
‘সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে কোনো প্রকার প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। তবে ভোটাররা যাতে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, সেই লক্ষ্যে তাঁদের উদ্বুদ্ধ করার কাজ করবেন সরকারি চাকুরেরা।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক।
গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করার বিষয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী কোনো পক্ষের হয়ে প্রচারে নামবেন না। একটি নিরপেক্ষ ভোট আয়োজন এবং জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য গণভোটের ব্যাপক প্রচারে গণমাধ্যমকর্মীদেরও সম্পৃক্ত হতে হবে।’
বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদের নারী ভোটাররা যাতে গণভোটের বিষয়টি সহজে বুঝতে পারেন এবং কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সেই অনুযায়ী প্রচারকৌশল সাজানোর নির্দেশনা দেন সচিব।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে সভায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এর আগে সচিব রাজশাহীতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা বিষয়ে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।
উক্ত সভায় বিভাগীয় কমিশনার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, পিআইডির উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. তৌহিদুজ্জামান প্রমুখ।
Reporter Name 


















