কেশবপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু

কেশবপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে হাফসা খাতুন (৬) নামে এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণিতে পড়ত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সে ওই গ্রামের হেদায়েতুল ইসলামের মেয়ে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রী হেদায়েতুল ইসলামের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে হাফসা খাতুন ঘরের ভেতর বিদ্যুতে সংযোগ দেওয়া মোবাইলের চার্জারের পিন (মাথা) মুখে নিয়ে কামড়াতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায়। ঘটনার সময় হাফসা খাতুনের বাবা ও মা কেউই বাড়িতে ছিলেন না। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মুক্তাহিরুল হক বলেন, ‘হাফসা খাতুনের বাবা ও মা কেউই বাড়িতে ছিলেন না। শিশুটি বিদ্যুতে সংযোগ দেওয়া মোবাইলের চার্জারর পিন (মাথা) মুখে নেওয়ায় অসাবধনতা অবস্থায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।’ এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় শিশুটির মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে মহম্মদপুর উপজেলায় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময়

error: Content is protected !!

কেশবপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু

Update Time : ১০:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০২২

কেশবপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে হাফসা খাতুন (৬) নামে এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণিতে পড়ত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সে ওই গ্রামের হেদায়েতুল ইসলামের মেয়ে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রী হেদায়েতুল ইসলামের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে হাফসা খাতুন ঘরের ভেতর বিদ্যুতে সংযোগ দেওয়া মোবাইলের চার্জারের পিন (মাথা) মুখে নিয়ে কামড়াতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায়। ঘটনার সময় হাফসা খাতুনের বাবা ও মা কেউই বাড়িতে ছিলেন না। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মুক্তাহিরুল হক বলেন, ‘হাফসা খাতুনের বাবা ও মা কেউই বাড়িতে ছিলেন না। শিশুটি বিদ্যুতে সংযোগ দেওয়া মোবাইলের চার্জারর পিন (মাথা) মুখে নেওয়ায় অসাবধনতা অবস্থায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।’ এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় শিশুটির মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।