Dhaka ০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী দুর্গাপুরে পুকুর খনন রোধে কঠোর উপজেলা প্রশাসন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • ২৬০ Time View

জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে অবৈধভাবে পুকুর খনন রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় ও কৃষি জমি রক্ষায় একাধিক অভিযান পরিচালনা করে ইতিমধ্যে অবৈধভাবে পুকুর খনন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমিতে পুকুর খননের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএনও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এবং অবৈধভাবে পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

একটি চক্র সুযোগ পেলেই বাণিজ্যিক ভাবে মাটি বিক্রির ধুম ফেলে দেয় উপজেলা জুড়ে। তবে ইউএনও সাবরিনা শারমিনের বদন্যতায় পুকুর খনন চক্রের সেই আশায় এবার গুড়েবালি। উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানকে আরও পোক্ত করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন বলেন, ফসলি জমি নষ্ট করে অবৈধভাবে পুকুর খনন সম্পূর্ণ বেআইনি। এটি শুধু কৃষি ব্যবস্থার ক্ষতি করে না, বরং ভূগর্ভস্থ পানির স্তরেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমরা এ ধরনের কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে প্রতিহত করবো।

এদিকে, উপজেলা প্রশাসনের এমন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষকরা মনে করেন, প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপে আবাদি জমি রক্ষা পাবে এবং কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে না।

অবৈধভাবে পুকুর খনন রোধ ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাটি বিক্রি চক্রের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কৃষক ও কৃষির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

Tag :
About Author Information

Alauddin Mondal

মোহনপুরে অসুস্থ গরু পরিবহনে জরিমানা

error: Content is protected !!

রাজশাহী দুর্গাপুরে পুকুর খনন রোধে কঠোর উপজেলা প্রশাসন

Update Time : ০৯:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে অবৈধভাবে পুকুর খনন রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় ও কৃষি জমি রক্ষায় একাধিক অভিযান পরিচালনা করে ইতিমধ্যে অবৈধভাবে পুকুর খনন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমিতে পুকুর খননের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএনও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এবং অবৈধভাবে পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

একটি চক্র সুযোগ পেলেই বাণিজ্যিক ভাবে মাটি বিক্রির ধুম ফেলে দেয় উপজেলা জুড়ে। তবে ইউএনও সাবরিনা শারমিনের বদন্যতায় পুকুর খনন চক্রের সেই আশায় এবার গুড়েবালি। উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানকে আরও পোক্ত করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন বলেন, ফসলি জমি নষ্ট করে অবৈধভাবে পুকুর খনন সম্পূর্ণ বেআইনি। এটি শুধু কৃষি ব্যবস্থার ক্ষতি করে না, বরং ভূগর্ভস্থ পানির স্তরেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমরা এ ধরনের কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে প্রতিহত করবো।

এদিকে, উপজেলা প্রশাসনের এমন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষকরা মনে করেন, প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপে আবাদি জমি রক্ষা পাবে এবং কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে না।

অবৈধভাবে পুকুর খনন রোধ ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাটি বিক্রি চক্রের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কৃষক ও কৃষির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর।