শ্যামনগরের পল্লীতে ধর্ষন প্রচেষ্টাকারী আসামীদের হামলায় সেই মাটি শ্রমিক হাসিনা সহ পরিবারের ৩ জন আহত

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১
  • ৭৩৭ Time View

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরের পল্লীতে ধর্ষন প্রচেষ্টাকারী আসামীদের হামলায় সেই মাটি শ্রমিক হাসিনা সহ পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে শ্যামনগরের রমজাননগর ইউনিয়নের ভৈরবনগর গ্রামে।গতকাল সোমবার রাত ৮ টার দিকে স্হানীয় ইউপি সদস্য( সাবেক)সোহরাব বাহিনীর লাঠিয়াল নুর ইসলাম নুনুর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা হাসিনা জানায় ,শ্যামনগর রমজাননগর ইউনিয়নের সোনাখালি গ্রামের ভূমিদস্যু প্রাক্তন মেম্বার সোহরাব বাহিনীর অন্যতম লাঠিয়াল নুর ইসলাম ওরফে নুনুর সাথে দীর্ঘদিন মৎস্য ঘেরের জমি জায়গা নিয়ে বিরোধ থাকায় পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় হাসিনা বেগম ও তার পরিবার। প্রাক্তন মেম্বার সোহরাব এর নির্দেশে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ সন্ধানী হয়ে হাসিনা বেগমকে দুনিয়া থেকে সরানোর জন্য পরিকল্পনা করে আসছে। সে অনুযায়ী প্রতিদিন রাতে তাদের বাড়ির আশেপাশে সোহরাবের লোকজন ওত পেতে থাকে । এমতাঃবস্থায় হাসিনা বেগমের ছাগল বাড়িতে না আসায় গতকাল সন্ধ্যায় ছাগলের সন্ধান করতে বাড়ির বাইরে বের হয় সে। ছাগল খুঁজে না পেয়ে আনুমানিক ৮ টার সময় যখন সে বাড়ির দিকে রওনা হয় তখন সোহরাব বাহিনীর উৎপেতে থাকা বাহিনীর সদস্যরা হাসিনা বেগম কে মুখ চেপে ধরার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে হাসিনা বেগম চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে নুনু ও তার সহযোগী তিন থেকে চারজন লোক তাকে বেধড়ক মারপিট শুরু করে । এই চিৎকার-চেঁচামেচি শুনতে পেয়ে তার ভাই, বাবা ও তার মা এগিয়ে আসে। তারা দেখতে পায় হাসিনা বেগম মাটিতে লুটিয়ে আছে। এর কারণ জানতে চাইলে তার ভাই এবং তার মাকে নির্দয়ভাবে মারপিট করে গুরুতর আহত করে। গ্রামবাসী চিৎকার-চেঁচামেচি শুনতে পেয়ে বের হলে নুনু ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের আহত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।বর্তমানে হাসিনা, হাসিনার মা মনোয়ারা এবং তার ভাই মিজানুর শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
উল্লেখ্য মাসাধিককাল পূর্বে ভোর রাতে হাসিনাকে তার ঘরে একা পেয়ে সোহরাব মেম্বর এবং তার লাঠিয়াল নুর ইসলাম ধর্ষণের প্রচেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় শ্যামনগর থানায় ধর্ষণ প্রচেষ্টার একটি মামলা রুজু হয়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আসামিরা ফাইনাল নিয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এর পরেই আসামী সোহারাব মেম্বার ও তার লাঠিয়াল নুর ইসলাম নুনু নির্যাতিত মহিলা হাসিনা এবং তার পরিবারের উপরে এমন রক্তাক্ত হামলা করে ।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

মোহনপুরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ

error: Content is protected !!

শ্যামনগরের পল্লীতে ধর্ষন প্রচেষ্টাকারী আসামীদের হামলায় সেই মাটি শ্রমিক হাসিনা সহ পরিবারের ৩ জন আহত

Update Time : ১২:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরের পল্লীতে ধর্ষন প্রচেষ্টাকারী আসামীদের হামলায় সেই মাটি শ্রমিক হাসিনা সহ পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে শ্যামনগরের রমজাননগর ইউনিয়নের ভৈরবনগর গ্রামে।গতকাল সোমবার রাত ৮ টার দিকে স্হানীয় ইউপি সদস্য( সাবেক)সোহরাব বাহিনীর লাঠিয়াল নুর ইসলাম নুনুর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা হাসিনা জানায় ,শ্যামনগর রমজাননগর ইউনিয়নের সোনাখালি গ্রামের ভূমিদস্যু প্রাক্তন মেম্বার সোহরাব বাহিনীর অন্যতম লাঠিয়াল নুর ইসলাম ওরফে নুনুর সাথে দীর্ঘদিন মৎস্য ঘেরের জমি জায়গা নিয়ে বিরোধ থাকায় পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় হাসিনা বেগম ও তার পরিবার। প্রাক্তন মেম্বার সোহরাব এর নির্দেশে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ সন্ধানী হয়ে হাসিনা বেগমকে দুনিয়া থেকে সরানোর জন্য পরিকল্পনা করে আসছে। সে অনুযায়ী প্রতিদিন রাতে তাদের বাড়ির আশেপাশে সোহরাবের লোকজন ওত পেতে থাকে । এমতাঃবস্থায় হাসিনা বেগমের ছাগল বাড়িতে না আসায় গতকাল সন্ধ্যায় ছাগলের সন্ধান করতে বাড়ির বাইরে বের হয় সে। ছাগল খুঁজে না পেয়ে আনুমানিক ৮ টার সময় যখন সে বাড়ির দিকে রওনা হয় তখন সোহরাব বাহিনীর উৎপেতে থাকা বাহিনীর সদস্যরা হাসিনা বেগম কে মুখ চেপে ধরার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে হাসিনা বেগম চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে নুনু ও তার সহযোগী তিন থেকে চারজন লোক তাকে বেধড়ক মারপিট শুরু করে । এই চিৎকার-চেঁচামেচি শুনতে পেয়ে তার ভাই, বাবা ও তার মা এগিয়ে আসে। তারা দেখতে পায় হাসিনা বেগম মাটিতে লুটিয়ে আছে। এর কারণ জানতে চাইলে তার ভাই এবং তার মাকে নির্দয়ভাবে মারপিট করে গুরুতর আহত করে। গ্রামবাসী চিৎকার-চেঁচামেচি শুনতে পেয়ে বের হলে নুনু ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের আহত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।বর্তমানে হাসিনা, হাসিনার মা মনোয়ারা এবং তার ভাই মিজানুর শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
উল্লেখ্য মাসাধিককাল পূর্বে ভোর রাতে হাসিনাকে তার ঘরে একা পেয়ে সোহরাব মেম্বর এবং তার লাঠিয়াল নুর ইসলাম ধর্ষণের প্রচেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় শ্যামনগর থানায় ধর্ষণ প্রচেষ্টার একটি মামলা রুজু হয়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আসামিরা ফাইনাল নিয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এর পরেই আসামী সোহারাব মেম্বার ও তার লাঠিয়াল নুর ইসলাম নুনু নির্যাতিত মহিলা হাসিনা এবং তার পরিবারের উপরে এমন রক্তাক্ত হামলা করে ।