ধর্ষণের ৭২ ঘণ্টা পর মামলা না নেওয়ার পরামর্শ বিচারকের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১
  • ৭৪১ Time View

৭২ ঘণ্টা পার হলে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় না। তাই, ৭২ ঘণ্টার পর পুলিশকে মামলা না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় পাঁচ আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার আগে পর্যবেক্ষণে পুলিশকে উল্লিখিত পরামর্শ দেন বিচারক।

বিচারক বলেন, ‘রেইনট্রির ঘটনায় ৩৮ দিন পর মামলা ফাইল করা হয়। ৩৯ দিন পর করা হয় মেডিক্যাল। ভিকটিমদের পোশাকে ধর্ষণর আলামত পাওয়া যায়নি। ধর্ষণ প্রমাণে মেডিক্যাল টেস্ট লাগে, সেখানেও প্রমাণিত হয়নি। বীর্যের উপস্থিতিও পাওয়া যায়নি। তারপরও এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এতে আদালতের টাইম নষ্ট হয়েছে। এসব মামলার কারণে জেনুইন ধর্ষণের মামলায় সঠিক সময়ে বিচার হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘ভিকটিমরা আগে থেকেই ফিজিক্যাল রিলেশনে অভ্যস্ত ছিল। তারা ঘটনার দিন আসামিদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছিল। ৩৮ দিন পরে এসে বলল, ধর্ষণ হয়েছে। আর তদন্ত কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে চার্জশিট দিয়েছে। এতে আদালতের সময় নষ্ট হয়েছে। এ বিষয়ে আমার একটা পর্যবেক্ষণ আছে, তা হলো—৭২ ঘণ্টা পার হলে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় না। এরকম হলে পুলিশকে মামলা না নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।’

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

রাজশাহীতে রেললাইনের জায়গা অবৈধ দখলে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

error: Content is protected !!

ধর্ষণের ৭২ ঘণ্টা পর মামলা না নেওয়ার পরামর্শ বিচারকের

Update Time : ০৬:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

৭২ ঘণ্টা পার হলে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় না। তাই, ৭২ ঘণ্টার পর পুলিশকে মামলা না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় পাঁচ আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার আগে পর্যবেক্ষণে পুলিশকে উল্লিখিত পরামর্শ দেন বিচারক।

বিচারক বলেন, ‘রেইনট্রির ঘটনায় ৩৮ দিন পর মামলা ফাইল করা হয়। ৩৯ দিন পর করা হয় মেডিক্যাল। ভিকটিমদের পোশাকে ধর্ষণর আলামত পাওয়া যায়নি। ধর্ষণ প্রমাণে মেডিক্যাল টেস্ট লাগে, সেখানেও প্রমাণিত হয়নি। বীর্যের উপস্থিতিও পাওয়া যায়নি। তারপরও এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এতে আদালতের টাইম নষ্ট হয়েছে। এসব মামলার কারণে জেনুইন ধর্ষণের মামলায় সঠিক সময়ে বিচার হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘ভিকটিমরা আগে থেকেই ফিজিক্যাল রিলেশনে অভ্যস্ত ছিল। তারা ঘটনার দিন আসামিদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছিল। ৩৮ দিন পরে এসে বলল, ধর্ষণ হয়েছে। আর তদন্ত কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে চার্জশিট দিয়েছে। এতে আদালতের সময় নষ্ট হয়েছে। এ বিষয়ে আমার একটা পর্যবেক্ষণ আছে, তা হলো—৭২ ঘণ্টা পার হলে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় না। এরকম হলে পুলিশকে মামলা না নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।’