Dhaka ০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে টাওয়ার তৈরিসহ সিকিউরিটি পদে চাকরি দেয়ার নামে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ টাকা ও চেক ফিরিয়ে পেতে আদালতে পৃথক দুটি মামলা

 

কেশবপুরে মোবাইল টাওয়ারের সিকিউরিটি পদে চাকরি দেয়ার নামে ও তার জমিতে টাওয়ার তৈরির কথা বলে ২০১৯ সালে ১০ লাখ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছে এক প্রতারক বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চাকরি না পাওয়ায় টাকা ও চেক ফিরে পেতে প্রতারক ব্যক্তির বিরম্নদ্ধে আসলাম মোলস্না বাদি হয়ে যশোর বিঞ্জ আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে।আদালতে মামলার বিবরণ সুত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার ৮ নং সুফলাকাটি ইউনিয়নের হাড়িয়াঘোপ গ্রামের রজব আলী মোল্যার ছেলে আসলাম মোলস্নার এক বিঘা জমির উপর মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার তৈরি করে ওই টাওয়ারে সিকিউরিটি পদে চাকরি দেয়ার নামে একই উপজেলার বেতিখোলা গ্রামের মহাতাব মোলস্নার ছেলে সোহরাব হোসেন মোলস্না কেশবপুর কলাগাছি বাজারের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখা থেকে মোট ১০ লাখ টাকা গ্রহন করেন। সিকিউরিটির গার্ডের চাকুরিতে সে বেতন পাবে ১০ হাজার ও টাওয়ারের ভাড়া বাবদ ২০ হাজার মোট ৩০ হাজার টাকা পাবে ও ১০ বছর পর এককালীন ২১ লাখ টাকা পাবে। এ সময়ে আসলাম মোলস্নার নিকট থেকে ১০ টি স্বাক্ষর করা চেকের পাতা গ্রহন করেন প্রতারক সোহরাব হোসেন। এর পর প্রতারক সোহরাব হোসেন তাদের সাথে সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। তার নিকট টাকা দাবী করলে সে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করছে বলে মামলায় উলেস্নখ করা হয়েছে। এদিকে স্বাক্ষর করা চেক গুলি ফেরত পাওয়ার দাবী করে আসলাম মোলস্না গত ৪/০২/২০২০ তারিখে কেশবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যার নং- ৪৪২। যশোর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন যার নং- পি ৪৭৯ তাং ২৩/০৩/ ২০২১ এবং বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কেশবপুর আমলী আদালতে অপর একটি মামলা দায়ের করেন যার নং- সি আর ১০৮/২০২১। এ ব্যাপারে প্রতারক সোহরাব হোসেনের ০১৭২১-৯৫১২৬৭ নাম্বারে মোবাইল ফোন কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের জানান,আসলাম মোলস্না টাওয়ার তৈরি করতে আমার নিকট থেকে ১০ লাখ টাকা গ্রহন করে ও ১০ টি চেকে টাকার অংক বসানো সাক্ষর করা কলাগাছি বাজারের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখার চেক প্রদান করেন। কিন্তু ব্যাংকে টাকা না থাকায় আমি যশোর আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি। বরং আমার সাথে আসলাম মোলস্না প্রতারনা করেছে।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

​রাজশাহীতে আব্দুল্লাহ মোটর্সের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

কেশবপুরে টাওয়ার তৈরিসহ সিকিউরিটি পদে চাকরি দেয়ার নামে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ টাকা ও চেক ফিরিয়ে পেতে আদালতে পৃথক দুটি মামলা

Update Time : ০৮:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২

 

কেশবপুরে মোবাইল টাওয়ারের সিকিউরিটি পদে চাকরি দেয়ার নামে ও তার জমিতে টাওয়ার তৈরির কথা বলে ২০১৯ সালে ১০ লাখ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছে এক প্রতারক বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চাকরি না পাওয়ায় টাকা ও চেক ফিরে পেতে প্রতারক ব্যক্তির বিরম্নদ্ধে আসলাম মোলস্না বাদি হয়ে যশোর বিঞ্জ আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে।আদালতে মামলার বিবরণ সুত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার ৮ নং সুফলাকাটি ইউনিয়নের হাড়িয়াঘোপ গ্রামের রজব আলী মোল্যার ছেলে আসলাম মোলস্নার এক বিঘা জমির উপর মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার তৈরি করে ওই টাওয়ারে সিকিউরিটি পদে চাকরি দেয়ার নামে একই উপজেলার বেতিখোলা গ্রামের মহাতাব মোলস্নার ছেলে সোহরাব হোসেন মোলস্না কেশবপুর কলাগাছি বাজারের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখা থেকে মোট ১০ লাখ টাকা গ্রহন করেন। সিকিউরিটির গার্ডের চাকুরিতে সে বেতন পাবে ১০ হাজার ও টাওয়ারের ভাড়া বাবদ ২০ হাজার মোট ৩০ হাজার টাকা পাবে ও ১০ বছর পর এককালীন ২১ লাখ টাকা পাবে। এ সময়ে আসলাম মোলস্নার নিকট থেকে ১০ টি স্বাক্ষর করা চেকের পাতা গ্রহন করেন প্রতারক সোহরাব হোসেন। এর পর প্রতারক সোহরাব হোসেন তাদের সাথে সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। তার নিকট টাকা দাবী করলে সে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করছে বলে মামলায় উলেস্নখ করা হয়েছে। এদিকে স্বাক্ষর করা চেক গুলি ফেরত পাওয়ার দাবী করে আসলাম মোলস্না গত ৪/০২/২০২০ তারিখে কেশবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যার নং- ৪৪২। যশোর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন যার নং- পি ৪৭৯ তাং ২৩/০৩/ ২০২১ এবং বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কেশবপুর আমলী আদালতে অপর একটি মামলা দায়ের করেন যার নং- সি আর ১০৮/২০২১। এ ব্যাপারে প্রতারক সোহরাব হোসেনের ০১৭২১-৯৫১২৬৭ নাম্বারে মোবাইল ফোন কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের জানান,আসলাম মোলস্না টাওয়ার তৈরি করতে আমার নিকট থেকে ১০ লাখ টাকা গ্রহন করে ও ১০ টি চেকে টাকার অংক বসানো সাক্ষর করা কলাগাছি বাজারের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখার চেক প্রদান করেন। কিন্তু ব্যাংকে টাকা না থাকায় আমি যশোর আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি। বরং আমার সাথে আসলাম মোলস্না প্রতারনা করেছে।