রাজশাহীতে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দুপক্ষের মাঝে সংঘর্ষ। গত ২১ নভেম্বর সকালে দু পক্ষের মাঝে এ সংঘর্ষ ঘটে। এতে বাদী পক্ষের চারজন গুরুতর আহত হয়। মামলার এজাহারে জানা যায়, বাদী মোসা: রুনা বেগম এজাহারে বর্ণনা করেন, বাড়ীর উত্তর পাশে আমাদের নিম্ন তফশিল ভুক্ত জমিতে আমার স্বামী মোঃ মফেজ সরদার (৫৫), বড় ভাসুর সৈয়দ আলী (৬৩), মেঝ ভাসুর মোঃ ময়েদ আলী (৬০), দেবর মোঃ প্রতি আফাজ (৪০) এবং ছোট দেবর মোঃ আক্কাস (৩৬) সহ গম রোপন করতে লাগলে উপরোক্ত বিবাদীগন আমাদের জমিতে অবৈধ ভাবে প্রবেশ করে তাদের গম রোপন করতে বাধা দেয়। বড় ভাসুর সৈয়দ আলী কারণ জানতে চাইলে ১নং বিবাদীর হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মেঝ ভাসুর মোঃ ময়েদ আলী (৬০) এর মাথার বাম পাশে কোপ দিয়ে গুরুত্ব রক্তাত্ত জখম করে এবং হুকুম প্রদান করে শালাদের মার। তখন ২নং, ৩নং ও ২নং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মেরে রক্তাক্ত জখম করে। ৫নং বিবাদীর ১০ হাতে থাকা কোদাল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার দেবর মোঃ আফাজ (৪০) এর বাম চোখের নিচে কোপ দিয়ে ৩ গুরুত্ব রক্তাত্ত জখম করে এবং ৬নং বিবাদীর হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে মাথার সামনের অংশে আঘাত করে গুরুত্ব স্নক্তাত্ত জখম করে। ৭নং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার সাবল দ্বারা আমার ছোট দেবর মোঃ আক্কাস (৩৬) এর ডান ৭ হাতের হানার উপর মেরে হানার হাড় ভেঙ্গে ফেলে এবং ৮নং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা তার বাম হাতের কুনুর উপর মেরে কুনুর হাড় ভেঙ্গে ফেলে। আমার ভাসুরের ছেলে মোঃ মাসুদ (৩৫) এগিয়ে আসলে ৯নং -মর্ধবাদীর হাতে থাকা কোদাল দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে তার মাথার পিছনে মেরে রক্তাক্ত গুরুত্বর কাটা জখম করে এবং ১ ১০নং নং বিবাদীর হাতে থাকা বাশের লাঠি দ্বারা আমার বড় ভাসুর সৈয়দ আলী এবং ১১নং বিবাদী লাঠি দ্বারা তার ছেলে মাসুদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে মেরে গুরত্ব জখম করে। ১২ নং বিবাদী হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা আমার স্বামী মোঃ মফেজ সরদারকে এলোপাতারি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলা ফোলা জখম করে। সাক্ষী-১। মোঃ এরাদ (৩২), পিতা-মোঃ সের আলী, ২। মোঃ আমজাদ (৩০), পিতা-মোঃ আঃ রাজ্জাক, ৩। মোঃ মতিউর (২২), পিতা-মোঃ মফেজ, সর্ব সাং–বেড়াবাড়ী, থানা-মোহনপুর, জেলা- রাজশাহীসহ আরো অনেকেই এগিয়ে আসলে উক্ত বিবাদীগন আমাদের প্রান নাশের হুমকি সহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান করে যাবার সময় পাশের জমি থাকা ২০টি কলা গাছ আমা গাছ ৫টি কেটে প্রায় ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকার ক্ষতি সাধন করে। সাক্ষীদের – সহযোগীতায় আমি এবং আমার ভাসুরের ছেলে জাসুদ (৩০) তাদেরকে মাহিন্দ্রা যোগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। চিকিৎসা কাজে ব্যস্ত থাকায় এবং আমার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের সহিত আলোচনা করিয়া থানা আসিয়া অভিযোগ দায়ের করি।