Dhaka ০৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কয়রায় এখনো উন্মোচন হয়নি তিন হত্যা রহস্য

খুলনার কয়রায় একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ১১ দিন পরেও উন্মোচন হয়নি ঘটনার মূল রহস্য। দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ৩জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও নির্ভরযোগ্য তথ্য জানতে পারেনি পুলিশ। তবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কয়রা থানার এসআই আসাদুল ইসলাম।

তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত চলছে। নিহতদের সঙ্গে পূর্বশত্রুতা ছিল এমন তিনজনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- বামিয়া গ্রামের জিয়াউর রহমান জিয়া (৪১), একই গ্রামের কুদ্দুস গাজীর স্ত্রী সুলতানা (৩৮) ও ভাগবা গ্রামের আবদুল খালেক (৬৫)।

কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন বলেন, ঘটনাটি রহস্যজনক। অধিকতর তদন্তের জন্য আইসিটি টিমের সহযোগীতা নেওয়া হচ্ছে। জেলা পুলিশের আইসিটি শাখার পরিদর্শক এজাজ শফি বলেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছি আমরা। আশা করছি, দ্রুত সবকিছু জানা যাবে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর উপজেলার বামিয়া গ্রামে হাবিবুল্লাহ গাজী, তার স্ত্রী বিউটি বেগম ও মেয়ে টুনিকে হত্যার পর পুকুরে লাশ ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা।

কয়রা, খুলনা প্রতিনিধি
তারিখঃ- ০৭/১১/২১ ইং।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজশাহীতে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

কয়রায় এখনো উন্মোচন হয়নি তিন হত্যা রহস্য

Update Time : ১০:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ নভেম্বর ২০২১

খুলনার কয়রায় একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ১১ দিন পরেও উন্মোচন হয়নি ঘটনার মূল রহস্য। দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ৩জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও নির্ভরযোগ্য তথ্য জানতে পারেনি পুলিশ। তবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কয়রা থানার এসআই আসাদুল ইসলাম।

তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত চলছে। নিহতদের সঙ্গে পূর্বশত্রুতা ছিল এমন তিনজনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- বামিয়া গ্রামের জিয়াউর রহমান জিয়া (৪১), একই গ্রামের কুদ্দুস গাজীর স্ত্রী সুলতানা (৩৮) ও ভাগবা গ্রামের আবদুল খালেক (৬৫)।

কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন বলেন, ঘটনাটি রহস্যজনক। অধিকতর তদন্তের জন্য আইসিটি টিমের সহযোগীতা নেওয়া হচ্ছে। জেলা পুলিশের আইসিটি শাখার পরিদর্শক এজাজ শফি বলেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছি আমরা। আশা করছি, দ্রুত সবকিছু জানা যাবে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর উপজেলার বামিয়া গ্রামে হাবিবুল্লাহ গাজী, তার স্ত্রী বিউটি বেগম ও মেয়ে টুনিকে হত্যার পর পুকুরে লাশ ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা।

কয়রা, খুলনা প্রতিনিধি
তারিখঃ- ০৭/১১/২১ ইং।