Dhaka ০৬:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহম্মদপুর আদিবাসী পল্লীতে উৎসবমুখর পরিবেশে মতুয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১৮ Time View

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর বাজার সংলগ্ন আদিবাসী পল্লীতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২দিনব্যাপী ৩৫তম বার্ষিক মতুয়া সম্মেলন ও হরিসভা।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে শুধু হয়ে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এ ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

হরিচাঁন্দ মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী কানু সরকার এ ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

সম্মেলনকে ঘিরে হরিচাঁন্দ মন্দির প্রাঙ্গণ পরিণত হয় ভক্ত-অনুরাগীদের মিলনমেলায়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মতুয়া দল, নারী-পুরুষ ভক্ত ও পূজারীদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। কেউ বলছিলেন, “প্রতিটি সম্মেলন আমাদের ভক্তির শক্তিকে আরও জাগ্রত করে।” আবার কেউ জানালেন, “এই মিলনমেলা আমাদের সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে।”

এ বিষয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের নেতা শ্রী কানু সরকার বলেন, “প্রতিবছরের মতো এবারও ভক্তদের আগমনে মন্দির এলাকা উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে।”

হরিসভা কীর্তন, ভক্তসঙ্গ, ধর্মীয় আলোচনা এবং সান্ধ্য পূজার মূল আয়োজন ঘিরে পুরো এলাকায় বিরাজ করে এক অপূর্ব আধ্যাত্মিক আবহ। ভক্তদের উপস্থিতি ও উৎসাহে ৩৫তম এই বার্ষিকী সম্মেলন পরিণত হয় এক মিলনোৎসবে।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

সাংবাদিক নেতার ওপর হামলা, রাতেই হাসপাতালে ছুটে গেলেন যুবদল নেতা রবি

error: Content is protected !!

মহম্মদপুর আদিবাসী পল্লীতে উৎসবমুখর পরিবেশে মতুয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত

Update Time : ১২:২১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর বাজার সংলগ্ন আদিবাসী পল্লীতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২দিনব্যাপী ৩৫তম বার্ষিক মতুয়া সম্মেলন ও হরিসভা।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে শুধু হয়ে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এ ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

হরিচাঁন্দ মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী কানু সরকার এ ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

সম্মেলনকে ঘিরে হরিচাঁন্দ মন্দির প্রাঙ্গণ পরিণত হয় ভক্ত-অনুরাগীদের মিলনমেলায়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মতুয়া দল, নারী-পুরুষ ভক্ত ও পূজারীদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। কেউ বলছিলেন, “প্রতিটি সম্মেলন আমাদের ভক্তির শক্তিকে আরও জাগ্রত করে।” আবার কেউ জানালেন, “এই মিলনমেলা আমাদের সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে।”

এ বিষয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের নেতা শ্রী কানু সরকার বলেন, “প্রতিবছরের মতো এবারও ভক্তদের আগমনে মন্দির এলাকা উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে।”

হরিসভা কীর্তন, ভক্তসঙ্গ, ধর্মীয় আলোচনা এবং সান্ধ্য পূজার মূল আয়োজন ঘিরে পুরো এলাকায় বিরাজ করে এক অপূর্ব আধ্যাত্মিক আবহ। ভক্তদের উপস্থিতি ও উৎসাহে ৩৫তম এই বার্ষিকী সম্মেলন পরিণত হয় এক মিলনোৎসবে।