চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মে ২০২২
  • ১০১৯ Time View

সংকট নিরসনে ইপিবির উদ্যোগ ৯৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা!

বর্তমানে চীনে ৯৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে বাংলাদেশের। তবুও দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেকটাই নিম্নমুখী। যদিও বাংলাদেশের পণ্যে আমদানির ২৫ শতাংশই হয় চীন থেকে। বছরে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার আমদানির বিপরীতে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি মাত্র ৬০০ মিলিয়ন ডলার। এ অবস্থায় দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। রপ্তানি উন্নয়ন বু্যরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান যায়যায়দিনকে জানান, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বাণিজ্যিক ঘাটতি কমিয়ে আনতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কোন কোন জায়গায় সমস্যা রয়েছে তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এদিকে রপ্তানি পরিস্থিতি উন্নয়নে ও করণীয় নির্ধারণে এরই মধ্যে সভার আয়োজন করেছে ইপিবি। গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ ব্যাংক, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়সহ ঢাকা চেম্বার, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ চায়না চেম্বারের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। গত পাঁচ অর্থবছরের রপ্তানি আয় পর্যালোচনায় দেখা যায়, চীনে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ উলেস্নখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে যা দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি বাড়িয়ে তুলছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিশ্ববাজার থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। এর মধ্যে চীন থেকে এসেছে ১১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। বিপরীতে একই সময়ে চীন সারা বিশ্ব থেকে ২ হাজার ৪০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। যেখানে বাংলাদেশ পাঠাতে পেরেছে মাত্র ৬০০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। অর্থাৎ বাংলাদেশ প্রতি বছর প্রায় ২০ শতাংশ পণ্য চীন থেকে আমদানি করলেও দেশটিতে রপ্তানি করে ১ শতাংশেরও কম। ২০২০ সালের জুলাই থেকে ট্যারিফ লাইনের আওতায় ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা চালু করে চীন। সম্প্রতি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যকে অন্তর্ভুক্ত করে সেটি বাড়িয়ে ৯৮ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির সরকার। এ সুবিধা পাওয়ার পরও দেশটিতে পণ্যে রপ্তানির বাজার ধরতে পারছে না বাংলাদেশ। তবে প্রচলিত পণ্য দিয়ে চীনের বাজার দখল নেওয়া খুব কঠিন হবে বলে মনে করছে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের কমার্শিয়াল উইং। এ বিষয়ে সম্প্রতি উইংয়ের পক্ষ থেকে গত মার্চে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠিও দেওয়া হয়। এএইচএম আহসান বলেন, বেইজিংয়ে বাংলাদেশের কমার্শিয়াল উইংয়ের চিঠির আগেই বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এছাড়াও চিঠিটি মন্ত্রণালয় থেকে তাদের কাছে এখনো আসেনি। আসলে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে যেসব পণ্যে রপ্তানি করা হয় তা আমদানিতে চীনের অনেকগুলো উৎস রয়েছে। গার্মেন্টস পণ্যে রপ্তানি কমার অন্যতম কারণ হচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো তা নিজেরাই উৎপাদন শুরু করেছে। অন্যদিকে ফ্রোজেন ফুড যেমন চিংড়ি, কাঁকড়া ও বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ রপ্তানিতে রয়েছে নানা কড়াকড়ি। করোনা সংক্রমণ এড়াতে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে তা রপ্তানি করতে হয়। দেশের মাত্র ১৪টি কোম্পানি যা করতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে এ খাতে রপ্তানি কিছুটা কমেছে। এছাড়া চীনের বাজারে চামড়া ও চামড়াজাতীয় পণ্য ছাড়া অন্যান্য চাহিদাসম্পন্ন পণ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করে না বললেই চলে। এদিকে ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, চীনের বাজার বিশাল হলেও প্রতিযোগিতামূলক। তাই চীনের বাজারে পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য পণ্যের গুণগতমান বৃদ্ধির পাশাপাশি এসব পণ্যের ব্যাপক হারে প্রচারণা বাড়ানোর প্রয়োজন। এদিকে দেশটির প্রধান ২০ আমদানি পণ্যের একটিও রপ্তানি করে না বাংলাদেশ। তাই বর্তমানে যেসব পণ্য রপ্তানি করা হয় তা দিয়ে চীনের বাজারে শক্ত অবস্থান ধরে রাখা কঠিন। ইপিবির কর্মকর্তারা জানান, করোনার পর সে দেশে পণ্যের প্রচারণা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ২১ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনসহ বিভিন্ন কারণে ব্যবসায়ীরা সে দেশের আমদানিকারদের সঙ্গে যোগাযোগসহ পণ্যের প্রচারে পিছিয়ে পড়ছে। তবে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের কমার্শিয়াল উইং যদি সহযোগিতা করে তাহলে অনলাইনে প্রচারণা কিংবা যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব। গত কয়েক বছর বাংলাদেশ থেকে চীনের বাজারে রপ্তানিকৃত প্রধান ১০টি পণ্যের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পাঁচটি প্রচলিত পণ্যের তিনটিরই রপ্তানি কমেছে। অন্যদিকে পাঁচটি অপ্রচলিত পণ্যের সবগুলোরই রপ্তানি বেড়েছে। প্রচলিত ওভেন পোশাক, নিটওয়্যার, মৎস্য এবং ক্রাস্টেসিয়ান ও মোলাস জাতীয় পণ্য ক্রমান্বয়ে কমছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীনে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয় ২৮ কোটি ২৫ লাখ ডলারের যা ২০২০-২১ অর্থবছরে কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৫৫ লাখ ডলারে। আর চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানি হয়েছে ৬ কোটি ৫২ লাখ ডলারের। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে নিটওয়্যার রপ্তানি হয় ২২ কোটি ৩৯ লাখ ডলারের। গত অর্থবছরে রপ্তানি কমে দাঁড়ায় ১২ কোটি ৫৭ লাখ ডলারে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানি হয়েছে ৪ কোটি ৫১ লাখ ডলারের। মৎস্য, ক্রাস্টেসিয়ান ও মোলাসজাতীয় পণ্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীনে রপ্তানি হয় ৭ কোটি ৩৯ লাখ ডলারের। ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি কমে দাঁড়ায় ১ কোটি ৪২ লাখ ডলারে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানি হয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ ডলারের। এদিকে, ২০২১ সালে চীনের মোট আমদানির ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশই এসেছে চীন নিয়ন্ত্রিত তাইওয়ান থেকে। এছাড়া জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, রাশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, চিলি, ইতালি, কানাডা, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকেও উলেস্নখযোগ্য পরিমাণে পণ্য আমদানি করে চীন।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

মোহনপুরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ

error: Content is protected !!

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ছে

Update Time : ০১:৩১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মে ২০২২

সংকট নিরসনে ইপিবির উদ্যোগ ৯৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা!

বর্তমানে চীনে ৯৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে বাংলাদেশের। তবুও দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেকটাই নিম্নমুখী। যদিও বাংলাদেশের পণ্যে আমদানির ২৫ শতাংশই হয় চীন থেকে। বছরে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার আমদানির বিপরীতে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি মাত্র ৬০০ মিলিয়ন ডলার। এ অবস্থায় দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। রপ্তানি উন্নয়ন বু্যরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান যায়যায়দিনকে জানান, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বাণিজ্যিক ঘাটতি কমিয়ে আনতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কোন কোন জায়গায় সমস্যা রয়েছে তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এদিকে রপ্তানি পরিস্থিতি উন্নয়নে ও করণীয় নির্ধারণে এরই মধ্যে সভার আয়োজন করেছে ইপিবি। গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ ব্যাংক, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়সহ ঢাকা চেম্বার, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ চায়না চেম্বারের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। গত পাঁচ অর্থবছরের রপ্তানি আয় পর্যালোচনায় দেখা যায়, চীনে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ উলেস্নখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে যা দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি বাড়িয়ে তুলছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিশ্ববাজার থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। এর মধ্যে চীন থেকে এসেছে ১১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। বিপরীতে একই সময়ে চীন সারা বিশ্ব থেকে ২ হাজার ৪০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। যেখানে বাংলাদেশ পাঠাতে পেরেছে মাত্র ৬০০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। অর্থাৎ বাংলাদেশ প্রতি বছর প্রায় ২০ শতাংশ পণ্য চীন থেকে আমদানি করলেও দেশটিতে রপ্তানি করে ১ শতাংশেরও কম। ২০২০ সালের জুলাই থেকে ট্যারিফ লাইনের আওতায় ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা চালু করে চীন। সম্প্রতি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যকে অন্তর্ভুক্ত করে সেটি বাড়িয়ে ৯৮ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির সরকার। এ সুবিধা পাওয়ার পরও দেশটিতে পণ্যে রপ্তানির বাজার ধরতে পারছে না বাংলাদেশ। তবে প্রচলিত পণ্য দিয়ে চীনের বাজার দখল নেওয়া খুব কঠিন হবে বলে মনে করছে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের কমার্শিয়াল উইং। এ বিষয়ে সম্প্রতি উইংয়ের পক্ষ থেকে গত মার্চে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠিও দেওয়া হয়। এএইচএম আহসান বলেন, বেইজিংয়ে বাংলাদেশের কমার্শিয়াল উইংয়ের চিঠির আগেই বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এছাড়াও চিঠিটি মন্ত্রণালয় থেকে তাদের কাছে এখনো আসেনি। আসলে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে যেসব পণ্যে রপ্তানি করা হয় তা আমদানিতে চীনের অনেকগুলো উৎস