Dhaka ০৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে বিল-বলধালি পাড়ের ২০ গ্রামবাসীর মাঝে বন্যা আতংক বিরাজ

 

কেশবপুর সিএন্ডবির রাস্ত্মা তৈরী করতে খোজাখালি নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় বিল-বলধালি নদী পাড়ের ২০ গ্রামের মানুষের মাঝে বন্যা আতংক বিরাজ করছে।
কেশবপুর পৌরসভার হরিহর নদীর হাবিবগঞ্জ ব্রীজের মাথা থেকে বলধালী বলি পর্যন্ত্ম শাখা নদীর নাম খোজাখালি নদী যার প্রসস্ত্ম ৫০ ফিট ও দুরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। কেশবপুর প্রেসক্লাবের পার্শে খোজাখালি নদীর উপর ব্রীজ হতে ভবানীপুর স্স্নুইস গেট পর্যন্ত্ম দুই পাড়ে প্রায় দুই শতাধিক কৃষক পরিবারের বসবাস এবং বলধালী বিলের পাড়ে কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলার হাবাসপোল, ভবানিপুর, মধ্যকুল, মূলগ্রাম, নতুনমূলগ্রাম, কোমরপোল, চালুয়াহাটি, আটঘোরা, গৌরীপুর, রতনদিয়াসহ প্রায় ২০ টি গ্রাম। এই গ্রাম সমুহের বিলসমুহ ও বলধালী বিলের পানি ভবানীপুর স্স্নুইস গেট হয়ে খোজাখালি নদী দিয়ে হরিহর নদীতে পড়ে থেকে। যশোর-চুকনগর ভাইয়া কেশবপুর সড়কটি টু-লেনের সড়ক তৈরী করতে ও কচুরীপনায় ভরে যেয়ে কেশবপুর প্রেসক্লাব হতে ভবানীপুর স্স্নুইস গেট পর্যন্ত্ম প্রায় এক কিলোমিটার খোজাখালি নদী প্রায় ভরাট হয়ে গেছে।তাছাড়া প্রেসক্লাবের সামনে ব্রীজের মাথা হতে খোজাখালি নদীর পশ্চিম পাড়ে বসতি ঘরবাড়ি তৈরি করার সময়ে নদীর চর দখল করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যার কারণে নদীটি প্রায় ভরাট হয়ে ছোট হয়ে গেছে। কেশবপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দপ্তর সুত্রে জানাগেছে, রাস্ত্মাটি প্রসস্ত্ম করতে ২০২১ সালে জমি অধিগ্রহন করতে ২ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছিল। তারপরও জমি অধিগ্রহণ না করে নদী ভরাট করে সিএন্ডবি রাস্ত্মা তৈরী করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয়রা বাড়ি ঘর তৈরী করতে নদীর চর দখল করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে খোজাখালি নদীর পূর্ব পাড়ে সিএন্ডবি রাস্ত্মার পার্শের বাসিন্দারা বাড়ি ঘর তৈরী করতে নদীর চর দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করাসহ রাস্ত্মার পশ্চিম দিকে সরায়ে খোজাখালি নদী ভরাট করে সিএন্ডবির রাস্ত্মাটি টু-লেন তৈরী করতে নদী দখল করে ভরাট করে সিএন্ডবি রাস্ত্মা প্রসস্ত্ম করা হয়েছে। এদিকে নদীর চার দখল করে বাড়ি ঘর তৈরী ও সিএন্ডবির রাস্ত্মা তৈরী করতে যেয়ে খোজাখালি নদীটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বলধালী বিলের পানি সুষ্ঠ নিষ্কাশনে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে বন্যায় পস্নাবিত হয়ে যাওয়ার আশংকা বিরাজ করছে। যার কারণে বলধালী বিল পাড়ের ২০ গ্রামবাসীর মাঝে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বন্যা আতংক বিরাজ করছে। সুষ্ঠ পানি নিষ্কাশনের জন্য নদীটি এই মুহূর্তে খনন করা অতিব জরম্নরি হয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর অভিমত।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

বাগমারায় দিন দুপুরে রাস্তায় ধরে ছিনতাই এর অভিযোগ

error: Content is protected !!

