বাপা’র সুন্দরবন দিবসের আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে “ডোন্ট ডিস্টার্ব সুন্দরবন” নীতি গ্রহণ করতে হবে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ Time View

বাপা’র সুন্দরবন দিবসের আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে “ডোন্ট ডিস্টার্ব সুন্দরবন” নীতি গ্রহণ করতে হবে

বিশেষ প্রতিনিধি

সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭.০০ টায় নগরীর জন্মভূমি ভবনস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বাপা’র কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা শাখার সমন্বয়কারী অ্যাডঃ মোঃ বাবুল হাওলাদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাপা’র সদস্য যথাক্রমে দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক সরদার আবু তাহের, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডঃ মনিরুজ্জামান, সাবেক ছাত্রনেতা এস এম চন্দন, গণসংহতি আন্দোলনের খুলনা জেলা সদস্য সচিব আসিফ চৌধুরী, নিরাপদ খুলনা চাই এর সভাপতি সরদার বাদশা, কবি নাজমুল তারেক তুষার, দৈনিক চৌকস এর বিভাগীয় সম্পাদক মোঃ শাহীন হাওলাদার, নিরাপদ খুলনা চাই এর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এস, কে রানা আহমেদ, দৈনিক জন্মভূমির স্টাফ রিপোর্টার ইমরুল ইসলাম ইমন, কবি মোঃ রহমত আলী, গণসংহতি আন্দোলনের খুলনা সদর থানা সভাপতি মোঃ শামীম শাহজাহান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এসময় বক্তারা বলেন, সুন্দরবন নিছক অর্থে শুধু বিশ্ব ঐতিহ্যই নয়, পরিবেশ-প্রকৃতি-প্রতিবেশ রক্ষায় এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রাকৃতিক বন। বিশেষত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। এ বনকে সম্পদের উৎস হিসেবে ব্যবহারের কারণে যে নগদ অর্থ উপার্জিত হয়, এটিকে রক্ষা করতে পারলে এর দ্বারা পরিবেশে স্বয়ংক্রীয়ভাবে যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং তার ফলে কৃষি, মৎস্য, গবাদি পশু সর্বোপরি মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় যে ভূমিকা রাখে তার আর্থিক মূল্য অজস্র গুণ বেশী। সুন্দরবন কেন্দ্রীক সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এ অঞ্চলের অনন্য সম্পদ। অথচ সুন্দরবন রক্ষায় সরকার সব সময়ই উদাসীন। সুন্দরবন রক্ষায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহের দায়িত্ব পালনে অবহেলা, দূর্নীতি, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার অভাবের কারণে সুন্দরবন আজ ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য সম্পদ আহরণের অবৈধ মানসে কিছু অসাধুচক্র প্রতিনিয়ত ধ্বংস করছে এর প্রতিবেশ ব্যবস্থা। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে কর্মরত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো কাঙ্খিত ভূমিকা পালন না করায় এসব চক্র আরো বেশী সক্রীয়। বাঘ হত্যা, হরিণ শিকার, বিষ প্রয়োগে মাছ শিকার, অন্যান্য প্রাণী হত্যা, অবৈধভাবে কাঠ কাটা, অপেশাদারদের দ্বারা মধু-গোলপাতা আহরণের কারণে সুন্দরবন আজ তিলে তিলে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বক্তারা বলেন, এ অমূল্য সম্পদ রক্ষা করতে হলে “ডোন্ট ডিস্টার্ব সুন্দরবন” নীতি গ্রহণ করতে হবে।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

বাপা’র সুন্দরবন দিবসের আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে “ডোন্ট ডিস্টার্ব সুন্দরবন” নীতি গ্রহণ করতে হবে

error: Content is protected !!

বাপা’র সুন্দরবন দিবসের আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে “ডোন্ট ডিস্টার্ব সুন্দরবন” নীতি গ্রহণ করতে হবে

Update Time : ১২:২১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাপা’র সুন্দরবন দিবসের আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে “ডোন্ট ডিস্টার্ব সুন্দরবন” নীতি গ্রহণ করতে হবে

বিশেষ প্রতিনিধি

সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭.০০ টায় নগরীর জন্মভূমি ভবনস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বাপা’র কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা শাখার সমন্বয়কারী অ্যাডঃ মোঃ বাবুল হাওলাদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাপা’র সদস্য যথাক্রমে দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক সরদার আবু তাহের, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডঃ মনিরুজ্জামান, সাবেক ছাত্রনেতা এস এম চন্দন, গণসংহতি আন্দোলনের খুলনা জেলা সদস্য সচিব আসিফ চৌধুরী, নিরাপদ খুলনা চাই এর সভাপতি সরদার বাদশা, কবি নাজমুল তারেক তুষার, দৈনিক চৌকস এর বিভাগীয় সম্পাদক মোঃ শাহীন হাওলাদার, নিরাপদ খুলনা চাই এর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এস, কে রানা আহমেদ, দৈনিক জন্মভূমির স্টাফ রিপোর্টার ইমরুল ইসলাম ইমন, কবি মোঃ রহমত আলী, গণসংহতি আন্দোলনের খুলনা সদর থানা সভাপতি মোঃ শামীম শাহজাহান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এসময় বক্তারা বলেন, সুন্দরবন নিছক অর্থে শুধু বিশ্ব ঐতিহ্যই নয়, পরিবেশ-প্রকৃতি-প্রতিবেশ রক্ষায় এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রাকৃতিক বন। বিশেষত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। এ বনকে সম্পদের উৎস হিসেবে ব্যবহারের কারণে যে নগদ অর্থ উপার্জিত হয়, এটিকে রক্ষা করতে পারলে এর দ্বারা পরিবেশে স্বয়ংক্রীয়ভাবে যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং তার ফলে কৃষি, মৎস্য, গবাদি পশু সর্বোপরি মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় যে ভূমিকা রাখে তার আর্থিক মূল্য অজস্র গুণ বেশী। সুন্দরবন কেন্দ্রীক সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এ অঞ্চলের অনন্য সম্পদ। অথচ সুন্দরবন রক্ষায় সরকার সব সময়ই উদাসীন। সুন্দরবন রক্ষায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহের দায়িত্ব পালনে অবহেলা, দূর্নীতি, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার অভাবের কারণে সুন্দরবন আজ ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য সম্পদ আহরণের অবৈধ মানসে কিছু অসাধুচক্র প্রতিনিয়ত ধ্বংস করছে এর প্রতিবেশ ব্যবস্থা। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে কর্মরত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো কাঙ্খিত ভূমিকা পালন না করায় এসব চক্র আরো বেশী সক্রীয়। বাঘ হত্যা, হরিণ শিকার, বিষ প্রয়োগে মাছ শিকার, অন্যান্য প্রাণী হত্যা, অবৈধভাবে কাঠ কাটা, অপেশাদারদের দ্বারা মধু-গোলপাতা আহরণের কারণে সুন্দরবন আজ তিলে তিলে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বক্তারা বলেন, এ অমূল্য সম্পদ রক্ষা করতে হলে “ডোন্ট ডিস্টার্ব সুন্দরবন” নীতি গ্রহণ করতে হবে।