Dhaka ১১:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ ৭ ডিসেম্বর মাগুরা মুক্ত দিবস

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৮২ Time View

আজ রবিবার, ৭ ডিসেম্বর মাগুরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকহানাদার মুক্ত হয় মাগুরা। মাগুরাকে শত্রুমুক্ত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সৈন্য ও স্থানীয় রাজাকার আলবদর বাহিনীর সঙ্গে প্রাণপণ যুদ্ধ করেন। পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে তৎকালীন মাগুরা মহকুমায় ব্যাপক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। মাগুরাকে শত্রু মুক্ত করতে শ্রীপুরের আকবর হোসেন মিয়ার নেতৃত্বাধীন শ্রীপুর বাহিনী, মহম্মদপুরের ইয়াকুব বাহিনী, মহম্মদপুর-ফরিদপুর অঞ্চলের মাশরুরুল হক সিদ্দিকী কমল বাহিনী, মাগুরা শহরের খন্দকার মাজেদ বাহিনী এবং লিয়াকত হোসেনের নেতৃত্বে মুজিব বাহিনীসহ বীর মুক্তিযোদ্ধারা ব্যাপক সাহসী ভূমিকা নিয়ে পাক সেনা ও স্থানীয় রাজাকার আল বদর বাহিনীর সাথে প্রাণপণ যুদ্ধ করে। গেরিলা বাহিনীর ব্যাপক আক্রমণের মুখে পাক বাহিনী পিছু হটতে শুরু করে। ৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্র বাহিনী নিজনান্দুয়ালী গ্রামসহ বিভিন্ন পাকিস্তানি ক্যাম্পে আক্রমণ চালায়। ভয়ে পাকিস্তানি সেনারা রাতারাতি মাগুরা শহর ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ৭ ডিসেম্বর মাগুরা শত্রুমুক্তির আনন্দে সারা শহরে মানুষের ঢল নামে। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা মাগুরা।
পরে মাগুরা নোমানী ময়দানে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সম্মিলিত কুচকাওয়াজে মাগুরাকে পাক হানাদারমুক্ত বলে ঘোষণা করা হয়।

Tag :
About Author Information

admin

রাজশাহীর পবায় অনুমতি ছাড়াই সরকারি গাছের ডাল কাটার অভিযোগ, স্থানীয়দের ক্ষোভ

আজ ৭ ডিসেম্বর মাগুরা মুক্ত দিবস

Update Time : ০২:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

আজ রবিবার, ৭ ডিসেম্বর মাগুরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকহানাদার মুক্ত হয় মাগুরা। মাগুরাকে শত্রুমুক্ত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সৈন্য ও স্থানীয় রাজাকার আলবদর বাহিনীর সঙ্গে প্রাণপণ যুদ্ধ করেন। পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে তৎকালীন মাগুরা মহকুমায় ব্যাপক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। মাগুরাকে শত্রু মুক্ত করতে শ্রীপুরের আকবর হোসেন মিয়ার নেতৃত্বাধীন শ্রীপুর বাহিনী, মহম্মদপুরের ইয়াকুব বাহিনী, মহম্মদপুর-ফরিদপুর অঞ্চলের মাশরুরুল হক সিদ্দিকী কমল বাহিনী, মাগুরা শহরের খন্দকার মাজেদ বাহিনী এবং লিয়াকত হোসেনের নেতৃত্বে মুজিব বাহিনীসহ বীর মুক্তিযোদ্ধারা ব্যাপক সাহসী ভূমিকা নিয়ে পাক সেনা ও স্থানীয় রাজাকার আল বদর বাহিনীর সাথে প্রাণপণ যুদ্ধ করে। গেরিলা বাহিনীর ব্যাপক আক্রমণের মুখে পাক বাহিনী পিছু হটতে শুরু করে। ৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্র বাহিনী নিজনান্দুয়ালী গ্রামসহ বিভিন্ন পাকিস্তানি ক্যাম্পে আক্রমণ চালায়। ভয়ে পাকিস্তানি সেনারা রাতারাতি মাগুরা শহর ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ৭ ডিসেম্বর মাগুরা শত্রুমুক্তির আনন্দে সারা শহরে মানুষের ঢল নামে। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা মাগুরা।
পরে মাগুরা নোমানী ময়দানে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সম্মিলিত কুচকাওয়াজে মাগুরাকে পাক হানাদারমুক্ত বলে ঘোষণা করা হয়।