ঈদুল আজহার পর করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে: ডা. নজরুল ইসলাম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০
  • ৭৮০ Time View

অনলাইন ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য এবং করোনা বিষয়ক টেকনিক্যাল কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সবার সচেতনতা ছাড়া এ মুহূর্তে কোনো বিকল্প নেই। কোরবানি ঈদের পর দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের উদ্যোগে শুক্রবার (৩ জুলাই) ‘করোনা পরিস্থিতি, স্বাস্থ্যসেবা ও জাতীয় বাজেট : বর্তমান প্রেক্ষাপট ও করণীয়’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম আবু সাঈদের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. কাজী রকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক ডা. এইচ এম ফারুকী।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব (সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন-বিএমএ এবং আহ্বায়ক ডক্টরস প্লাটফর্ম ফর পিপল’স হেলথ), অধ্যাপক ডা. নাজমুন নাহার (বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও সাবেক সভাপতি ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট), অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম (উপদেষ্টা, করোনা বিষয়ক টেকনিক্যাল কমিটি), অধ্যাপক ডা. চন্দন কান্তি দাস (সহ-সভাপতি, ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট), অধ্যাপক ডা. শাকিল আখতার, ডা. এ কে এম আরিফ উদ্দিন আহমেদ, ডা. রোকেয়া খাতুন ও ডা. আব্দুল আজিজ প্রমুখ।

অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতিবাজদের বিল বন্ধ করে দেয়াটাই সমাধান নয়। দুর্নীতিবাজদের বিচার করাটাই মুখ্য বিষয়। স্বাস্থ্যসরঞ্জামের সরবরাহ ঠিক রাখাটাও প্রয়োজন। তা না হলে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়বে।’

সংবাদ সম্মেলন থেকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কয়েকটি দাবি উপস্থাপনসহ স্বাস্থ্য খাতের বাজেট সম্পর্কে বেশকিছু প্রস্তাবনা ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

প্রস্তাবনায় বলা হয়, কোভিড-১৯ কে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ ঘোষণা, বিনামূল্যে কোভিড-১৯ এর নমুনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা, সকল সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালসমূহকে রিকুইজিশন করে কোভিড ও নন-কোভিড চিকিৎসার ব্যবস্থা, জরুরি ভিত্তিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগ, অবিলম্বে মানসম্মত র‌্যাপিড টেস্ট কিট বিনামূল্যে আপামর জনগণের জন্য উন্মুক্ত, একযোগে সারা দেশব্যাপী কোভিড-১৯ অত্যাধিক আক্রান্ত এলাকাসমূহে (রেডজোন) লকডাউন দৃঢ়ভাবে চালু রেখে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, ইজারাদারদের পকেট ভারি করার কোরবানির হাট বসানোর সরকারি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মিজানুর রহমান মিনুকে মন্ত্রী পরিষদে দেখতে চান রাজশাহী বাসি

error: Content is protected !!

ঈদুল আজহার পর করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে: ডা. নজরুল ইসলাম

Update Time : ০৮:১০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য এবং করোনা বিষয়ক টেকনিক্যাল কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সবার সচেতনতা ছাড়া এ মুহূর্তে কোনো বিকল্প নেই। কোরবানি ঈদের পর দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের উদ্যোগে শুক্রবার (৩ জুলাই) ‘করোনা পরিস্থিতি, স্বাস্থ্যসেবা ও জাতীয় বাজেট : বর্তমান প্রেক্ষাপট ও করণীয়’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম আবু সাঈদের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. কাজী রকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক ডা. এইচ এম ফারুকী।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব (সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন-বিএমএ এবং আহ্বায়ক ডক্টরস প্লাটফর্ম ফর পিপল’স হেলথ), অধ্যাপক ডা. নাজমুন নাহার (বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও সাবেক সভাপতি ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট), অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম (উপদেষ্টা, করোনা বিষয়ক টেকনিক্যাল কমিটি), অধ্যাপক ডা. চন্দন কান্তি দাস (সহ-সভাপতি, ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট), অধ্যাপক ডা. শাকিল আখতার, ডা. এ কে এম আরিফ উদ্দিন আহমেদ, ডা. রোকেয়া খাতুন ও ডা. আব্দুল আজিজ প্রমুখ।

অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতিবাজদের বিল বন্ধ করে দেয়াটাই সমাধান নয়। দুর্নীতিবাজদের বিচার করাটাই মুখ্য বিষয়। স্বাস্থ্যসরঞ্জামের সরবরাহ ঠিক রাখাটাও প্রয়োজন। তা না হলে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়বে।’

সংবাদ সম্মেলন থেকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কয়েকটি দাবি উপস্থাপনসহ স্বাস্থ্য খাতের বাজেট সম্পর্কে বেশকিছু প্রস্তাবনা ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

প্রস্তাবনায় বলা হয়, কোভিড-১৯ কে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ ঘোষণা, বিনামূল্যে কোভিড-১৯ এর নমুনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা, সকল সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালসমূহকে রিকুইজিশন করে কোভিড ও নন-কোভিড চিকিৎসার ব্যবস্থা, জরুরি ভিত্তিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগ, অবিলম্বে মানসম্মত র‌্যাপিড টেস্ট কিট বিনামূল্যে আপামর জনগণের জন্য উন্মুক্ত, একযোগে সারা দেশব্যাপী কোভিড-১৯ অত্যাধিক আক্রান্ত এলাকাসমূহে (রেডজোন) লকডাউন দৃঢ়ভাবে চালু রেখে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, ইজারাদারদের পকেট ভারি করার কোরবানির হাট বসানোর সরকারি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার।