Dhaka ০৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসতে চায় বগুড়ার রিমন

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসতে চায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত বগুড়ার কৃতি সন্তান তানভীর আলম রিমন। ছাত্র রাজনীতির তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ইতিহাস এবং দলের প্রতি তাঁর অবিচল আনুগত্য তাঁকে কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদারে পরিণত করেছে। রিমনের রাজনৈতিক জীবনের দিকে তাকালে দেখা যায়, তিনি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক এক পরিবার থেকে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর পিতা এ্যাডভোকেট মোঃ রফিক-উল আলম জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের একজন সম্মানিত সদস্য, যাঁর অনুপ্রেরণা রিমনের রাজনৈতিক সত্তাকে শাণিত করেছে। এছাড়াও রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল তাঁর বড় ভাই, যাঁর সাহচর্যে রাজপথের কঠিন লড়াইয়ে রিমন নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলেছেন।

তানভীর আলম রিমনের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় ২০০২ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে। ২০০২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি ছাত্রদলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে বগুড়ায় ছাত্রদল করার সময় অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র রাজনীতি শেষ করে তিনি নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাথে সম্পৃক্ত করেন এবং সেখানেও নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। তিনি স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক ‘বাবু-জুয়েল’ কমিটিতে মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন। এছাড়াও ‘সহেল-সফু’ নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় কমিটিতেও তিনি সদস্য হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর এই দীর্ঘকালীন সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা তাঁকে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এক বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত নেতার স্বীকৃতি দিয়েছে।
রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তানভীর আলম রিমন একজন সুশিক্ষিত নেতা হিসেবেও সমাদৃত। তিনি বিএসসি (ই.ঝপ) এবং বিএসএড (ই.ঝ.ঊফ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন, যা তাঁর নেতৃত্বের মানকে আরও উচ্চতা প্রদান করেছে। মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে তাঁর সাহসিকতার বহু উদাহরণ রয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচিতে তাঁকে বগুড়ার রাজপথে সক্রিয় অবস্থায় দেখা গেছে। বগুড়ার কলোনি এলাকায় একবার হরতাল চলাকালীন দুই পুলিশ সদস্যের রিকশা পথরোধ করে সাহসিকতার সাথে প্রতিবাদ জানানোর ঘটনায় তিনি দেশজুড়ে পরিচিতি পান। রিমনের এই তেজস্বী নেতৃত্ব প্রমাণ করে যে, দলের প্রয়োজনে তিনি যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রাজপথে লড়তে প্রস্তুত।
বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে তাঁর রয়েছে নাড়ির টান। সাধারণ কর্মীদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং দলের আদর্শ প্রচারে তাঁর নিরলস পরিশ্রম তাঁকে তৃণমূলেও জনপ্রিয় করে তুলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক দলকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করতে রিমনের মতো ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। দীর্ঘ প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা রিমনকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে যথাযোগ্য স্থানে পদায়ন করা হলে তা কেবল দলের জন্য নয়, বরং তৃণমূলের কর্মীদের মাঝেও নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। দলের চরম দুঃসময়ে রাজপথে লড়াই করা এবং অসংখ্য হামলা-মামলার শিকার হওয়া এই নেতা বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেতে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমর্থন লাভ করছেন। বিএনপির আগামী দিনের আন্দোলনকে সফল করতে বগুড়ার এই লড়াকু সৈনিককে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন জাতীয়তাবাদী পরিবারের সদস্যরা।

সুমন সরদার বগুড়া।

Tag :
About Author Information

Alauddin Mondal

জনপ্রিয়

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসতে চায় বগুড়ার রিমন

error: Content is protected !!

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসতে চায় বগুড়ার রিমন

Update Time : ০৫:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসতে চায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত বগুড়ার কৃতি সন্তান তানভীর আলম রিমন। ছাত্র রাজনীতির তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ইতিহাস এবং দলের প্রতি তাঁর অবিচল আনুগত্য তাঁকে কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদারে পরিণত করেছে। রিমনের রাজনৈতিক জীবনের দিকে তাকালে দেখা যায়, তিনি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক এক পরিবার থেকে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর পিতা এ্যাডভোকেট মোঃ রফিক-উল আলম জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের একজন সম্মানিত সদস্য, যাঁর অনুপ্রেরণা রিমনের রাজনৈতিক সত্তাকে শাণিত করেছে। এছাড়াও রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল তাঁর বড় ভাই, যাঁর সাহচর্যে রাজপথের কঠিন লড়াইয়ে রিমন নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলেছেন।

তানভীর আলম রিমনের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় ২০০২ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে। ২০০২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি ছাত্রদলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে বগুড়ায় ছাত্রদল করার সময় অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র রাজনীতি শেষ করে তিনি নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাথে সম্পৃক্ত করেন এবং সেখানেও নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। তিনি স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক ‘বাবু-জুয়েল’ কমিটিতে মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন। এছাড়াও ‘সহেল-সফু’ নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় কমিটিতেও তিনি সদস্য হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর এই দীর্ঘকালীন সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা তাঁকে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এক বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত নেতার স্বীকৃতি দিয়েছে।
রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তানভীর আলম রিমন একজন সুশিক্ষিত নেতা হিসেবেও সমাদৃত। তিনি বিএসসি (ই.ঝপ) এবং বিএসএড (ই.ঝ.ঊফ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন, যা তাঁর নেতৃত্বের মানকে আরও উচ্চতা প্রদান করেছে। মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে তাঁর সাহসিকতার বহু উদাহরণ রয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচিতে তাঁকে বগুড়ার রাজপথে সক্রিয় অবস্থায় দেখা গেছে। বগুড়ার কলোনি এলাকায় একবার হরতাল চলাকালীন দুই পুলিশ সদস্যের রিকশা পথরোধ করে সাহসিকতার সাথে প্রতিবাদ জানানোর ঘটনায় তিনি দেশজুড়ে পরিচিতি পান। রিমনের এই তেজস্বী নেতৃত্ব প্রমাণ করে যে, দলের প্রয়োজনে তিনি যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রাজপথে লড়তে প্রস্তুত।
বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে তাঁর রয়েছে নাড়ির টান। সাধারণ কর্মীদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং দলের আদর্শ প্রচারে তাঁর নিরলস পরিশ্রম তাঁকে তৃণমূলেও জনপ্রিয় করে তুলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক দলকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করতে রিমনের মতো ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। দীর্ঘ প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা রিমনকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে যথাযোগ্য স্থানে পদায়ন করা হলে তা কেবল দলের জন্য নয়, বরং তৃণমূলের কর্মীদের মাঝেও নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। দলের চরম দুঃসময়ে রাজপথে লড়াই করা এবং অসংখ্য হামলা-মামলার শিকার হওয়া এই নেতা বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেতে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমর্থন লাভ করছেন। বিএনপির আগামী দিনের আন্দোলনকে সফল করতে বগুড়ার এই লড়াকু সৈনিককে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন জাতীয়তাবাদী পরিবারের সদস্যরা।

সুমন সরদার বগুড়া।