
রাজশাহীর মোহনপুরে হাটবাজার ইজারা ও সরকারি টোল আদায় নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তথ্য অধিকার আইনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য চাওয়ায় এক আবেদনকারীকে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক ব্যক্তি।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার ১৪৩২ ও ১৪৩৩ বাংলা সনের হাটবাজার ইজারা-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানতে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন অভিযোগকারী। তিনি ইজারা প্রদান, সরকারি টোল আদায়, ইজারামূল্যসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চান। তবে নির্ধারিত সময়ে তথ্য না পাওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, তথ্য পাওয়ার জন্য যোগাযোগের পর তাকে বিভিন্নভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়। এমনকি তথ্যের আবেদন প্রত্যাহার না করলে নোটিশ দেওয়া বা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগকারীর দাবি। বিষয়টি নিয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, মোহনপুর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ইজারা ব্যবস্থাপনায় সরকারি নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। কেশরহাট পৌরসভার ইজারাকৃত হাটবাজারে মূল তালিকার সাইনবোর্ড না থাকা, ইজারার অর্থ নির্ধারিত সময়ে সরকারি খাতে জমা না দেওয়া, ইজারার সম্পূর্ণ অর্থ গ্রহণ না করা, নির্ধারিত সময়ে ইজারা চুক্তি সম্পাদন না করা এবং হাটবাজার নীতিমালার বাইরে ইজারা দেওয়ার মতো অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীর দাবি, এসব বিষয়ে তথ্য প্রকাশ হলে হাটবাজার ইজারা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। কিন্তু তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করার পরও প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ায় তিনি বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগপত্রে বিষয়টি তদন্ত করে হাটবাজার ইজারা ও সরকারি টোল আদায়ের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার( ভূমি) ও কেশরহাট পৌরসভার প্রশাসক জোবাইদা সুলতানা বলেন তাকে -৩ হতে চারদিনের মধ্যে দেওয়া হবে, কোন প্রকার হুমকি দেওয়া হয়নি।।
নিজস্ব প্রতিনিধি 
















