আঁকা হয় ধানের ছড়া, মুদ্রা, আর মা লক্ষ্মীর পায়ের ছাপের ছবি। এই প্রতীকগুলি পূজার মহত্ত্ব যেমন ব্যাখ্যা করে, তেমনই পূজার আচারের একটা অংশ হয়ে উঠেছে এই বিশেষ ধরনের আলপনা।

চাল, অন্ন, খাদ্যশস্য হলো লক্ষ্মীর প্রতীক। তাই যারা খাদ্য অপচয় করেন, তাদের ওপর দেবী লক্ষ্মী কখনোই তুষ্ট হন না। ধানক্ষেতের আশেপাশে ইঁদুর বাস করে এবং এরা ধানের ক্ষতি করে থাকে। পেঁচক বা পেঁচার আহার হলো এই ইঁদুর। গোলাঘরকে লক্ষ্মীর প্রতীক বলা হয়। গোলাঘরের আশেপাশে ইঁদুরের বসবাস। পেঁচা এই ইঁদুরকে খেয়ে খাদ্যশস্য রক্ষা করে। তাই লক্ষ্মীর বাহন পেঁচা।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় তেল বাণিজ্য, মোহনপুরে উপজেলা প্রশাসনকে দুষছেন জনতা

error: Content is protected !!

রবিবার – লক্ষ্মী পূজা

Update Time : ১১:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২

শরৎ বাঙালির সেরা ঋতু না হলেও আনন্দ, উপাচারে এর ডালি যেন উপচে পড়ে। সনাতন ধর্মের মানুষের সবচেয়ে বড়ো আনন্দ আয়োজন দুর্গোৎসব উদযাপন হয় এই শরতে।

আর এই উৎসব উদাপন শেষে দুর্গা যখন পরিবার সমেত কৈলাশে পা বাড়ান তখন আসে শরৎ পূর্ণিমা। আশ্বিনের এই পূর্ণিমাকে বলা হয় কোজাগরী। এই দিন পূজিত হন ধনদেবী লক্ষ্মী।

রোববার (৯ অক্টোবর) সনাতন ধর্মের মানুষদের ঘরে ঘরে পূজিত হবে লক্ষ্মী। এ দিন দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুর আশির্বাদ পেতে পূজা অর্চনা ও উপবাস রাখা হয়।

ধর্মীয় বিশ্বাস, কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে দেবীর আরাধনা করলে তিনি প্রসন্ন হন। মনে করা হয়, এদিন দেবী স্বর্গ থেকে নেমে আসেন, তার আরাধনা করলে দেবী তাকে আশির্বাদ করেন।

লক্ষ্মীপূজায় ঘরে ঘরে আঁকা হয় নানা আলপনা। এই পূজাতে মূল আল্পনার সঙ্গে বাড়ি জুড়ে আঁকা হয় ধানের ছড়া, মুদ্রা, আর মা লক্ষ্মীর পায়ের ছাপের ছবি। এই প্রতীকগুলি পূজার মহত্ত্ব যেমন ব্যাখ্যা করে, তেমনই পূজার আচারের একটা অংশ হয়ে উঠেছে এই বিশেষ ধরনের আলপনা।

চাল, অন্ন, খাদ্যশস্য হলো লক্ষ্মীর প্রতীক। তাই যারা খাদ্য অপচয় করেন, তাদের ওপর দেবী লক্ষ্মী কখনোই তুষ্ট হন না। ধানক্ষেতের আশেপাশে ইঁদুর বাস করে এবং এরা ধানের ক্ষতি করে থাকে। পেঁচক বা পেঁচার আহার হলো এই ইঁদুর। গোলাঘরকে লক্ষ্মীর প্রতীক বলা হয়। গোলাঘরের আশেপাশে ইঁদুরের বসবাস। পেঁচা এই ইঁদুরকে খেয়ে খাদ্যশস্য রক্ষা করে। তাই লক্ষ্মীর বাহন পেঁচা।