Dhaka ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীন

কেশবপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। শীতকালীন শাকসবজির দেখা মিললেও এসবের দাম অনেকটাই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্ম আয়ের মানুষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বাজার যেন লাগামহীন। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলোর মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিদিন। শনিবার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, টমেটো ৮০ টাকা থেকে ১শত টাকা, কাঁচা মরিচ ১শ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, ফুলকপি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৭০ টাকা ,বাঁধাকপি৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, লালশাক ৪০ থেকে ৬০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে, পালন শাক ৫৫ টাকা, মুলা ২৫ টাকা থেকে ৩৫ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা, শিম ৮০ থেকে ১০০ টাকা, আলু ১৮ থেকে ২২ টাকা, চাল ও শিশু খাদ্যর দাম বেড়েছে ।এছাড়া ১২ কেজির এলপিজির গ্যাস ১৩১৩ টাকা, সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৬০ টাকা,সরিষার তেল ২২০ টাকা, চিনি ৮০ টাকা, মুসুরির ডাল ১২০ টাকা।সবজি কিনতে আসা সুমন দাস বলেন সবজি কিনতে বাজারে আসলাম ৩শত টাকার বাজার করলাম তারপরও ব্যাগ খালি। হায়দার আলী বলেন দ্রব্যমূল্যে যে ভাবে বাড়ছে তাতে আমাদের মতন সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এখন প্রয়োজন প্রশাসনের বাজার মনির্টারিং । সবজিবিক্রেতা অসীত কুমার ও নিবাস দাশ বলেন, গত বছরের তুলনায় প্রতিটি সবজির দাম একটু বেড়েছে। পাইকারি বাজারেও দাম বেশি। যে কারণে সবজির দাম বেড়েছে। উৎপাদন বাড়লে দাম কমে যাবে।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

বাগমারায় দিন দুপুরে রাস্তায় ধরে ছিনতাই এর অভিযোগ

error: Content is protected !!

কেশবপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীন

Update Time : ১০:২৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ নভেম্বর ২০২১

কেশবপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। শীতকালীন শাকসবজির দেখা মিললেও এসবের দাম অনেকটাই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্ম আয়ের মানুষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বাজার যেন লাগামহীন। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলোর মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিদিন। শনিবার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, টমেটো ৮০ টাকা থেকে ১শত টাকা, কাঁচা মরিচ ১শ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, ফুলকপি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৭০ টাকা ,বাঁধাকপি৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, লালশাক ৪০ থেকে ৬০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে, পালন শাক ৫৫ টাকা, মুলা ২৫ টাকা থেকে ৩৫ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা, শিম ৮০ থেকে ১০০ টাকা, আলু ১৮ থেকে ২২ টাকা, চাল ও শিশু খাদ্যর দাম বেড়েছে ।এছাড়া ১২ কেজির এলপিজির গ্যাস ১৩১৩ টাকা, সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৬০ টাকা,সরিষার তেল ২২০ টাকা, চিনি ৮০ টাকা, মুসুরির ডাল ১২০ টাকা।সবজি কিনতে আসা সুমন দাস বলেন সবজি কিনতে বাজারে আসলাম ৩শত টাকার বাজার করলাম তারপরও ব্যাগ খালি। হায়দার আলী বলেন দ্রব্যমূল্যে যে ভাবে বাড়ছে তাতে আমাদের মতন সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এখন প্রয়োজন প্রশাসনের বাজার মনির্টারিং । সবজিবিক্রেতা অসীত কুমার ও নিবাস দাশ বলেন, গত বছরের তুলনায় প্রতিটি সবজির দাম একটু বেড়েছে। পাইকারি বাজারেও দাম বেশি। যে কারণে সবজির দাম বেড়েছে। উৎপাদন বাড়লে দাম কমে যাবে।