Dhaka ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাঁওতাল শিশুদের ভর্তি না করার অভিযোগ

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাঁওতাল (আদিবাসী) সম্প্রদায়ের শিশুদের ভর্তি না করার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ করেছেন উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার রায়ঘাটি গ্রামের কয়েকজন সাঁওতাল অভিভাবক।
অভিভাবকদের অভিযোগ, তারা একাধিকবার সন্তানদের বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর জন্য গেলেও বিভিন্ন অজুহাতে ভর্তি নেওয়া হয়নি। ফলে তাদের সন্তানরা প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সব শিশুর জন্য বৈষম্যহীনভাবে বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে দুইজন আদিবাসী শিক্ষার্থী রয়েছে। আদিবাসী শিশুদের ভর্তি না দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।”
মোহনপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, “বিষয়টি আগে আমাদের জানা ছিল না। এখন জানতে পেরেছি। অভিযোগের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আখতার বলেন, “অভিযোগটি তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
কেশর হাট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন ” সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছে। তাই ধর্ম, বর্ণ বা জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে প্রতিটি শিশুর শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্য গ্রহণযোগ্য নয়।”

Tag :
About Author Information

Alauddin Mondal

জনপ্রিয়

রাজশাহীর কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাঁওতাল শিশুদের ভর্তি না করার অভিযোগ

রাজশাহীর কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাঁওতাল শিশুদের ভর্তি না করার অভিযোগ

Update Time : ০৯:৩৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাঁওতাল (আদিবাসী) সম্প্রদায়ের শিশুদের ভর্তি না করার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ করেছেন উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার রায়ঘাটি গ্রামের কয়েকজন সাঁওতাল অভিভাবক।
অভিভাবকদের অভিযোগ, তারা একাধিকবার সন্তানদের বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর জন্য গেলেও বিভিন্ন অজুহাতে ভর্তি নেওয়া হয়নি। ফলে তাদের সন্তানরা প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সব শিশুর জন্য বৈষম্যহীনভাবে বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে দুইজন আদিবাসী শিক্ষার্থী রয়েছে। আদিবাসী শিশুদের ভর্তি না দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।”
মোহনপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, “বিষয়টি আগে আমাদের জানা ছিল না। এখন জানতে পেরেছি। অভিযোগের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আখতার বলেন, “অভিযোগটি তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
কেশর হাট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন ” সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছে। তাই ধর্ম, বর্ণ বা জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে প্রতিটি শিশুর শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্য গ্রহণযোগ্য নয়।”