
নতুন আবাসিক ও শিল্প সংযোগ না দেওয়া, গ্রাহকদের সাথে অসদাচরণ এবং অর্থনৈতিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার নূরুল হুদার অপসারণের দাবিতে মানবন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
১ জুলাই সিরাজগঞ্জ জেলার, সিরাজগঞ্জের ডিসি কার্যালয়
সিরাজগঞ্জের জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শতাধিক গ্রাহক মানবন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন। মানবন্ধনে ব্যানার-ফেস্টুনে তারা নতুন সংযোগ চালু ও জিএম এর অপসারণ দাবি করেন।
মানবন্ধনে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ভুক্তভোগী সকল শ্রেণীর গ্রাহকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গ্রাহকদের উত্থাপিত অভিযোগসমূহ
মানবন্ধন থেকে প্রদত্ত লিখিত বক্তব্য ও গ্রাহকদের অভিযোগে বলা হয়েছে।
নতুন সংযোগ বন্ধ:জিএম যোগদানের পর থেকে প্রায় সকল প্রকার নতুন আবাসিক ও শিল্প সংযোগ বন্ধ রয়েছে।
মিটার বিলম্ব:এক গ্রাহক অভিযোগ করেন, “আমরা প্রায় পাঁচ মাস আগে আবাসিক সংযোগের জন্য টাকা জমা দিয়েছি কিন্তু এখনো মিটার পাইনি। অফিসে গেলে অসদাচরণ করা হয় এবং বলা হয় ‘আমার অফিস অনুযায়ী আপনাদের মিটার লাগবে’।”
শিল্প গ্রাহকদের ভোগান্তি অনেক শিল্প লাইনের গ্রাহকরাও সংযোগ ও সেবা না পাওয়ার অভিযোগ করেন।
প্রক্রিয়াগত অনিয়মের অভিযোগ টেন্ডার প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে মেমো’র মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন, অর্থ আত্মসাৎ, এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ তোলেন আন্দোলনকারীরা।
সম্পদ নষ্টের অভিযোগ: রেস্ট হাউজের সামনে জাতীয় পতাকা স্ট্যান্ড ও প্যারেড গ্রাউন্ড নষ্টের অভিযোগও তোলা হয় মানবন্ধনে।
মানবন্ধনে বক্তারা জিএম নূরুল হুদাকে “অনভিজ্ঞ, দুর্নীতিবাজ, নারী লোভী, গাছ খেকো” ইত্যাদি বিশেষণে অভিযুক্ত করেন।
মানবন্ধন শেষে ভুক্তভুগিগন সিরাজগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক নিকট একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত জিএম এর অপসারণ এবং অবিলম্বে সকল প্রকার বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর দাবি জানানো হয়।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জিএম নূরুল হুদার সাথে
( ০১৭৬৯৪০০০৭৪)মোবাইল নম্বরে
যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা সম্ভব হয়নি। পবিস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা বিদ্যুৎ বিল ঠিকমতো দিই। কিন্তু সেবা পাই না। সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
Reporter Name 








