
একখণ্ড সোনালী রোদ আর বসন্তের মিষ্টি বাতাস যখন একসাথে ঘরে নেমে আসে, ঠিক তেমনি এক স্বর্গীয় আনন্দে ভরে থাকে সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান জীবনের ঘর। পেশাগত জীবনের নানা ব্যস্ততা আর মানসিক চাপের মাঝে তাঁর জীবনের সবচেয়ে সুবাসিত আশ্রয় হলো তাঁর পরিবার—বিশেষ করে তাঁর দুই নয়নের মণি, আদর আর স্নেহে বেড়ে ওঠা প্রিয় রাজকন্যা ও বীরদর্পী রাজপুত্র।
সাংবাদিকতার জগৎটা বরাবরই তুমুল ব্যস্ততার। খবরের পেছনে নিরন্তর ছুটোছুটি, খাতা-কলম আর কি-বোর্ডের অকৃত্রিম লড়াইয়ে কেটে যায় মোস্তাফিজুর রহমান জীবনের কাটখোট্টা সময়গুলো। সমাজের নানা অসংগতি, সুখ-দুঃখের গল্প তিনি প্রতিদিন তুলে ধরেন তাঁর লেখায়। কিন্তু সব ক্লান্তি আর দিনশেষের মানসিক চাপ নিমেষেই কর্পূরের মতো উড়ে যায়, যখন দিনশেষে ঘরে ফিরে তিনি মুখোমুখি হন তাঁর সন্তানদের নিষ্পাপ ও নির্মল হাসির।
ঘরের ছোট্ট রাজকন্যাটি যেন আক্ষরিক অর্থেই লক্ষ্মীশ্রী। তার প্রতিটি মিষ্টি কথা, ফুটফুটে চঞ্চলতা, মিষ্টি অভিমান আর ঘরে হেঁটে চলা পুরো পরিবারকে এক মায়াবী সুরে বেঁধে রাখে। বাবার চোখে সে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি উপহার—এক রাজকন্যা, যে কোনো মুকুট ছাড়াই রাজত্ব করে চলেছে বাবার হৃদয়ে।
অন্যদিকে, তাঁদের উদ্যমী রাজপুত্রটি ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার এক দীপ্ত প্রতিচ্ছবি। বাবার সততা, সাহস আর মেধার ছাপ বয়ে নিয়ে সে বড় হচ্ছে দুরন্ত গতিতে। তার চঞ্চলতা আর কৌতুহলী চোখ দুটি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়—সে আগামী দিনের এক বিজয়ী বীর, পরিবারের গর্ব ও আলোকবর্তিকা।
সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান জীবন হয়তো প্রতিদিন কলম ধরে সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন, কিন্তু তাঁর জীবনের সবচেয়ে সুন্দর, রঙিন আর অর্থপূর্ণ গল্পটি লেখা হচ্ছে তাঁর এই দুই সন্তানকে ঘিরে। বাবা-মায়ের ভালোবাসার দোলায়, আদর্শ ও স্নেহের ছায়ায় গড়ে উঠছে এই দুই ভাই-বোনের আগামীর পথচলা।
তাঁদের প্রতিটি পদক্ষেপে ছড়িয়ে পড়ুক আলোর রোশনাই, তাঁদের নিষ্পাপ হাসিতে মেতে থাকুক জীবনের প্রতিটি দিন। মোস্তাফিজুর রহমান জীবনের রাজকন্যা ও রাজপুত্রের আগামী দিনগুলো হোক সাফল্য, সুস্বাস্থ্য আর অফুরন্ত আনন্দে ভরপুর—এই কামনাই রইল।
ডেক্স নিউজ 














