কেশবপুরে লাঠি খেলা দেখতে হাজারও মানুষের ভিড়

কেশবপুরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি (ঢালি) খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় রাসেল স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত লাঠি খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে হাজারও মানুষ ভিড় জমান।
খেলা উপভোগ করার জন্য শিশুদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাগুরা জেলার ও শ্রীপুর উপজেলার খেলোয়াড়েরা এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন। খেলার শুরুতেই মকবুল সরদার, ইউসুফ আলী, ইয়াসিন আলী, মাসুদ, তহুর ও ফাতেমার লাঠি পরিচালনাসহ শারীরিক কসরত দেখে দর্শকরা আনন্দে মেতে ওঠেন। দীর্ঘদিন পর গ্রাম বাংলার এ খেলা দেখতে এসে উপজেলার নেপাকাটি গ্রামের অলিয়ার রহমান বলেন, বৃদ্ধদের পাশাপাশি শিশুদের লাঠি পরিচালনার দৃশ্য তাকে মুগ্ধ করেছে। স্কুল ছাত্র সাইফুল্লাহ জানায়, সে প্রথম এই লাঠি খেলা উপভোগ করছে। মাঠের পাশের মঞ্চে দাঁড়িয়ে খেলা দেখার সময় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জয়িতা পাল জানায়, খেলা দেখে তার খুব আনন্দ লেগেছে। কারণ হিসেবে সে উল্লেখ করে, মেয়েরা যে এ খেলা করতে পারে সেটা জানা ছিল না। উপজেলার প্রতাপপুর গ্রামের শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস খেলা দেখে বলেন, শিশুরা লাঠি পরিচালনা করে যুবকদের পরাজিত করার দৃশ্য অবাক করার মতো।লাঠি খেলার দল পরিচালক বাবু কুন্ডু বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রাম বাংলার এ ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা দেখিয়ে আসছি। এ খেলায় অংশ নিতে নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা এগিয়ে আসছে। দীর্ঘ ৪৩ বছর তিনি দল পরিচালনা করে আসছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার আয়োজন করা হয়। দর্শকেরা আনন্দের সঙ্গেই লাঠি খেলা উপভোগ করেন।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

১৪ই ফেব্রুয়ারী বিশেষ দিনে মানবিক ও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন চ্যানেল S7-এর প্রধান উপদেষ্টা

error: Content is protected !!

কেশবপুরে লাঠি খেলা দেখতে হাজারও মানুষের ভিড়

Update Time : ০৯:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

কেশবপুরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি (ঢালি) খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় রাসেল স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত লাঠি খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে হাজারও মানুষ ভিড় জমান।
খেলা উপভোগ করার জন্য শিশুদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাগুরা জেলার ও শ্রীপুর উপজেলার খেলোয়াড়েরা এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন। খেলার শুরুতেই মকবুল সরদার, ইউসুফ আলী, ইয়াসিন আলী, মাসুদ, তহুর ও ফাতেমার লাঠি পরিচালনাসহ শারীরিক কসরত দেখে দর্শকরা আনন্দে মেতে ওঠেন। দীর্ঘদিন পর গ্রাম বাংলার এ খেলা দেখতে এসে উপজেলার নেপাকাটি গ্রামের অলিয়ার রহমান বলেন, বৃদ্ধদের পাশাপাশি শিশুদের লাঠি পরিচালনার দৃশ্য তাকে মুগ্ধ করেছে। স্কুল ছাত্র সাইফুল্লাহ জানায়, সে প্রথম এই লাঠি খেলা উপভোগ করছে। মাঠের পাশের মঞ্চে দাঁড়িয়ে খেলা দেখার সময় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জয়িতা পাল জানায়, খেলা দেখে তার খুব আনন্দ লেগেছে। কারণ হিসেবে সে উল্লেখ করে, মেয়েরা যে এ খেলা করতে পারে সেটা জানা ছিল না। উপজেলার প্রতাপপুর গ্রামের শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস খেলা দেখে বলেন, শিশুরা লাঠি পরিচালনা করে যুবকদের পরাজিত করার দৃশ্য অবাক করার মতো।লাঠি খেলার দল পরিচালক বাবু কুন্ডু বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রাম বাংলার এ ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা দেখিয়ে আসছি। এ খেলায় অংশ নিতে নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা এগিয়ে আসছে। দীর্ঘ ৪৩ বছর তিনি দল পরিচালনা করে আসছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার আয়োজন করা হয়। দর্শকেরা আনন্দের সঙ্গেই লাঠি খেলা উপভোগ করেন।