কেশবপুরে বিল-বলধালি পাড়ের ২০ গ্রামবাসীর মাঝে বন্যা আতংক বিরাজ

Update Time : ১০:০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২

 

কেশবপুর সিএন্ডবির রাস্ত্মা তৈরী করতে খোজাখালি নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় বিল-বলধালি নদী পাড়ের ২০ গ্রামের মানুষের মাঝে বন্যা আতংক বিরাজ করছে।
কেশবপুর পৌরসভার হরিহর নদীর হাবিবগঞ্জ ব্রীজের মাথা থেকে বলধালী বলি পর্যন্ত্ম শাখা নদীর নাম খোজাখালি নদী যার প্রসস্ত্ম ৫০ ফিট ও দুরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। কেশবপুর প্রেসক্লাবের পার্শে খোজাখালি নদীর উপর ব্রীজ হতে ভবানীপুর স্স্নুইস গেট পর্যন্ত্ম দুই পাড়ে প্রায় দুই শতাধিক কৃষক পরিবারের বসবাস এবং বলধালী বিলের পাড়ে কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলার হাবাসপোল, ভবানিপুর, মধ্যকুল, মূলগ্রাম, নতুনমূলগ্রাম, কোমরপোল, চালুয়াহাটি, আটঘোরা, গৌরীপুর, রতনদিয়াসহ প্রায় ২০ টি গ্রাম। এই গ্রাম সমুহের বিলসমুহ ও বলধালী বিলের পানি ভবানীপুর স্স্নুইস গেট হয়ে খোজাখালি নদী দিয়ে হরিহর নদীতে পড়ে থেকে। যশোর-চুকনগর ভাইয়া কেশবপুর সড়কটি টু-লেনের সড়ক তৈরী করতে ও কচুরীপনায় ভরে যেয়ে কেশবপুর প্রেসক্লাব হতে ভবানীপুর স্স্নুইস গেট পর্যন্ত্ম প্রায় এক কিলোমিটার খোজাখালি নদী প্রায় ভরাট হয়ে গেছে।তাছাড়া প্রেসক্লাবের সামনে ব্রীজের মাথা হতে খোজাখালি নদীর পশ্চিম পাড়ে বসতি ঘরবাড়ি তৈরি করার সময়ে নদীর চর দখল করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যার কারণে নদীটি প্রায় ভরাট হয়ে ছোট হয়ে গেছে। কেশবপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দপ্তর সুত্রে জানাগেছে, রাস্ত্মাটি প্রসস্ত্ম করতে ২০২১ সালে জমি অধিগ্রহন করতে ২ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছিল। তারপরও জমি অধিগ্রহণ না করে নদী ভরাট করে সিএন্ডবি রাস্ত্মা তৈরী করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয়রা বাড়ি ঘর তৈরী করতে নদীর চর দখল করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে খোজাখালি নদীর পূর্ব পাড়ে সিএন্ডবি রাস্ত্মার পার্শের বাসিন্দারা বাড়ি ঘর তৈরী করতে নদীর চর দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করাসহ রাস্ত্মার পশ্চিম দিকে সরায়ে খোজাখালি নদী ভরাট করে সিএন্ডবির রাস্ত্মাটি টু-লেন তৈরী করতে নদী দখল করে ভরাট করে সিএন্ডবি রাস্ত্মা প্রসস্ত্ম করা হয়েছে। এদিকে নদীর চার দখল করে বাড়ি ঘর তৈরী ও সিএন্ডবির রাস্ত্মা তৈরী করতে যেয়ে খোজাখালি নদীটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বলধালী বিলের পানি সুষ্ঠ নিষ্কাশনে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে বন্যায় পস্নাবিত হয়ে যাওয়ার আশংকা বিরাজ করছে। যার কারণে বলধালী বিল পাড়ের ২০ গ্রামবাসীর মাঝে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বন্যা আতংক বিরাজ করছে। সুষ্ঠ পানি নিষ্কাশনের জন্য নদীটি এই মুহূর্তে খনন করা অতিব জরম্নরি হয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর অভিমত।