Dhaka ১২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাপাহারে শীতের প্রকোপ : ফুটপাতের দোকান গুলোতে ক্রেতার হিড়িক!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২০
  • ৮৮৩ Time View


আবু বক্কার,সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ন্যায় নওগাঁর সাপাহারে জেঁকে বসেছে কনকনে শীত ! গত তিন ধরে একনাগারে শীতের প্রকোপে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীত বাড়ার সাথে সাথে সদরের ফুটপাতগুলোতে জমে উঠেছে শীতবস্ত্র কেনাকাটার হিড়িক।

উপজেলা সদরের ফুটপাত গুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুটপাতের মাটিতে, ভ্যানে ও টং সাজিয়ে শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসে আছে ব্যাবসায়ীরা। টানা তিন দিন যাবৎ শৈত্য প্রবাহ বাড়ার ফলে মধ্যে স্তর ও নিম্ন স্থরের লোকজন এসব দোকানে শীতের কাপড় কেনার জন্য ভিড় করছে । শুধু নিম্ন ও মধ্যে স্তরের লোকজনই নয় বরং উচ্চবিত্ত স্তর সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনও ভিড় করছে ওই ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকান গুলোতে। মহা ধুমধামের সাথে ক্রয়-বিক্রয় চলছে ওই ফুটপাত গুলোতে।

উপজেলা সদরের ফুটপাত পট্টির শীত বস্ত্র বিক্রেতা আবুল কালামের সাথে কথা হলে সে জানায়, গত কয়েকদিন যাবৎ দোকান নিয়ে বসে থাকার পরেও দেখা মেলেনি কোন ক্রেতার। কিন্তু বর্তমান সময়ে শীতের প্রকোপ বাড়ার ফলে শীতবস্ত্র বিক্রয় হচ্ছে অন্যান্য দিনের তুলনায় প্রায় ৩ থেকে ৪ গুন।
শীত বস্ত্র কিনতে আসা ওবাইদুল ইসলাম জানায়, “বর্তমানে একটি শীতের কাপড় মার্কেটের ভালো কোন দোকানে কিনতে গেলে সর্বনিম্ন টাকা লাগে ৫’ শ।

কিন্তু এই ফুটপাতে অনেক সময় ভালো মানের কাপড় কম দামে পাওয়া যায় এজন্য এসেছি কমদামে নিজের পছন্দমত শীতবস্ত্র সংগ্রহ করার জন্য”।
শীতের প্রকোপ আরো বাড়লে এই দোকানদার গুলো প্রায় কেনা দামের চেয়ে ৩ থেকে ৪ গুন মুনাফা অর্জন করতে পারে বলে জানা গেছে।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

রাজশাহীর পবায় অনুমতি ছাড়াই সরকারি গাছের ডাল কাটার অভিযোগ, স্থানীয়দের ক্ষোভ

সাপাহারে শীতের প্রকোপ : ফুটপাতের দোকান গুলোতে ক্রেতার হিড়িক!

Update Time : ০৩:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২০


আবু বক্কার,সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ন্যায় নওগাঁর সাপাহারে জেঁকে বসেছে কনকনে শীত ! গত তিন ধরে একনাগারে শীতের প্রকোপে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীত বাড়ার সাথে সাথে সদরের ফুটপাতগুলোতে জমে উঠেছে শীতবস্ত্র কেনাকাটার হিড়িক।

উপজেলা সদরের ফুটপাত গুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুটপাতের মাটিতে, ভ্যানে ও টং সাজিয়ে শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসে আছে ব্যাবসায়ীরা। টানা তিন দিন যাবৎ শৈত্য প্রবাহ বাড়ার ফলে মধ্যে স্তর ও নিম্ন স্থরের লোকজন এসব দোকানে শীতের কাপড় কেনার জন্য ভিড় করছে । শুধু নিম্ন ও মধ্যে স্তরের লোকজনই নয় বরং উচ্চবিত্ত স্তর সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনও ভিড় করছে ওই ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকান গুলোতে। মহা ধুমধামের সাথে ক্রয়-বিক্রয় চলছে ওই ফুটপাত গুলোতে।

উপজেলা সদরের ফুটপাত পট্টির শীত বস্ত্র বিক্রেতা আবুল কালামের সাথে কথা হলে সে জানায়, গত কয়েকদিন যাবৎ দোকান নিয়ে বসে থাকার পরেও দেখা মেলেনি কোন ক্রেতার। কিন্তু বর্তমান সময়ে শীতের প্রকোপ বাড়ার ফলে শীতবস্ত্র বিক্রয় হচ্ছে অন্যান্য দিনের তুলনায় প্রায় ৩ থেকে ৪ গুন।
শীত বস্ত্র কিনতে আসা ওবাইদুল ইসলাম জানায়, “বর্তমানে একটি শীতের কাপড় মার্কেটের ভালো কোন দোকানে কিনতে গেলে সর্বনিম্ন টাকা লাগে ৫’ শ।

কিন্তু এই ফুটপাতে অনেক সময় ভালো মানের কাপড় কম দামে পাওয়া যায় এজন্য এসেছি কমদামে নিজের পছন্দমত শীতবস্ত্র সংগ্রহ করার জন্য”।
শীতের প্রকোপ আরো বাড়লে এই দোকানদার গুলো প্রায় কেনা দামের চেয়ে ৩ থেকে ৪ গুন মুনাফা অর্জন করতে পারে বলে জানা গেছে।