Dhaka ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর রেকর্ড

২০২০ সালের এপ্রিল থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ওষুধ সেবনের কারণে মাত্র এক বছরে এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা এর আগের বছরের তুলনায় অন্তত ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

গতকাল বুধবার (১৭ নভেম্বর) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, ওভারডোজের কারণে ওই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ১ লাখ ৩০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব মৃত্যুর পেছনে ওপিঅয়েড বা আফিমজাতীয় ওষুধ সবচেয়ে বেশি দায়ী বলে জানানো গেছে। মোট মৃত্যুর মধ্যে ৭৫ হাজার ৬৭৩টি মৃত্যুর পেছনেই ওপিঅয়েডের প্রভাব রয়েছে।

পরিসংখ্যান বিষয়ক ওয়েবসাইট আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডেটার হিসাবে, ওই একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫ লাখ ৮ হাজারের কাছাকাছি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ ২০১৯ সালে পাওয়া হিসাব অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানির সবচেয়ে বড় কারণ ছিল হৃদরোগ। সেই বছর দেশটিতে হৃদযন্ত্রের অসুখে ৬ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। দ্বিতীয় কারণ ক্যানসারে মারা যান প্রায় ছয় লাখ লোক। আর অনিচ্ছাকৃত আঘাতে মৃত্যু হয় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মেথামফেটামিনের মতো সাইকোস্টিমুল্যান্টসের পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও আধা-সিনথেটিক ওপিঅয়েডগুলোর (যেমন- ব্যথার ওষুধ এবং কোকেন) মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারে মৃত্যুর হার বেড়েছে।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান

error: Content is protected !!

মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর রেকর্ড

Update Time : ০৪:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর ২০২১

২০২০ সালের এপ্রিল থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ওষুধ সেবনের কারণে মাত্র এক বছরে এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা এর আগের বছরের তুলনায় অন্তত ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

গতকাল বুধবার (১৭ নভেম্বর) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, ওভারডোজের কারণে ওই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ১ লাখ ৩০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব মৃত্যুর পেছনে ওপিঅয়েড বা আফিমজাতীয় ওষুধ সবচেয়ে বেশি দায়ী বলে জানানো গেছে। মোট মৃত্যুর মধ্যে ৭৫ হাজার ৬৭৩টি মৃত্যুর পেছনেই ওপিঅয়েডের প্রভাব রয়েছে।

পরিসংখ্যান বিষয়ক ওয়েবসাইট আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডেটার হিসাবে, ওই একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫ লাখ ৮ হাজারের কাছাকাছি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ ২০১৯ সালে পাওয়া হিসাব অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানির সবচেয়ে বড় কারণ ছিল হৃদরোগ। সেই বছর দেশটিতে হৃদযন্ত্রের অসুখে ৬ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। দ্বিতীয় কারণ ক্যানসারে মারা যান প্রায় ছয় লাখ লোক। আর অনিচ্ছাকৃত আঘাতে মৃত্যু হয় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মেথামফেটামিনের মতো সাইকোস্টিমুল্যান্টসের পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও আধা-সিনথেটিক ওপিঅয়েডগুলোর (যেমন- ব্যথার ওষুধ এবং কোকেন) মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারে মৃত্যুর হার বেড়েছে।