মাদক ব্যবসায়ী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

মাদক ব্যবসায়ী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫
র‌্যাব প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের
অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। জঙ্গি, সন্ত্রাসী, সঙ্ঘবদ্ধ
অপরাধী, মাদক, অস্ত্র, ভেজাল পণ্য, ছিনতাইকারী, প্রতারক, হত্যা এবং ধর্ষণ মামলার আসামীসহ সকল
অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন ধরে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর গোয়েন্দা দল গ্রেফতারকৃত আসামী
মাদক ব্যবসায়ী রতন ও রাসেল এর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু করে। ০১-০৫-২০২৫ তারিখ র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩
এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, জয়পুরহাটের বড় হেলকুন্ডা এলাকায়
উল্লেখিত মাদক ব্যবসায়ী রতন ও রাসেলসহ আরো ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী মাদক ক্রয়-বিক্রয় করছে। উক্ত
সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর আভিযানিক দল জয়পুরহাটের বড় হেলকুন্ডা এলাকায় অভিযান
পরিচালনা করে রতন ও রাসেল’কে আটক করে এবং ঘটনাস্থলে থাকা মাদক ব্যবসায়ী অধির ও সুজন রাতের
অন্ধকারে কৌশলে পালিয়ে যায়। অতঃপর আসামী রতন এবং রাসেল দ্বয়ের নিকট রক্ষিত অবৈধ মাদকদ্রব্য ৯০
পিচ ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রতন ও রাসেল চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। আসামী রতন ও রাসেল’কে জিজ্ঞাসাবাদে
তারা অকপটে স্বীকার করে ও বলে যে, অবৈধ মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে
অবস্থান করছিল। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে তাদের প্রকৃত নাম ১। শ্রী রতন চন্দ্র মালী (৪২),
পিতা-শ্রী রনজিৎ চন্দ্র মালী, ২। মোঃ রাসেল হোসেন (২৪), পিতাঃ মো ইমাম আলী উভয়ের সাং-বড় হেলকুন্ডা
থানা-সদর, জেলা-জয়পুরহাট দ্বয়কে গ্রেফতার করা হয় এবং পলাতক আসামী ৩। শ্রী অধির মালী (৩০), পিতামৃ
ত সধির মালী এবং ৪। শ্রী সুজন মালী (২৫), পিতা-সচিন মালী উভয়ের সাং- বড় হেলকুন্ডা থানা-সদর,
জেলা-জয়পুরহাট। তারা জয়পুরহাটের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করতঃ জয়পুরহাটের
বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করতো।
মাদকসেবী ও মাদক কারবারী সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট
ক্যাম্পের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুযায়ী জয়পুরহাট জেলার সদর থানায়
একটি মামলা রুজু হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Alauddin Mondal

মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির মিছিল ও পথসভায় হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ

error: Content is protected !!

মাদক ব্যবসায়ী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

Update Time : ১১:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ মে ২০২৫

মাদক ব্যবসায়ী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫
র‌্যাব প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের
অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। জঙ্গি, সন্ত্রাসী, সঙ্ঘবদ্ধ
অপরাধী, মাদক, অস্ত্র, ভেজাল পণ্য, ছিনতাইকারী, প্রতারক, হত্যা এবং ধর্ষণ মামলার আসামীসহ সকল
অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন ধরে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর গোয়েন্দা দল গ্রেফতারকৃত আসামী
মাদক ব্যবসায়ী রতন ও রাসেল এর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু করে। ০১-০৫-২০২৫ তারিখ র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩
এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, জয়পুরহাটের বড় হেলকুন্ডা এলাকায়
উল্লেখিত মাদক ব্যবসায়ী রতন ও রাসেলসহ আরো ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী মাদক ক্রয়-বিক্রয় করছে। উক্ত
সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর আভিযানিক দল জয়পুরহাটের বড় হেলকুন্ডা এলাকায় অভিযান
পরিচালনা করে রতন ও রাসেল’কে আটক করে এবং ঘটনাস্থলে থাকা মাদক ব্যবসায়ী অধির ও সুজন রাতের
অন্ধকারে কৌশলে পালিয়ে যায়। অতঃপর আসামী রতন এবং রাসেল দ্বয়ের নিকট রক্ষিত অবৈধ মাদকদ্রব্য ৯০
পিচ ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রতন ও রাসেল চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। আসামী রতন ও রাসেল’কে জিজ্ঞাসাবাদে
তারা অকপটে স্বীকার করে ও বলে যে, অবৈধ মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে
অবস্থান করছিল। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে তাদের প্রকৃত নাম ১। শ্রী রতন চন্দ্র মালী (৪২),
পিতা-শ্রী রনজিৎ চন্দ্র মালী, ২। মোঃ রাসেল হোসেন (২৪), পিতাঃ মো ইমাম আলী উভয়ের সাং-বড় হেলকুন্ডা
থানা-সদর, জেলা-জয়পুরহাট দ্বয়কে গ্রেফতার করা হয় এবং পলাতক আসামী ৩। শ্রী অধির মালী (৩০), পিতামৃ
ত সধির মালী এবং ৪। শ্রী সুজন মালী (২৫), পিতা-সচিন মালী উভয়ের সাং- বড় হেলকুন্ডা থানা-সদর,
জেলা-জয়পুরহাট। তারা জয়পুরহাটের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করতঃ জয়পুরহাটের
বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করতো।
মাদকসেবী ও মাদক কারবারী সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট
ক্যাম্পের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুযায়ী জয়পুরহাট জেলার সদর থানায়
একটি মামলা রুজু হয়েছে।