Dhaka ১২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় মহম্মদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও’র বিরুদ্ধে ১০% ঘুষ নেওয়া ও ঘুষ দাবি করার অভিযোগ

মাগুরায় মহম্মদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও’র বিরুদ্ধে ১০% ঘুষ নেওয়া ও ঘুষ দাবি করার অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি: মাগুরার মহম্মদপুরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল হাসানের বিরুদ্ধে ১০% পার্সেন্ট ঘুষের অভিযোগ এনেছে চেয়ারম্যানরা। এব্যাপারে ২ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বসে বিবৃতি দিয়েছেন উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কমিটির সভাপতি বিনোদপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মেজবাউল ইসলাম।

লস ও ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করে ১০% পার্সেন্ট টাকা ঘুষ আর যাতে দেওয়া না লাগে সে বিষয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে মো. মেজবাউল ইসলাম বলেন, উপজেলা পিআইও (উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) রাশেদুল ইসলামকে টিআর কাবিখা থেকে ১০% পার্সেন্ট অর্থাৎ লাখে দশ হাজার টাকা দিতে হয়। এই টাকা তাকে দিলে আমাদের যে কাজের মান এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হই। আমাদের ৮টি চেয়ারম্যান ও মেম্বারবৃন্দের কোন লভ্যাংশ থাকে না। যেটা থাকে সেটা পিআইও অফিস রাশেদুল ইসলামকে আমাদের দিয়ে দিতে হয়। আমরা মহম্মদপুর উপজেলা চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং মেম্বারবৃন্দ আমরা যখন পরিপূর্ণভাবে হান্ডেড পার্সেন্ট কাজ করি এবং এক নম্বর ইট দিয়ে কাজ করি। আমরা কেন এই টাকা পিআইওকে দেবো? আমরা এই টাকাটা দিলে আমাদের লস হয় এবং আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাই। ভবিষ্যতে যাতে এই টাকা আর দেওয়া না লাগে সে জন্য আমরা বিষয়টি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নামে এমন অভিযোগ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউপি সদস্যদেরও।

এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

error: Content is protected !!

মাগুরায় মহম্মদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও’র বিরুদ্ধে ১০% ঘুষ নেওয়া ও ঘুষ দাবি করার অভিযোগ

Update Time : ০২:২১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাগুরায় মহম্মদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও’র বিরুদ্ধে ১০% ঘুষ নেওয়া ও ঘুষ দাবি করার অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি: মাগুরার মহম্মদপুরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল হাসানের বিরুদ্ধে ১০% পার্সেন্ট ঘুষের অভিযোগ এনেছে চেয়ারম্যানরা। এব্যাপারে ২ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বসে বিবৃতি দিয়েছেন উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কমিটির সভাপতি বিনোদপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মেজবাউল ইসলাম।

লস ও ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করে ১০% পার্সেন্ট টাকা ঘুষ আর যাতে দেওয়া না লাগে সে বিষয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে মো. মেজবাউল ইসলাম বলেন, উপজেলা পিআইও (উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) রাশেদুল ইসলামকে টিআর কাবিখা থেকে ১০% পার্সেন্ট অর্থাৎ লাখে দশ হাজার টাকা দিতে হয়। এই টাকা তাকে দিলে আমাদের যে কাজের মান এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হই। আমাদের ৮টি চেয়ারম্যান ও মেম্বারবৃন্দের কোন লভ্যাংশ থাকে না। যেটা থাকে সেটা পিআইও অফিস রাশেদুল ইসলামকে আমাদের দিয়ে দিতে হয়। আমরা মহম্মদপুর উপজেলা চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং মেম্বারবৃন্দ আমরা যখন পরিপূর্ণভাবে হান্ডেড পার্সেন্ট কাজ করি এবং এক নম্বর ইট দিয়ে কাজ করি। আমরা কেন এই টাকা পিআইওকে দেবো? আমরা এই টাকাটা দিলে আমাদের লস হয় এবং আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাই। ভবিষ্যতে যাতে এই টাকা আর দেওয়া না লাগে সে জন্য আমরা বিষয়টি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নামে এমন অভিযোগ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউপি সদস্যদেরও।

এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।