Dhaka ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চলন্ত লঞ্চে ভয়াবহ আগুন: মৃত বেড়ে ৩৯, দগ্ধ শতাধিক

  • অনলাইন ডেক্স
  • Update Time : ০৩:৪৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১
  • ৩৮১ Time View

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে চলন্ত লঞ্চে আগুনের ঘটনায় আরও নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৩৯ জনে।

 

 

 

 

 

 

 

শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঝালকাঠি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশান্ত কুমার দে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

 

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, লঞ্চের আগুন থেকে বাঁচতে অনেকে নদীতে লাফ দিয়েছিলেন। তাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের একটি ও কোস্ট গার্ডের দুটি দল অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে কোস্ট গার্ড ছয়জন এবং ফায়ার সার্ভিস আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

 

 

 

 

 

 

এর আগে সকালে বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক কামাল হোসেন ভূঁইয়া এক ব্রিফিংয়ে আগুনের ঘটনায় ৩০ মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, লঞ্চটির ইঞ্জিন কক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

 

 

 

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে বরিশাল, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠির কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজ শুরু করে। দগ্ধদের মধ্যে ৭২ জনকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। জানা গেছে, লঞ্চটিতে হাজারখানেক যাত্রী ছিলেন। সুগন্ধা নদীতে থাকাবস্থায় লঞ্চটিতে আগুন লাগে। পরে পার্শ্ববর্তী দিয়াকুল এলাকায় বিপর্যস্ত লঞ্চটি ভেড়ানো হয়।

 

 

 

 

 

 

 

লঞ্চের একাধিক যাত্রী জানান, রাত ৩টার দিকে লঞ্চের ইঞ্জিন রুমে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। পরে সে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে। এসময় লঞ্চে বেশ কয়েকজন যাত্রী দগ্ধ হন। প্রাণে বাঁচতে অনেকে নদীতে ঝাঁপ দেন।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

রাজশাহী এডভোকেট বার সমিতির নির্বাচন: সভাপতি কাসেম, সম্পাদক জাহেদী

error: Content is protected !!

চলন্ত লঞ্চে ভয়াবহ আগুন: মৃত বেড়ে ৩৯, দগ্ধ শতাধিক

Update Time : ০৩:৪৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে চলন্ত লঞ্চে আগুনের ঘটনায় আরও নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৩৯ জনে।

 

 

 

 

 

 

 

শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঝালকাঠি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশান্ত কুমার দে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

 

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, লঞ্চের আগুন থেকে বাঁচতে অনেকে নদীতে লাফ দিয়েছিলেন। তাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের একটি ও কোস্ট গার্ডের দুটি দল অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে কোস্ট গার্ড ছয়জন এবং ফায়ার সার্ভিস আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

 

 

 

 

 

 

এর আগে সকালে বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক কামাল হোসেন ভূঁইয়া এক ব্রিফিংয়ে আগুনের ঘটনায় ৩০ মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, লঞ্চটির ইঞ্জিন কক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

 

 

 

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে বরিশাল, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠির কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজ শুরু করে। দগ্ধদের মধ্যে ৭২ জনকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। জানা গেছে, লঞ্চটিতে হাজারখানেক যাত্রী ছিলেন। সুগন্ধা নদীতে থাকাবস্থায় লঞ্চটিতে আগুন লাগে। পরে পার্শ্ববর্তী দিয়াকুল এলাকায় বিপর্যস্ত লঞ্চটি ভেড়ানো হয়।

 

 

 

 

 

 

 

লঞ্চের একাধিক যাত্রী জানান, রাত ৩টার দিকে লঞ্চের ইঞ্জিন রুমে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। পরে সে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে। এসময় লঞ্চে বেশ কয়েকজন যাত্রী দগ্ধ হন। প্রাণে বাঁচতে অনেকে নদীতে ঝাঁপ দেন।