রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে  বোরো চাষে ব্যস্ত কৃষক-শ্রমিক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৪ Time View
 ধান উৎপাদনের জন্য খ্যাত উত্তরের বরেন্দ্র জনপদ রাজশাহী জেলার  মোহনপুর উপজেলার মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে ইরি-বোরো ধান চাষের ধুম। মাঘের কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল ও কনকনে শীত উপেক্ষা করে বীজতলা থেকে চারা তোলা ও জমিতে রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও কৃষি শ্রমিকরা। বাড়িতে বাড়িতে কৃষাণীদেরও বেড়েছে কর্মব্যস্ততা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি পৌরসভা ১টি ও ৬ টি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে প্রায় ১৫ হাজার ৭০৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এবার প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১০ হাজার ১০০ জন প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে ১বস্ত ডিএপি, ১ বস্তস এমওপি সার এবং ১০ কেজি করে ধানবীজ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি বিভাগ থেকে প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠক এবং মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
চলতি মৌসুমে উপজেলায় উচ্চ ফলনশীল ব্রিধান-৮৮, ৮৯, ৯০, ৯২, ১০০ এবং স্থানীয় জিরা জাতের বোরো ধান রোপণ করা হচ্ছে।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কেউ জমিতে মই দিচ্ছেন, কেউ বীজতলা থেকে চারা তুলছেন, আবার কেউ রোপণ কাজে ব্যস্ত। বোরো ধান রোপণের জন্য কৃষি শ্রমিকরা বিঘাপ্রতি প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকা মজুরি নিচ্ছেন।
ধুরইল ইউনিয়নের মহব্বত পুর গ্রামের কৃষক মো. ইয়াকুব আলী জানান, তিনি এ বছর প্রায় ৮ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপণ করেছেন। তবে গত বছরের তুলনায় কৃষি শ্রমিকের সংকট রয়েছে। জমি চাষ, সেচ ও সারের দাম বাড়ায় চাষের খরচও বেড়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ফারুক হোসেন বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ শতাংশ জমিতে বোরো ধান রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে রোপণ কাজ শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে। অধিক ফলন নিশ্চিতে কৃষি বিভাগ নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।
Tag :
About Author Information

Alauddin Mondal

জনপ্রিয়

মোহনপুরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ

error: Content is protected !!

রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে  বোরো চাষে ব্যস্ত কৃষক-শ্রমিক

Update Time : ০৬:০০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
 ধান উৎপাদনের জন্য খ্যাত উত্তরের বরেন্দ্র জনপদ রাজশাহী জেলার  মোহনপুর উপজেলার মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে ইরি-বোরো ধান চাষের ধুম। মাঘের কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল ও কনকনে শীত উপেক্ষা করে বীজতলা থেকে চারা তোলা ও জমিতে রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও কৃষি শ্রমিকরা। বাড়িতে বাড়িতে কৃষাণীদেরও বেড়েছে কর্মব্যস্ততা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি পৌরসভা ১টি ও ৬ টি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে প্রায় ১৫ হাজার ৭০৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এবার প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১০ হাজার ১০০ জন প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে ১বস্ত ডিএপি, ১ বস্তস এমওপি সার এবং ১০ কেজি করে ধানবীজ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি বিভাগ থেকে প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠক এবং মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
চলতি মৌসুমে উপজেলায় উচ্চ ফলনশীল ব্রিধান-৮৮, ৮৯, ৯০, ৯২, ১০০ এবং স্থানীয় জিরা জাতের বোরো ধান রোপণ করা হচ্ছে।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কেউ জমিতে মই দিচ্ছেন, কেউ বীজতলা থেকে চারা তুলছেন, আবার কেউ রোপণ কাজে ব্যস্ত। বোরো ধান রোপণের জন্য কৃষি শ্রমিকরা বিঘাপ্রতি প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকা মজুরি নিচ্ছেন।
ধুরইল ইউনিয়নের মহব্বত পুর গ্রামের কৃষক মো. ইয়াকুব আলী জানান, তিনি এ বছর প্রায় ৮ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপণ করেছেন। তবে গত বছরের তুলনায় কৃষি শ্রমিকের সংকট রয়েছে। জমি চাষ, সেচ ও সারের দাম বাড়ায় চাষের খরচও বেড়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ফারুক হোসেন বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ শতাংশ জমিতে বোরো ধান রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে রোপণ কাজ শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে। অধিক ফলন নিশ্চিতে কৃষি বিভাগ নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।