রয়েছে। গার্মেন্টস পণ্যে রপ্তানি কমার অন্যতম কারণ হচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো তা নিজেরাই উৎপাদন শুরু করেছে। অন্যদিকে ফ্রোজেন ফুড যেমন চিংড়ি, কাঁকড়া ও বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ রপ্তানিতে রয়েছে নানা কড়াকড়ি। করোনা সংক্রমণ এড়াতে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে তা রপ্তানি করতে হয়। দেশের মাত্র ১৪টি কোম্পানি যা করতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে এ খাতে রপ্তানি কিছুটা কমেছে। এছাড়া চীনের বাজারে চামড়া ও চামড়াজাতীয় পণ্য ছাড়া অন্যান্য চাহিদাসম্পন্ন পণ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করে না বললেই চলে। এদিকে ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, চীনের বাজার বিশাল হলেও প্রতিযোগিতামূলক। তাই চীনের বাজারে পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য পণ্যের গুণগতমান বৃদ্ধির পাশাপাশি এসব পণ্যের ব্যাপক হারে প্রচারণা বাড়ানোর প্রয়োজন। এদিকে দেশটির প্রধান ২০ আমদানি পণ্যের একটিও রপ্তানি করে না বাংলাদেশ। তাই বর্তমানে যেসব পণ্য রপ্তানি করা হয় তা দিয়ে চীনের বাজারে শক্ত অবস্থান ধরে রাখা কঠিন। ইপিবির কর্মকর্তারা জানান, করোনার পর সে দেশে পণ্যের প্রচারণা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ২১ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনসহ বিভিন্ন কারণে ব্যবসায়ীরা সে দেশের আমদানিকারদের সঙ্গে যোগাযোগসহ পণ্যের প্রচারে পিছিয়ে পড়ছে। তবে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের কমার্শিয়াল উইং যদি সহযোগিতা করে তাহলে অনলাইনে প্রচারণা কিংবা যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব। গত কয়েক বছর বাংলাদেশ থেকে চীনের বাজারে রপ্তানিকৃত প্রধান ১০টি পণ্যের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পাঁচটি প্রচলিত পণ্যের তিনটিরই রপ্তানি কমেছে। অন্যদিকে পাঁচটি অপ্রচলিত পণ্যের সবগুলোরই রপ্তানি বেড়েছে। প্রচলিত ওভেন পোশাক, নিটওয়্যার, মৎস্য এবং ক্রাস্টেসিয়ান ও মোলাস জাতীয় পণ্য ক্রমান্বয়ে কমছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীনে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয় ২৮ কোটি ২৫ লাখ ডলারের যা ২০২০-২১ অর্থবছরে কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৫৫ লাখ ডলারে। আর চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানি হয়েছে ৬ কোটি ৫২ লাখ ডলারের। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে নিটওয়্যার রপ্তানি হয় ২২ কোটি ৩৯ লাখ ডলারের। গত অর্থবছরে রপ্তানি কমে দাঁড়ায় ১২ কোটি ৫৭ লাখ ডলারে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানি হয়েছে ৪ কোটি ৫১ লাখ ডলারের। মৎস্য, ক্রাস্টেসিয়ান ও মোলাসজাতীয় পণ্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীনে রপ্তানি হয় ৭ কোটি ৩৯ লাখ ডলারের। ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি কমে দাঁড়ায় ১ কোটি ৪২ লাখ ডলারে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানি হয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ ডলারের। এদিকে, ২০২১ সালে চীনের মোট আমদানির ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশই এসেছে চীন নিয়ন্ত্রিত তাইওয়ান থেকে। এছাড়া জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, রাশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, চিলি, ইতালি, কানাডা, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকেও উলেস্নখযোগ্য পরিমাণে পণ্য আমদানি করে চীন।